গাঙচিলকণ্ঠ আসাম
সাপ্তাহিক-ই-পত্রিকা, শুভসূচনা- ০১/০৫/২০২০, প্রতিষ্ঠাতা- খান আখতার হোসেন, সম্পাদক- রফিক উদ্দিন লস্কর।
Friday, January 13, 2023
প্রকাশিত হলো গাঙচিলকণ্ঠ আসাম, বর্ষ ৩, সংখ্যা- ১ম
Sunday, September 6, 2020
দৈনিক সেরা ২১/০৭/২০- ০৫/০৮/২০২০
পর্ব -৯৭
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২১/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:কাজী ছাব্বীর
কবিতা: অন্ন দাও
কবি:প্রগতি চাকমা
কবিতা:আমি চাকমা
কবি:ইঞ্জি:মহি উদ্দিন
কবিতা:বারিধির পানে'এর জন্যে।
@প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগতসকলকে ###########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা।
♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦
** অন্ন দাও **
-- কাজী ছাব্বীর
শত নয় হাজার নয়
ওই যে দেখো লক্ষে লক্ষে।
অনাহারে অর্ধাহারে,
কাটছে যে দিন কতো কষ্টে।
কানা,কুইড়া,ল্যাংড়া,লোলা,
মানব হিসেবেই গণ্য।
ওই যে দেখো কতো মানুষ,
ক্ষুধার জ্বালায় করছে হাহাকার,
অন্ন চাই অন্ন।
অন্ন-বস্ত্র,বাসস্থান
কোথায় পাবে সমাধান ?
হিন্দু-মুসলিম নাই ভেদাভেদ,
তাদেরই ভাই করো দান।
শীতে-গরমে ঝড়-তুফান
নাইযে তাদের কোনো নিদান।
হে ধনবান এগিয়ে এসো, একটুখানি দাড়াও বস্তির পাশে,
অন্ন দাও তাদের মুখে।
রাত্রি-নিশিতে তাবুতে গিয়ে
একবার যদি দেখতে!
রেল লাইনের পাশে
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদে কেমনে,
রাত কাটায় ফুটপাতে।
নেই যে তাদের বসত ভিটা
মাথা গোজার ঠাঁই।
তাদের মুখে অন্ন দিলে
ওপারেতে পাবে ভাই।
আয়েশ, আরাম, বিলাসিতায়
চলো পাজেরোতে।
**এক মুঠো আহার দাও,
অভুক্ত ক্ষুধার্তদের
তপ্ত রোদ আর -
ঝড় তুফান **
আলিঙ্গন করে যারা
জীবন কাটায় ফুটপাতে
সেখানেই জীবন সাড়া।
♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦
বিভাগ -কবিতা
শিরোনাম -আমি চাকমা
কলমে -প্রগতি চাকমা
তাং -21/07/2020 ইং
** আমি চাকমা **
আমি চাকমা, আমি অগোছালো সর্বত্র
তবেআমি পৃথিবী ব্যাপী বিচরণকরি,তাই
পৃথিবীর সব জাগাতে আমি থাকি,তবে
রাজনীতি নিয়ে আমি কিছু ভাবি নাই।
আমি ভদ্রনম্র ঝগড়াঝাঁটি পছন্দ করিনা
আমিও একজন সুষ্ট সুন্দর মানুষ, যবে
আমি কখনওবিচ্ছিন্নভাবে বাঁচতে চাইনা
আমার আছে গচ্ছিত থাকার ইচ্ছা ভবে।
আমার নিজের মাতৃভাষা আছে,লিপিও
আছে কিন্তু সেটা কোথাও প্রচলিত নয়,
কারণ আমার নিজস্ব কোন অস্তিত্ব নেই
কোন শুভশক্তি তা প্রচলনে আগ্রহী নয়।
আমারও আছে সামাজিক নিয়ম নীতি
আমার মেয়েরা খুব পরিশ্রম করে, কত
সুন্দর,ঘরে বাইরে অবাধ অধিকার, সব
পুরুষমহিলা মিলেমিশে কাজ করে যত।
আমি লেখাপড়া করি বাংলা মারমা সহ
ইংরেজিঅথবা অন্যান্য ভাষায়,দুঃখ হয়
তবু আমি প্রতিযোগিতা করি,গল্পকবিতা
লিখি,ঐসব ভাষাতে আমার আসেজয়।
আমি চাকমা, অন্য ভাষায় আমার ভুল
হয়,তবু বার বার চেষ্টা করি,যতটুকু পারি
ভুল শুধরিয়ে নেয়,সে আবার চেষ্টা করি
পৃথিবীর সর্বত্র আমি জায়গা পদ কাড়ি।
আমি চাকমা, আমারও আছে আত্মীয়
স্বজন গোষ্ঠী বাংলাদেশ চীন মায়ানমার
আমেরিকা কানাডা অষ্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড
ভারত রাশিয়া ফ্রান্সজাপান কোরিয়ার।
আমি চাকমা, আমাকে অনেকে টেরা
চোখেদেখে,অামি সমাজের আন্দোলন
করি, হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম মিজোরাম
অরুণাচল ত্রিপুরা পশ্চিমবঙ্গে জাগরণ।
আমি চাকমা, অন্যদের মতো আমিও
মানুষ,আমারও আছে বাঁচার অধিকার,
দুর্ভাগ্যের করাল গ্রাসে নানা দেশে ঘুরি
যেভাবে সৎপথেপারি চেষ্টা করি বাঁচার।
** সমাপ্ত **
♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦
"বারিধির পানে"
(ছড়াবিতা)
-------------ইঞ্জিঃ মহি উদ্দিন-
রুমঝুম রুমঝুম
বৃষ্টির তানে,
উথলিয়া উর্বশী
আষাঢ়িয়া বানে।
কোমল চিত্ত পুড়ে
গুমোট গরমে,
ভেজা গতরে বসন
জড়িয়ে শরমে।
প্রকৃতির পল্ল্ববে
নবনীত ক্ষণে,
প্রেমের সুরভি মাখে
যৌবনা মনে।
থেমেথেমে বারিধারা
টুপটাপ ঝরে,
তৃষিত শিখর বেয়ে
গিরিপথ ভরে।
কানাল গড়িয়ে চলে
মোহনার আশে,
দুজনাতে মিলনের
প্রেমতিথি হাসে।
প্রণয়ের সুর বাজে
তটিনীর বুকে
বিরহ যাতনা ভুলে
দু'য়ে থাকে সুখে।
প্রেমনদে হালধরে
সুরতুলে গানে,
দুজনার অভিসার
বারিধির পানে।
------------১৩-০৭-২০২০ইং
সী বীচ পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦
পর্ব ৯৮
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২২/৭/২০২০ইনং তারিখের সেরা
কবি:নন্দিতা
কবিতা:নিষ্ক্রিয় সময়
কবি: শরীফ এমদাদ হোসেন
কবিতা:দু:খের নদী, আমাকে ফাগুণ এনে দাও
কবি:মিজানূর রহমান
কবিতা: কামিনী'এর জন্যে।
স্বাগত সকলকে ###########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙছিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕
নিষ্ক্রিয় সময় (৩)
নন্দিতা
আকাশটা ঝুঁকে আছে পৃথিবীর দিকে
তারারা তাদের অবস্থান বদলে, প্রতিরাতে টিমটিমে আলো জ্বেলে পৃথিবীর ভাগ্য পরিবর্তণে ব্যস্ত।
শুধু পৃথিবীরতে জ্ব'লে থাকা
রাস্তার বাতিগুলি এক জায়গায় স্থির
রাতের আবেগ মোম গলা জল
ঘরের ভেন্টিলেটরে চড়ুই পাখির সুখের সংসার
বেহিসাবি অভিমান খোঁজে,
তপ্ত দিনে বটবৃক্ষের ঘন ছায়া
ঘুমের বসতভিটায় বর্গির রাজত্ব।
তারা ঝরে পড়ে,
তবু কোন অজ্ঞাত কারণে
পৃথিবীর অভিশপ্ত নিয়তির কথানক শেষ হয় না।
কালের সাক্ষী হয়ে থাকে নিথর আকাশের চাঁদ।
চৌচির মাটিতে সবুজ পাতা
উঁকি দিয়ে খোঁজে
বিধাতার ক্ষমায় "নিস্পাপ ফুল"।
সমাপ্তি হোক বর্তমাণের
অতীত হয়ে থাক,
অমার্জিত সব আকাঙ্খা
সপ্তর্ষিমন্ডল আলোকিত করুক
নিয়নবাতির নিয়তি
পৃথিবী বদলে যাক বদলে যাক সময়
কালের শ্রোতে হারিয়ে যাক
অভিশাপ আর অভিশপ্ত জীবন।।
নন্দীপাড়া, ঢাকা
২৫/৫/২০২০
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕
দুঃখের নদী, আমাকে ফাগুন এনে দাও
===========================
--শরীফ এমদাদ হোসেন
তাং ২২-০৭-২০
একটু সময় হোক
তারপর জানাবো দুঃখ ; যদি,
শেষ রাতের ট্রেনে করে চামেলিদের বাড়ি দেখা যায়
দেখা যায় গায়ের হালট, তৃষ্ণায় পেরিয়ে নদী
যদি দেখা পাই ফাগুন সময়
কোন অভাব থাকবেনা আর, বায়ু টেনে কাটাবো সময়।
কতকাল চলে যায় অধরা সুখ বিছানায় কাঁদে
আঁধার কেটে আসেনা ভোরের একফালি চাঁদ
খবর আসেনা দিকভ্রান্ত কোনো পথিকের হাতে
তুমুল আঁধার এসে ভেজায় দু'চোখ।
আর কত ? কত আর বহাবে দুঃখের নদী
করাতকলে চিরে যাচ্ছো সীমাহীন
কত ফাগুন এলো গেলো শুনি
চামেলি আসেনা ফিরে। ফাগুনের দেখা হয় নাই আর
কোন পথে তাকাবো সারাটা শর্বরী
আঁধার কেটে আলোর ফুলকি যদি ফোটে !!
জানি ফুল ফুটবে ভোরের বাতাসে
পাখির গুঞ্জনে,কলতানে
এ জীবনে পাবো কিনা দেখা,জানার আগ্রহ বাড়ে খুব।
যদি দেখা পাই সে ফাগুন সময়
কোন অভাব থাকবে না আর, বায়ু টেনে কাটাবো সময়।
******-**************
টুঙ্গিপাড়া,
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕
কামিনী
তুমি হাসপাতালে আছো পড়ে
আমরা কোয়ারান্টাইনে ঘরে
তোমার নিজ হাতে লাগানো
কামিনীকাঞ্চন পূর্ণ ফুটেছে
শ্রাবণধারা অঝরে ঝরছে
প্রাণমোর ছটফট করছে
তোমার কি মনে পড়ে
দ্বিবার্ষিকীতে দিলে!
আমি সেজেছিলাম সেই পাতার রংএর
সবুজ শাড়ী সোনালী জরির পার
আমার খোপায় সাদা কামিনী পুরে দিলে
আমি আবেগে থিরথির করে কেপে কেপে
সপেছিলাম নিজেকে তোমার বুকে
আদরে আদরে আমি পূর্ণ হই সুখে।
এখন গভীর রাত
রাতজাগা পাখীর ডানা ঝাপটানোর আওয়াজ
থেকে থেকে শিয়ালের ডাক আসে দূর থেকে ভেসে
আমার চোখের পাতারা ভারী হয়ে আসে
ভেতরে জেগে থাকি
তোমার কষ্টমাখানো মুখ
আমার অন্তরে জেগে রয়
অজানা আশংকায়
হারানোর ভয়!
সাদা কামিনীগুলো জানালার ফাকে দৃষ্টি সীমায়,
দেখো! ওরা যেন কাঞ্চনযোগে মিলনাসন করায় এইমাত্র স্নানসেরে আসায়
এখনও জল পড়ছে ফোটায় ফোটায়
রাত শেষে ভোরের আলোয়
তোমার সন্তান বুকে জড়ায়
একটি ভালো খবরের প্রতীক্ষায়
তুমি সুস্থ হয়ে কামিনী তলায়
সাদা ফুল হাতে দেখি তোমায়!!
(২২/৭/২০)
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕
পর্ব- ৯৯
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৩/৮/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:জাকির হোসেন
কবিতা:মায়ের আশীষ
কবি:সোনালী বসু
কবিতা:অপূর্ব সাধ
কবি:জহিরুল আলম
কবিতা:মহাবীরের জীবনগাঁথা'এর জন্যে।
স্বাগত সকলকে############
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
মায়ের আশীষ
------------------------
জাকির হোসেন
-------------------------
23/07/2020
মা ডাকেতে হৃদয় আলো
মা ডাকেতে সান্ত্বনা,
মা ডাকেতে তৃপ্ত হৃদয়
মা ডাকেতে নেই ছলনা।
মায়ের আশীষ খাঁটি সোনা
মায়ের পরশ আদর মাখা,
মায়ের আঁচল সুখের লহর
ভুবন মাঝে স্বর্গ দেখা।
ধরার বুকে হাজার জ্যোতি
মায়ের জ্যোতি প্রেরণা,
জনম দিয়ে মা আমারে
ভোগ করে যায় যন্ত্রণা।
স্বার্থ কথা উধাও হেথা
ভালোবাসার স্বর্গ সুধা,
মা ছাড়া মোর আঁধার জগৎ
শূন্য ঘেরা এই বসুধা।
আপন ব্যথা আড়াল করে
হাসির রেখা ঠোঁটের কোণে,
বুকের মানিক লালন করে
দুঃখ সয়ে আনমনে।
স্বার্থ ভরা ধরা মাঝে
নিঃস্বার্থের দেবী তুমি,
রাখবো তোমায় আগলে মাগো
প্রার্থনা মোর অন্তর্যামী।
স্রষ্টা আমি দেখিনি মা
তুমিই আমার জ্যান্ত দেবী,
তোমার চরণ সেবা করে
স্বর্গ দুয়ার আঁকি ছবি।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
অপুর্ন সাধ
সোনালী বসু
তারিখঃ২৩/০৭/২০২০
সমুদ্র প্রিয় বন্ধু কথা তুমি শোনো
কেন গো তুমি বুকে এত ঢেউ হানো;
কি ব্যথা তোমার জানা ও উথলি উঠি
তুমি বন্ধু চাঁদের সাথে বেঁধেছ কি জুটি?
দিনরাত্রি তোমার ক্রন্দন নাহি থামে
কোন লুকানো কথা বুকেতে আছে জমে!
চাঁদকে ধরবে বুঝি ভালোবেসে সুখে
তবু কেন চাঁদ লুকায় মেঘের বুকে।
বুঝেছি সখা দুঃখের চিহ্নকে তোমার
চাঁদকে কলঙ্ক দিয়েছে কি বারবার!
দূরে বসে সখা তাই তোমার আক্রোশ
প্রবল ঢেউ তুলে কি হয়েছো বেহুশ!
চাঁদ এসেছিল তোমার বুকের নীরে
নিথর ছিলে তুমি গিয়েছে সে তো ফিরে!
কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে হারায়েছে সে চাঁদ
আজ তরঙ্গ তুলে ভাঙো প্রেমের বাঁধ।
তোমার সাধ না মিটিবে গো এ জীবনে
প্রেমের কলঙ্ক নিয়ে চাঁদ হার মানে;
দূরে বসেই তার জোছনা ঢেলে দেবে
দুজনার অপুর্ন সাধ মনেই রয়ে যাবে!!
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
‘মহাবীরের জীবনগাথা’
মো: জহিরুল আলম
২৩-০৭-২০২০
ছোট্ট শিশু জন্মেছিলো টুঙ্গিপাড়া গ্রামে
মা-বাবা আদর করে খোকা নামে তারে ডাকে
সপ্তম বছর বয়সে তিনি স্কুলে গমন করেন
স্কুলেতে গিয়ে তিনি পড়া-লেখায় মনোনিবেশ করেন
রাজনীতি আর ছাত্র আন্দোলনে
দু’টোতেই ছিলেন সমান দক্ষ
ফুটবলের মাঠেও তিনি
প্রতিপক্ষ দূর্গের শানিত অস্ত্র
কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মিলেছে পুরস্কার
অল্প বয়সেই নামের খ্যাতিও ছড়িয়েছিলো তাঁর
ফজিলাতুন্নেসা প্রেয়সী রূপে ঘরনী ছিলেন তাঁর
দুই কন্যা আর তিন পুত্রের সুখময় সংসার
পড়া-লেখা করেন শেষ স্নাতক ডিগ্রী নিয়ে
রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন শান্তির বারতা দিয়ে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নিরীহ মানুষের তরে
নিজের জীবন বাজি রেখেছেন বসে থাকেন নি ঘরে
ভারত, পাকিস্তানের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠায়
স্বপ্নের রাষ্ট্র গড়ার নিমিত্ত অটুট প্রতিজ্ঞায়
রাষ্ট্রভাষা ঊর্দুকে মানার খাজা নাজিমুদ্দিনের ঘোষণায়
‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ হয় তারই প্রস্তাবনায়
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিক্ষোভরত অবস্থায়
সঙ্গিসহ গ্রেফতার করে তাঁকে জেলেতে পাঠায়
এমন করে দেশের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামে
দীর্ঘ সময় জেলেতে কাটান সুখ আর স্বাচ্ছন্দ ত্যাগে
ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে আগরতলা মামলায়
দেশব্যাপী গণআন্দোলনের মুখে মুক্তিও তিনি পায়
স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়ে যান তিনি ‘বঙ্গবন্ধু’ খেতাব
সেই থেকে বাঙ্গালী দেখলো দুর্দান্ত এক প্রতাপ
৭১ এর ৭ ই মার্চে গর্জে ওঠেন তিনি
বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেন পরাধীর রবেনা ভূমি
তরুণ-দামাল সকলে মিলে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে
স্বাধীন হলো একটি রাষ্ট্র বাংলাদেশ নামে
যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের সপ্নে
শক্ত ভিত্তি তৈরীর জন্য প্রাণপন তিনি লড়েন
বিপথগামী ও উচ্চাভিলাষী বিশ্বাসঘাতকের দলে
সপরিবারে হত্যা করেন ১৫ আগস্ট ভোরে
সেইদিন থেকে কালো অধ্যয় রচিত হয় ইতিহাসে
যা কোনদিন মুছবেনা পদ্মা-মেঘনার জলে
বাঙ্গালী জাতীর শ্রষ্টা বলে সকলেই তাকে মানে
দেশ-বিদেশের জ্ঞানী গুনীজন সকলেই এটা জানে
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব- ১০০
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৪/৭/২০২০ ইং তারিখের সেরা
কবি:মঞ্জুলা বর
কবিতা: বন্যার কবলে
কবি:শংকরী সাহা
কবিতা:মন হারিয়ে যায়
কবি:মলয় বাগচী
কবিতা:বানভাসির কষ্ট -এর জন্যে।
স্বাগতসকলকে ############
@ প্রতিদিনের কবিতা বিভাগ@
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
দৈনিক প্রতিযোগিতা
শিরোনাম - বন্যার কবলে
কলমে - মঞ্জুলা বর
তারিখ - 24.07.2020
বন্যায় পড়েছে লোকজন
ভেঙেছে ঘরবাড়ি ,
কাঁদছে বসে সবুজ বন
প্রাণ নিয়েছে কাড়ি।
ঘরের ভিতর জল ঢুকে
নষ্ট হয়েছে সব ,
দুর্যোগে ছবি এঁকে বুকে
বায়ু করছে রব ।
মাথার উপর ছাদ নেই
জলে দাঁড়িয়ে আছে,
ঘরের চাল পড়েছে যেই
সবাই আছে কাছে ।
অন্ন বস্ত্র গেছে ভেসে
তুলছে হাতে করে ,
অদূরে মেঘ দেখছে হেসে
জল দিচ্ছে ভরে ।
জীব জন্তু জলে ভিজে
করুণ গান করে,
গাছপালা দেখে নিজে
দুঃখে হৃদয় ভরে।।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
প্রতিদিন প্রতিযোগিতা
শিরোনাম---- মন হারিয়ে যায় শ্রাবণে
কলমে ---- শংকরী সাহা
তারিখ ---- ২৪/০৭/২০২০
*************************************
আজ শ্রাবণের প্রথম দিনে,
মন হারিয়ে যায় ভালোবাসার শ্রাবণে,
মন ভরেছে ভালোবাসার জয়গানে,
শ্রাবণের প্রথম দিনে ভরেছে মন খুশির প্লাবনে।
নিরিবিলি একাকী মন খোঁজে
প্রফুল্লচিত্তে ভালোবাসার বাঁধন,
ভালোবাসার সে অমূল্য রতন,
খোঁজে একান্ত আপন মনে সারাক্ষণ।
শ্রাবণের বর্ষণে বৃষ্টির তালে তালে,
মাঠ ঘাট পথ ভরেছে বৃষ্টির জলে,
খাল বিল নদী পুকুর জলে থৈইথৈই
সবুজ বৃক্ষলতা ভেঙে গেলো কই
প
মেঘ কালো ছায়া মেলে শ্রাবণের আকাশে,
আজ শ্রাবণের প্রথম দিনে কদম ফুলের ঘ্রানে,
মন হারিয়ে যায় স্নিগ্ধ কোমল মায়াবী আবেশে
শ্রাবনের বর্ষণে তোমায় খোঁজে অগোচরে মনে।
বর্ষার শ্রাবণে হারিয়ে যাই বৃষ্টির ছন্দে,
রোদ মেঘ বৃষ্টি খেলা করে শ্রাবণের আকাশে,
সেই সুখেতে মন থাকে অনাবিল আনন্দে,
বৃষ্টির তালে তোমায় খোঁজে মন ভালোবেসে।
শ্রাবণের ঝর্নাধারা কি যে কথা বলে সুরে সুরে,
জোনাকির আলো নেভে আর জ্বলে শ্রাবণসাঁঝে,
বেলী গন্ধরাজ সৌরভ ছড়ায় চারিধারে,
শ্রাবণের সন্ধ্যায় মন ভরে শ্রাবণ ধারার মাঝে।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
#পদ্যকবিতা_বানভাসির_কষ্ট
#কলমে_মলয়_বাগচী
#তারিখ_২৪_০৭_২০২০
মেঘের রঙে মন রচে না
কাব্য গাথা সুখ,
বানের জলে ভেসে যখন
বাড়াই অতি দুখ।
যাচ্ছে ভেসে আবাস গৃহ
ফসল জমি সব।
আর সয়ে না রক্ষা কর
কোথায় আছ রব।
নৌকা করে দিন যে কাটে
পথ হয়েছে ঘর,
বানের জলে ভেসে আজকে
গহীন বালুচর।
কোথায় আছো সুজন মাঝি
দুঃখ দেখে যাও,
বুকের মাঝে ফাটল ধরে
জোরে চালাও নাও।
স্বপ্ন যত তলিয়ে গেছে
এক রাতের বানে,
ঘুরছি মরে খাবার আশে
বাঁচা এখন জানে।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব -১০১
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৫/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:ইঞ্জি:মহি উদ্দিন
কবিতা:ঘন দেয়া ভাসে
কবি:মো :আনসার উদ্দিন ভূয়া
কবিতা: মেঘের আগে
কবি:নিতাই চন্দ্র দাস
কবিতা: কাব্যিক ভাবনায়'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ
🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶
"ঘনদেয়া ভাসে"
(মাত্রাবৃত্ত)৪+৪+৪+২
---------ইঞ্জিঃ মহি উদ্দিন-
আষাঢ়ের অম্বরে
ঘনদেয়া ভাসে,
সবুজের বনানীতে
সুখপ্রভা হাসে।
চাতোকিনী মেঘপানে
বরিষণ যাচে,
ঝাঁকবেঁধে বালি-হাস
ডানা মেলে নাচে।
নদীনালা খালবিলে
জলেগেছে ভরে,
ডোবাজলা প্রান্তর
থৈথৈ করে।
ডুবেডুবে ডাহুকেরা
সাতরিয়ে চলে,
মাছধরে খায় আর
হাঁক ছাড়ে বলে।
দোয়েলিয়া কোয়েলিয়া
শিস দিয়ে যায়,
ভানধারী বকমামা
মাছরাঙা আয়।
মাছরাঙা ছোঁ মেরে
টোপকরে গিলে,
ফাঁদ পেতে বকমামা
ঠাঁয় খাড়া ঝিলে।
গঙ্গায় বান নামে
কলকল করে,
নীড়হারা মানুষের
আঁখিজলে ভরে।
ভাঙ্গনের খেলা চলে
যমুনার পাড়ে,
কুলনাশা পদ্মায়
ডুবাইয়া মারে।
কৃষকের আশা ভাসে
হতাশার জলে,
সুখ তার কেড়ে নিলো
উজানিয়া ঢলে।
চুক্তির স্বাক্ষরে
গঙ্গার পানি,
তালগাছ রেখে দাদা
সবকিছু মানি।
---------১৯-০৭-২০২০ইং
সী বীচ পতেঙ্গা,চট্টগ্রাম।
🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦♦♦♦
"" মেঘের আগে ""
মোঃ আনসার উদ্দিন ভূঞা
হাওয়া আড়ি মেঘের বাড়ি
ইচ্ছে হলো যাবো,
প্রভুর দেয়া হয়নি কেনো
আমরা উড়ে পাবো।
গগণেতে আঁধার নেমে
আসছে ধেয়ে দেখো,
লুকিয়ে থাক্ চাঁদের আলো
চোখটি মেলে রাখো।
আকাশ কালো দিনের আলো
নিভে যাচ্ছে আজ,
মাঠের কৃষক ভেজাল সেরে
বাসায় করবে কাজ।
বৃষ্টির পানি ভিজলে পরে
জ্বরে ঠান্ডায় ভোগি,
আশে পাশের লোকে বলবে
সারা বছরের রোগি।
শ্রাবণ দিনে টাপুর টুপুর
বৃষ্টি ঝরের আগে,
জীবন সঙ্গে ঘরের অঙ্গে
ফিরব মোহন ভাগে।
♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦
কাব্যিক ভাবনায়
নিতাই চন্দ্র বিশ্বাস
তারিখঃ২৫.০৭.২০২০
আমি গাছের সবুজ ছড়িয়ে দিলাম
তোমার সারা গায়,
প্রভাতী নীল টিয়ে আবির ছন্দ দোলায়।
আমি টিয়া ঠোঁটের লঙ্কা মুখে
বেনেবউ দিলাম ওড়ায়,
হলুদ আভায় কলাপাতায় তরঙ্গ দোলায়।
অশোকরঙা পাল উড়িয়ে ধবল কুয়াশায়,
আমি রাধাচূড়া ভর্তি করে
শালের পানসি বাই।
আমি ফণীমনসায় সৌর বর্শায়
গেঁথে দিলাম গাথা,
পাতাবাহারি ঝর্ণাধারায় পেঁজা তুলোর গাঁতা।
তোমার বর্ণে রূপ-লাবণ্যে কল্পনা দিলাম ভরে,
শিমুল তুলো উড়িয়ে দিলাম শারদ মেঘের বেশে।
আমি রসের কাঁথা বিছিয়ে দিলাম
তোমার শরীর জুড়ে,
প্রেমের সাগর রসিক পাঠক তোমাকে নিক চিনে।
আমি শঙ্খচিলের মুক্তি দিলাম তোমার ডানায় ছোঁয়ায়,
চাইনা আমি হারিয়ে যাক তা,সাইবেরিয়ার ধরায়।
আমি সূর্যতেজা বল দিলাম তোমার বুকে ভরে,
বিস্ফোরণে ফেটে পড়ুক তা তীব্র জনরোষে।
পুড়ুক বিবেক ধ্বজাধারী ভেক,তোমার মহা তেজে,
রাজদণ্ড ন্যায়দণ্ড হোক জনতার আদালতে।।
পুড়ুক চেলা চামুণ্ডা,অন্যায়ের হোতা তোমার বিপ্লবে,
সুগন্ধ তার ছড়িয়ে পড়ুক রসাল মুকুলে।
মন মহুয়া ধূপের ধোঁয়া ভালোবাসার কলি,
ব্রহ্মানন্দ জীবন আকন্দ মৃগনাভি কস্তুরি।
কবিতা তুমি কাব্যতরী,ভালবাসার ডালি;
ভাবে-রসে-কল্পনায় জীবনের ধূপছায়ায়--
অচেতনে রসিক সনে জীবনের কথা কয়।
গায় বনমালী প্রকৃতির গীতালি
রূপে-রসে জাল বুনি,
জীবন যেখানে জীবনের লাগি--
ফোটায় ফুলের কুঁড়ি।।
(স্বত্ব সংরক্ষিত)
বোলপুর,শান্তিনিকেতন
🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶♦🔶
পর্ব -১০২
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৬/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:সদ্বীপ কুমার ঘোষ
কবিতা:স্মৃতির সমাধি পরে,তোমার কথা মনে পড়ে
কবি:মনোজ চক্রবর্তী
কবিতা:হৃদয়ে বঙ্কিম
কবি: নীল কাব্য
কবিতা:জীবন নামের জলসা ঘর'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
বিশিষ্ট কবি ঔপন্যাসিক " শব্দ সৈনিক '" নজরুল ইসলাম টুকুর স্মরনে " স্মরনিকা কবিতা " ।
কবিতার নামঃ স্মৃতির সমাধী পরে,তোমার কথা মনে পড়ে।********************************************
কবির নামঃ সন্দ্বীপ কুমার ঘোষ।
-------------------------------------------
রচনাকালঃ ২৬/০৭/২০২০ ইং
ক্ষণ জন্মা হয়ে এসেছিলে কবি
চরালে দু'দিন ক্ষণিকের ভূবণে!
অসময়ে কি তবে চলে গেলে
নিদারুন কোন অভমানে?
এ সময়ে তো কবি তোমার
যাওয়ার কোন কথা ছিল না
তবে কেন পৃথিবী ছেড়ে গেলে
আত্মীয় স্বজনকে সময় দিলে না?
চির নিদ্রায় ঘুমিয়ে গেলে
কবিতা গল্প সব ফেলে
পান্ডুলিপি আজি ধুলায় গড়ায়
তোমার সাহিত্য ভূবণ রসাতলে।
আর পাখি কভু গাইবে না গান
নজরুলের কথা আর কইবে না
কবরে শুয়ে তুমি অভিমানি
কাগজ কলম আর চাইবে না!
কাঁদবে চিরদিন তোমার সুহৃদ স্বজন
তোমার স্মৃতি ভাস্বরে করবে পূঁজন
" শব্দ সৈনিক " নজরুল ইসলাম টুকু
সাহিত্য আসরে আর করবে না কুজন।
স্মৃতি শুধু কাঁদাবে আমাদের
তার সৃষ্টি সাহিত্য ভান্ডার
প্রার্থনা মাগি খোদার দরবারে
বেহেশত নসীব হোক তার বান্দার।।
*******************************
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
হৃদয়ে বঙ্কিম
মনোজ চক্রবর্ত্তী (গোবিন্দ),জজকোর্ট
সাহিত্যের সম্রাট তুমি এ জগৎ সংসারে
শক্ত শক্ত ভাষা সাধারণ মেধায় আসেনা, বঙ্কিম রচনাতে
ঊনিশ শতকের পরে বাংলা সাহিত্যে এসেছিলে তুমি এ ভূবন আলো করে
তাইতো আমি ভাবি মনে মনে সুনীল আকাশের পানে,
সাহিত্য সম্রাট ঋষি, বাংলার স্কট, রায়বাহাদুর সি.আই.ই উপাধীতে,
বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক সাহিত্য চর্চার শুরুতে সংবাদ প্রভাকরইতে
শৈশবে পড়াশুনা করে আমি জেনেছি কপালকুন্ডলাতে
উপন্যাসের নায়ক নবকুমার “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”
কমলাকান্ত তোমার রজতজয়ন্তীতে দৃঢ়চিত্তে প্রণাম জানাই মোর অন্তরে
ভারতের দেশাত্ববোধক সংগীতে জন্মভূমিকে বন্দনা করে ‘বন্দেমাতরম রচনা করে প্রাতঃস্মরনীয় হয়ে
স্নেহধন্য ডেপুটি কালেক্টরের পুত্র তুমি, ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট যশোরে রেখেছ অনেক নিদর্শন
ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হয়েও দিয়েছ তুমি সাহিত্যের প্রেরনা জগৎ মাঝারে
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রাজুয়েট সেতো মোরা জানি অন্তর দিয়ে
সাহিত্যিক স্যার ওয়াল্টার স্কটের আদর্শে অনুপ্রেরণা পেয়েছিল বঙ্কিমের সাহিত্যে।
১৮২তম রজত জয়ন্তী উপলক্ষে
তাং- ২৮/০৬/২০২০ ইং
১৪ই আষাঢ়, ১৪২৭
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
শিরোনাম -জীবন নামের জলসা ঘর
কলমে- নীল কাব্য
জীবন নামের জলসা ঘরের রঙ্গমঞ্চে
নানান ক্ষণে নানানভাবে নানান জনের আবির্ভাব
এরই মাঝে কেউ বসত গড়ে,হৃদয় গহীনে স্বপ্নাস্থায়।
অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবেই এলে যেন-ভাবনার দ্বারে
করিনু বরন হৃদয়ে মম,নিঃস্বার্থ ভালবেসে
শূন্য হাতে এলেম ফিরে হেথা হতে
যেথায় সঁপিনু নিজকে নির্বিঘ্নে ভালবেসে।
হৃদপিন্ডের শিরা-উপশিরায় ধমনিতে
তাহারই বাস যেন আছে মিশে সর্বাঙ্গে,
তোমাকে শুধাই হে মহান কারিগর
ভাঙিবে হৃদয় যদি, তবে গড়িলে কেন?
মম হৃদয়ে মিছে তাসের ঘর!!
দু'হাতে আলোক বর্তিকা লয়ে-এসেছিলে দ্বার প্রান্তে।
মিছে আলোয় মিছে মায়ায় বিভোর ছিলেম হেথা
অধিকার নেই যেথা,সে তো অণাধিকার চর্চা
ছিলেম মেতে মিছে ভাবনায়- এ যে আমার স্বপ্নাস্থা
মিছে অভিমানে দিলে ছুড়ে আলো হতে আঁধারে।
তবু ও কেন জ্বলে আলোর প্রদীপ শিখা হৃদ মাঝারে
কখনো হাসায় কখনো কাঁদায় জীবন নামের জলসাঘর
সময়ের বিবর্তনে আপন ,হয়ে যায় নির্বিঘ্নে পর।।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব -১০৩
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৭/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি: মিজানুর রহমান
কবিতা :তোমার পরশে
কবি:রফিক উদ্দিন লস্কর
কবিতা:ফিরে এসো আবার
কবি:রীনা পারভীন
কবিতা: স্বপ্ন পুরুষ' এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে ##########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
তোমার পরশে
ঘাসফুলগুলো দেখো বর্ষায়
বাহারী রং ধরেছে
এতেদিনে অযতনে অবহেলায
সাহারী জং পরেছে
অভ্রভেদে বারি ঝরলো হেথায়
নবযৌবনে ফিরেছে
এখন তারা এলো বারান্দায়
স্পর্শ কার পড়েছে!
কোমল সে হাত পরশ দেয়
নির্মল মন নড়েছে!
জল বরষার সরস সদয়
ঝরঝর ঝরেছে।
পথের পার্শে পড়েছিনু ধূলিময়
দয়াময়ী কে এনেছে
পরম যতনে দিলে হাত তব বুলায়।
আমার ভেতরে থাকা
শত জনমের যৌবন সৌন্দর্য
জেগে উঠেছে
স্পর্শসুখ কি যদি বুঝতে!!
কতজনেই তো পায়ে দলায়
হাতও কেউ দেয়, দিতে চায়
সময়ে কুকড়ে যাই ঘৃনায়
অথচ তোমার পরশ জানে ঘাসফুল
নির্মল পুতপবিত্র ভালোবাসায়।
জেগে উঠি রং বাহার কামনায়।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
গীতিকবিতা -০৩
ফিরে এসো আবার
।। রফিক উদ্দিন লস্কর ।।
তুমি কেমন করে হারিয়ে গেলে
আমার জীবন হতে,
আমি আজও ঘুরি দেশে দেশে
অজানা এক পথে।।
কত স্বপ্ন ছিলো তোমায় নিয়ে
বাঁধবো সুখের ঘর,
অসময়ে যে সব ভেঙ্গে দিলো
কালবৈশাখীর ঝড়।।
আমি বুকের মাঝে পুষে রাখি
তোমায় পাওয়ার আশা,
সাতজনমও থাকবো অপেক্ষায়
পাইতে ভালোবাসা।।
না জানি কোন ভুলের মাশুল
গুনতে হচ্ছে আজি,
তোমায় পাওয়ার জন্য আমি
জীবন রাখলাম বাজি।।
তুমি ফিরে এসো বন্ধু আমার
বলছি যে বারবার,
তুমি ছাড়া জীবন যে আমার
হইতেছে ছারখার।।
২৭ জুলাই ২০২০ইং
নিতাইনগর, হাইলাকান্দি (আসাম-ভারত)
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
♦স্বপ্ন পুরুষ
রীনা পারভীন
দেহের সব শিরা উপশিরা,
শ্বেত রক্তকনিকা, লালরক্ত হয়ে
ছুটে চলে তোমার পানে যমুনা৷
তুমি শান্ত নিশ্চুপ সবুজাভ
স্রোতধারায়, আমায় নিয়ে যাও
সাগর পাহাড় জ্যোৎস্নাস্নাত অভিসারে৷
গোধূলি আবিরে রাঙাও তনু মন,
প্রতিটি টিস্যুসেল গভীরে৷
অরুণ আলোতে তোমার কূলে,
চরণ রাখি শিহরণ অনুভবে৷
তুমি তখন ঝাউয়ের আঁড়ে,
মুখর পাকে আঁখি যুগল,
রাখ আঁখি নীড়ে বিরহগীতে৷
শ্রাবণের আউলা হাওয়ায়,
রিনিঝিনি বৃষ্টি ধারায়
বেঁচে থাকার প্রতিটি পূর্ণিমায়
রাতের তারা হয়ে,
তুমি রবে হৃদয়ে মিশে৷
জ্যোৎস্নাস্নাত রূপালি চাঁদে,
তোমায় নিয়ে বোনা স্বপ্ন,
পাহাড় চূড়ায় অরুণ আলোতে,
ছড়িয়ে যাক দ্বিকবিদিক
আমি তখন গর্বভরে বলবো ওরে,
যমুনা আমার স্বপ্ন পুরুষ৷
ধানসিঁড়ি
২৭/০৭/২০
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব - ১০৪
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৮/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:প্রদীপ কুণ্ডু
কবিতা:গভীর রাতে
কবি:নিত্যানন্দ বিশ্বাস
কবিতা: রক্তাক্ত একাত্তর
কবি:ভূঁইয়া মো: সোহেল
কবিতা:সৃষ্টি সুখে তৃপ্তি আসে'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ###########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
বিভাগ - কবিতা
শিরোনাম-কিছু গল্প ভেসে আসে গভীর রাতে
কলমে - প্রদীপ কুন্ডু
তারিখ - ২৮-০৭-২০২০
কিছু গল্প ভেসে আসে গভীর রাতে
বুকের লুকোনো আগুনে হয় ছারখার,
বাঁচতে শেখানো ভালোবাসার ঘরেও
নামে পাতালপুরীর ক্ষুধার্ত অন্ধকার।
সততার দীপ্তিতে মিথ্যা প্রেম আসে
শ্রাবনের অবিশ্রান্ত বৃষ্টির ধারা হয়ে,
বাঁধভাঙা জোয়ারের উৎশৃংখল স্রোতে
জীবনের মাধুর্য সহজেই যায় বয়ে।
চোখের কোনায় অতৃপ্তির বেদনা নামে
পাহাড়ের অবিশ্রান্ত ঝর্না ধারার মতো ,
নক্ষত্র উজ্জ্বল জোৎস্না আলোতেও
ভালোবাসা ভাঙে নিশ্চুপে প্রতিনিয়ত।
থমথমে পরিবেশ আবেগের তাড়নায়
জীবন হয়ে ওঠে বেপরোয়া এক নদী,
কক্ষচ্যুত নক্ষত্রও স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার
নতুন আলোক উৎসের সন্ধান পায় যদি।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
দৈনিক প্রতিযোগিতা
বিভাগ- কবিতা
কবিতা-রক্তাক্ত একাত্তর
কলমে- নিত্যানন্দ বিশ্বাস
তাং- ২৮।০৭।২০২০
জন্মগত অধিকার প্রিয় স্বাধীনতা
ভবে অমূল্য সম্পদ এই স্বাধীনতা।
একাত্তরে রক্তক্ষয়ী মুক্তি যুদ্ধ বঙ্গে
স্বাধীনতার ঘোষণা খোকা দেন বঙ্গে।
পঁচিশ মার্চ গভীর রাতে হানাদার
নিরীহ বাঙালি মারে পঞ্চাশ হাজার।
ওসমানী সেনাপতি যুদ্ধের প্রধান
কোটি মানুষ ভারতে শরণার্থী হন।
ত্রিশ লক্ষ লোক মরে পাঞ্জাবি কারণ
দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত হনন।
লক্ষ লক্ষ মুক্তি যোদ্ধা অর্ধ মৃত্যু হয়
শহিদ গাজী বাংলায় লক্ষ লক্ষ রয়।
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে জয়
রক্তাক্ত একাত্তরেই স্বাধীন বিজয়।
বিশ্ব মানচিত্রে দোলে স্বাধীন পতাকা
স্মৃতিসৌধে উড়ে বিজয় পতাকা।
আস্কর, আগৈলঝাড়া, বরিশাল
বাংলাদেশ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
সৃষ্টি সুখে তৃপ্তি আসে
________ভূঁইয়া মোঃ সোহেল রানা
তারিখঃ ২৮/০৭/২০২০ ইং
__________________________
নিজের হাতে সৃষ্টি যাহা
মিষ্টি তাহা অতি,
পরের কিছু লোভ করিলে
হবে অনেক ক্ষতি।
আপন হাতে করবে যাহা
শান্তি পাবে তাতে,
বুক ফুলিয়ে চলবে সদা
থাকবে দুধে ভাতে।
সুখের লাগি পরের বাড়ি
গোপনে দিলে হানা,
সুখের চেয়ে কষ্ট পাবে
খুঁজবে তোরে থানা।
নিজ হস্তে ভাগ্যের চাকা
ঘুরাতে যদি পারো,
বিশ্ব মাঝে উচ্চ হবে
শক্ত হাল ধরো।
সৃষ্টি সুখে তৃপ্তি আসে
সৃষ্টি করে দেখো,
ভালো কাজের মিষ্টি ফল
জ্ঞানি থেকে শেখো।
নিজ সৃষ্ট লাগে মিষ্ট
দেখো চেষ্টা করে,
লোভে পরলে সব হারাবে
কষ্ট পাবে মরে।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব -১০৫
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৯/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি:সমর ভৌমিক
কবিতা:জীবনের গল্প
কবি:ডি কে পাল
কবিতা: সমাজ ও মহাকাল
কবি:মুহম্মদ আমির হোসেন
কবিতা: কলমের ভোগ"এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলে
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸
জীবনের গল্প
সমর ভৌমিক
29 জুলাই 2020; 17:57
.
তুমি জানো এবং বিশ্বাস করো
কখনও দোষ খুঁজিনি অণু,
আত্মার পথ আলোকিত করতে-
নির্মল নক্ষত্রের মতো চলে এসো।
.
মনের আকাশে ভাসমান মেঘের মতো
শ্রাবণের বৃষ্টিতে তোমাকে দেখবো,
অবিকৃত জলের আয়নায় তুমি-
একটি রহস্য; একটি চিন্তা।
.
সময়ের সাথে রসিকতা নয়
আকাঙ্ক্ষা দীর্ঘশ্বাসে বন্ধ হতে পারে,
সময় শব্দটিতে ভরসা নেই-
দুষ্ট জগত কখনও তা খুঁজে পায়নি।
.
পঙ্কিল পথে টেনো না আমায়
যদিও তুমি অবিকল স্বপ্নের সমান,
চাইনা কাদায় পা পিচলে গিয়ে-
লাল রক্তজবা পিষ্ট হোক।
.
যদিও কাদা পদ্ম জন্ম দেয়
তবু শ্বেতশুভ্র তুষারকণা হও,
কষ্ট নিয়ে আর ভাবনা নেই-
স্মৃতির নজরেই ভালোবাসা।
.
বরং হৃদয়ের ছবি থেকে পাশে এসো
ভালোবাসা জেগে আছে প্রকাশ ছাড়াই,
অজানায় আমার ছুটন্ত প্রেম-
অপরিবর্তনীয় পথে জীবনের গল্প।
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
সমাজ ও মহাকাল
ডি কে পাল
তাং২৯/০৭/২০২০
একপাশ গেছে ফুলে
ফুলে ফেঁপে যেন ঢোল,
বোঝাপড়া গেছে গুলে
তাই বাঁধে মহাগোল।
সমাজের কথা বলি
ধনে,জনে,লনে ভিড়,
কালো ঢেকে ঢুকে চলি
বাধি শান্তির নীড়।
শান্তি গোলক ধাঁধাঁ
ঠিকানা মেলে না তার,
সুগার,প্রেসারে বাঁধা
জীবনের পাপাচার।
লোভে পাপে স্যুটে ব্যুটে
গড়ে তুলি আলিশান,
মহাকাল কেটেকুটে
ভেঙে করে খান খান।
আরপাশ অনটনে
সমাজের ছবি বলে,
কত শোক ব্যথা মনে
অবিরত বয়ে চলে।
------------------------------
🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸
কলমের ভোগ
টইটুম্বুর প্রকৃতি সেজেছে সে আজ
দশ মাসের পোয়াতি ঘোমটায় লাজ,
ধূসর প্রান্তর জুড়ে সবুজের মায়া
তরুলতার যৌবনে ফোটছে কায়া।
জলের জলজে থৈ থৈ মেঠোপথ ঘিরে
শ্রাবণ ধারায় বলে এসো তবে তীরে,
সরুপথ এঁকেবেঁকে মিলবে জঙ্ঘায়
বয়ে বয়ে যায় স্রোত নিজ মোহনায়।
পাখির কলকাকলি সন্ধ্যা নেমে আসে
যৌবনের ভরা মাসে প্রকৃতি যে হাসে,
সবুজের সমারোহ প্রাণকাড়া জ্যোতি
শ্যামলীমা ভরপুর যেনো অধিপতি।
প্রাণোচ্ছ্বল প্রাণোদ্যম নিয়তির দোলা
কোথাও ভাসিয়ে চলে ঘোর অবহেলা,
কেড়ে নেয় গৃহস্থালি ভাসায় বন্যায়
নেতাদের চোখেমুখে স্বপ্ন দোল খায়।
ত্রাহি ত্রাহি ত্রাণ আসে শূয়োরের কব্জা
বানভাসি মানুষের ভাঙ্গে হাড় মজ্জা,
সরকার বাহাদুর চোখে জল ছবি
বানের জলের ধারা বন্ধুত্বের রবি।
তেলের মাথায় তেল ফারাক্কায় বাঁধ
মরে যায় নদীগুলো সে অভিসম্পাত,
করাল গ্রাসে দূর্নীতি ব্লকে ব্লকে টাকা
শিক্ষিত মানুষ গুলো দেয় শুধু ধোঁকা।
হালচালে দেশমাতা উলঙ্গ বেসাতি
কলমের নগ্ন শৃঙ্গ করছে ডাকাতি,
যৌবন উলঙ্গ করে কলমের ভোগ
দেশ না তোর মা হয় করিস সম্ভোগ!
--------- মুহাম্মদ আমির হোসেন
২৯/০৭/২০ বিপাড়া কুমিল্লা
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
পর্ব -১০৬
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৩০/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি:মৃনাল কান্তি বিশ্বাস
কবিতা: দেখা না হয় যদি
কবি:সৌমিত্র নারায়ন মুন্সী
কবিতা:বিশ্বকবি
কবি:শিমুল বিশ্বাস
কবিতা:অর্থ অন্ধ অজ্ঞানী''র জন্য।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে############ক
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
---------------------------------------------------------------
বিভাগ - কবিতা
শিরোনাম - দেখা না হয় যদি !
কলমে - মৃনাল কান্তি বিশ্বাস
তাং - ৩০/০৭/২০২০ ইং --
---------------------------------------------
জীবনের শিকল ছিড়ে -
কোথায় তুমি ?
কোন সুদুরে....
অবেলায় ভেসে, ঘুমের ভেলায় !
কোন সে অচিন দেশে ?
আর যদি--
দেখা না হয় কোনদিন ?
না থাকে ফিরে আসার পথও--
দিগন্তের ঐ লাল হয়ো
দুর পাহাড়ের গুল্ম হয়ো
শরৎ-মেঘের নীল হয়ো
পাথর বুকের ঝর্না হয়ো ।
আমিও
আকাশ হব ।
ঝর্না দেখার সন্ধ্যা হব
ছুঁইয়ে দেওয়ার শিহরন হব
জড়িয়ে থাকার স্বপ্ন হব ।
তুমিও...
কৃষ্ণচুড়ার আগুন হয়ো
পলাশ বনের রক্তিম হয়ো
শিমুল ফোঁটার আবীর হয়ো
আমিও...
কৃষ্ণচুড়ার ফাগুন হব
পলাশ বনের মাঠ হব
শিমুল ছোঁয়ার হাওয়া হব ।
সত্যি যদি..
দেখা না হয় কখনো !
আপেক্ষার সন্ধ্যা শেষে
শীতের রাতে জ্যোৎস্না হয়ো
মাঠের বুকে কুয়াশা হয়ো
চাঁদের কাছের তাঁরা হয়ো ।
আমিও...
কাছের প্রকৃতি হব
কুয়াশায় ভেজা দূর্বা হব
তাঁরা ঝরার , অনন্ত শুন্য হব... ।
🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸
দৈনিক কবিতা প্রতিযোগিতা
বিভাগ - পদ্য কবিতা
শিরোনাম - #বিশ্বকবি
কলমে - কৃষিবিদ সৌমিত্র নারায়ণ মুন্সী
তারিখ - ৩০/০৭/২০২০
বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অাছে তুমি বিশ্ব কবি
বাঙলায় সেরা তুমি সাহিত্যের রবি।
১২৬৮'র বৈশাখে জন্ম নিলে তুমি
ধন্য হলো সারা দেশ ধন্য জন্মভূমি।
অাট বছর বয়সে "লেখা " করো শুরু
বাঙালির কাছে তুমি প্রিয় কবিগুরু।
"ভানুসিংহ " ঠাকুর, নাম ছিলো ছদ্ম
বাংলা সাহিত্যে তুমি কবিতার পদ্ম।
বাংলা তোমার ধ্যান বাংলাই প্রাণ
বাংলা নিয়ে লিখলে শত শত গান।
লিখলে কতো কবিতা শাহজাদপুরে
"তালগাছ " লেখো তুমি বসে পতিসরে।
তোমারই স্বপ্নে দেখা শান্তিনিকেতন
সত্যিই গড়েছো তুমি মনের মতোন।
সেটা অাজ বাঙালির যেন তীর্থভূমি
ধন্য তুমি কবিগুরু তোমারেই নমি।
তোমার দর্শন ছিলো "মানুষ ঈশ্বর "
মানুষের মাঝে সব নয় বহুদূর।
প্রকৃতিকে ভালোবেসে করোনি'ক হেলা
তরুর মাঝে তোমার কাটে সারাবেলা।
২২ শ্রাবণ ছাড়লে পৃথিবীর মায়া
বাঙলায় দেখি অাজো বিষাদের ছায়া।
বাঙালির মনে তুমি প্রকৃতই রবি
সকলের ঘরে ঘরে তোমারই ছবি।
( নাটোর)
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
কবিতাঃ'অর্থ অন্ধ অজ্ঞানী'🤔
কলমেঃ®শিমুল_বিশ্বাস
তারিখঃ৩০/০৭/২০২০
`````````````````````````````````
সুশিক্ষার বড় অভাব হয়েছে
আমার সোনার দেশে,
মূর্খেরা সব বিদ্বান সেজে
চলে পন্ডিত বেশে ।
অর্থ যাহার সম্মান তার
সবখানে সে প্রিয় পাত্র,
সমাজ লইবে মাথায় তারে
দেবে স্নেহের পরশ গাত্র ।
যেখানে সেখানে যাই বলুক সে
তাই শুনে সব ধন্য,
তার পেছনেই জোট হয়ে চলে
ওরা যেন সব অন্য ।
প্রকৃত জ্ঞানী আজ অপমানী
যদি নাই থাকে অর্থ,
কোনোখানে তার মেলেনা কদর
সবখানেই সে ব্যর্থ ।
পর্ব- ১০৭
🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷
সবাইকে ঈদ মোবারক:---
৩১/৭/২০
বিষয় :- কবিতা
* জ্ঞানের আলো*
শিবানী গুপ্ত
পৃথিবীর সামিয়ানায় আজ নেই কোন ভেদ-বৈষম্য।
জাতপাত ,ধর্মের চেয়েও বড়ো মানুষের মাঝে সাম্য।
আগে কি কখনো হয়েছে এমন অদ্ভুততর ঘটনা!
সবই বিধাতার মর্জিতে, তিনিই করেন চালনা।
জীবন থাকলেই আছে ঝঞ্ঝাট,আছে কতো না যাতনা।
ঈদের পরবে মেতে ওঠো সবে ভুলে বিবশ ভাবনা।
ধর্মের চেয়েও মানুষের বড়ো তার চেয়ে বড়ো মানবতা।
অসহায় যারা চারপাশে রেখো তাদের জন্যেও মমতা।
এক আকাশে অনেক তারা যেমন মিলেমিশে থাকে।
একসাথে কেমন আলো জ্বেলে দুনিয়া আলো রাখে।
তেমনি করে মানুষেরা যদি প্রীতিময়তার হাতটি ধরে।
বিধাতার মুখে জ্যোতির্ম্ময় হাসিটি পড়বে তখন ঝরে।
হিন্দু- মুসলিম,বৌদ্ধ , খ্রীষ্টান যেখানে যতো আছে ।
ঘুচিয়ে মনের দ্বিধার ছায়া, এসো পরস্পরের কাছে।
ঈদের খুশি উপচে পড়ুক সবার মনের আঙ্গিনায়।
সবার পূজো সফল হবে মানবিকতার ছত্রছায়ায়।
অতিমারীর কালো ছায়া হয়তো বা হবে কল্যাণকারী।
বিধাতার মনে কি ভাবনা বিরাজে,সৃষ্টি তো সকল তাঁরই।
এতোকাল মানুষ নির্বিচারে করে গেছে যতোনা অন্যায়।
এবারে তার মাশুল দেবার সময় ঘনিয়েছে তায় ।
তাই বলি,ধর্মের তকমা ছেড়ে মানবিকতার ধর্ম মানো।
যিনি আল্লাহ,তিনিই ভগবান কোন,ভেদভাব নাই জানো।
রক্তের রং হয় কি কখনো সবুজ,সাদা,আসমানী ,কালো?
জ্ঞানের আলো জ্বালো মনে ,বাসো সবারেই ভালো।
অন্ধের মতো ছুটছি আমরা
বিচার বুদ্ধি হারিয়ে,
অজ্ঞানতার বিষফোঁড়াকে আজও
পারিনি তুলতে সারিয়ে ।
জ্ঞানের আলোয় বিকশিত হলে
বুঝতে পারিবে সেদিন,
জীবন গড়তে জ্ঞানই আসল
অর্থ মূল্যহীন ।
অজ্ঞানী হয়ে ধনের পাহাড়ে
লাভ কিই-বা সে পায়,
সময় গেলে সব হারিয়ে সে
শূন্য হাতে ফিরে যায় ।
মানুষের মতো মানুষ হলে হয়
মানব জনম পূর্ণ,
মূর্খ জীবন অন্ধকারময়
চেতনা শক্তি চূর্ণ।
🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸
পর্ব-১০৭
সবাইকে ঈদ মোবারক:---
৩১/৭/২০
বিষয় :- কবিতা
* জ্ঞানের আলো*
শিবানী গুপ্ত
পৃথিবীর সামিয়ানায় আজ নেই কোন ভেদ-বৈষম্য।
জাতপাত ,ধর্মের চেয়েও বড়ো মানুষের মাঝে সাম্য।
আগে কি কখনো হয়েছে এমন অদ্ভুততর ঘটনা!
সবই বিধাতার মর্জিতে, তিনিই করেন চালনা।
জীবন থাকলেই আছে ঝঞ্ঝাট,আছে কতো না যাতনা।
ঈদের পরবে মেতে ওঠো সবে ভুলে বিবশ ভাবনা।
ধর্মের চেয়েও মানুষের বড়ো তার চেয়ে বড়ো মানবতা।
অসহায় যারা চারপাশে রেখো তাদের জন্যেও মমতা।
এক আকাশে অনেক তারা যেমন মিলেমিশে থাকে।
একসাথে কেমন আলো জ্বেলে দুনিয়া আলো রাখে।
তেমনি করে মানুষেরা যদি প্রীতিময়তার হাতটি ধরে।
বিধাতার মুখে জ্যোতির্ম্ময় হাসিটি পড়বে তখন ঝরে।
হিন্দু- মুসলিম,বৌদ্ধ , খ্রীষ্টান যেখানে যতো আছে ।
ঘুচিয়ে মনের দ্বিধার ছায়া, এসো পরস্পরের কাছে।
ঈদের খুশি উপচে পড়ুক সবার মনের আঙ্গিনায়।
সবার পূজো সফল হবে মানবিকতার ছত্রছায়ায়।
অতিমারীর কালো ছায়া হয়তো বা হবে কল্যাণকারী।
বিধাতার মনে কি ভাবনা বিরাজে,সৃষ্টি তো সকল তাঁরই।
এতোকাল মানুষ নির্বিচারে করে গেছে যতোনা অন্যায়।
এবারে তার মাশুল দেবার সময় ঘনিয়েছে তায় ।
তাই বলি,ধর্মের তকমা ছেড়ে মানবিকতার ধর্ম মানো।
যিনি আল্লাহ,তিনিই ভগবান কোন,ভেদভাব নাই জানো।
রক্তের রং হয় কি কখনো সবুজ,সাদা,আসমানী ,কালো?
জ্ঞানের আলো জ্বালো মনে ,বাসো সবারেই ভালো।
🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷
ঈদ উল আজহাতে
মোঃ ইজাজ আহামেদ
ঈদ এসেছে,
এসেছে আনন্দ সবার মনে;
নতুন সাজের কেনাকাটা দোকানে দোকানে,
বিশেষ খাদ্য তৈরি বাড়িতে বাড়িতে,
কত আদর কুরবানীর পশুকে নিয়ে!
মায়াভরা পশুকে কুরবানীর সাথে সাথে
নিজের পশুত্বকে কুরবানী করে
আত্মাকে পরিশুদ্ধ -পবিত্র করে
সমস্ত রকম খারাপ কাজ ত্যাগ করা;
এক নতুন আদর্শ সমাজ গড়ে তোলা;
ঈদগাহে নামাজ পড়ে
একে অপরকে সালাম দিয়ে,
কোলাকুলি করে সৌভ্রাতৃত্বের সুবাস ছড়িয়ে দিয়ে
বিশ্ব-সৌভ্রাতৃত্বের এক নতুন পৃথিবী গড়ে তোলা;
গরিব- নিঃস্বদের দান করা, কুরবানীর মাংস বিতরণ করা;
এইভাবে কাটে ঈদ উল আজহা;
দীর্ঘদিন দেখতে না পাওয়া চেহারাগুলোর সাথে
সাক্ষাৎ ঘটে ঈদগাহ ময়দানে
আর পুরোনো মধুর স্মৃতিগুলি নয়নে জলজ্যান্ত হয়ে উঠে
কিন্তু এই করোনার যুগে
সেই চেহারাগুলোর সাথে দেখা হবে না ঈদগাহে,
নামাজ পড়তে হবে নিজ বাড়িতে
নিজ পরিবারের সাথে
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে
মানুষ জাতির ভালোর জন্যে।
🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷
এখনো বঞ্চনা
আশরাফুল আলম মুকুল
৩১ জুলাই, ২০২০
আকাশের গায়ে হাজারো তারা মিটিমিটি হাসে, কিসের কথা কয়?
সেই আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা, তারার হাসি মুছে যায়!
কখনো ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি -সহায়সম্পত্তি ধ্বংস হয়,
সেই ধ্বংসস্তুপে নতুন ঘর ওঠে, নতুন ভোর আসে, মানুষ ঘুড়ে দাঁড়ায়।
ঐ দেখা যায় ধূ-ধূ দিগন্তজোড়া মাঠ,
তাও কিনে নিয়েছে সব পয়সার ঠাঁট।
কোরবানির গরুটাও ছুটে যায় পয়সাওয়ালার ঘরে,
শোষিত- লাঞ্ছিত মানুষগুলো হাজারো বঞ্চনায় জ্বলে।
এক টুকরো মাংসের জন্য ঐ শিশুটি দাঁড়িয়ে থাকে,
কাতর চোখে, তোমার দ্বারে,
একটু বেশি পাওয়ার আশা করলে, ওর সাথে
যেও না চটে।
এই পৃথিবীর অধিকার তোমার -আমার -সবার,
অহংকার -হিংসা -ঘৃণার তোড়ে করো না পরিবেশ কদাকার!
🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷
পর্ব -১০৮
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ১/৮/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি: শাহী সবুর
কবিতা:সরাইখানা
কবি:রবীন্দ্রনাথ হালদার
কবিতা: সুরাহা
কবি:পথিক মজুমদার
কবিতা:গাঙচিলের প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹
সরাইখানা
শাহী সবুর -০১৭১৬-৩৪৫১৭৩
দিল্লীর সিংহাসনে বসে বাদশা শাহজাহান ,
সকাল বেলায় নিজের হাতে করতেছিলেন দান।
অচেনা এক ফকির সেদিন এসে বাদশার কাছে,
বিনয় করে বলে হুজুর একটা কথা আছে ।
বাদশা তখন ডাকেন তাকে হাতের ইশারাতে,
কিসের এমন কথা আছে বলো আমার সাথে?
ফকির বলে যে আসনে বসছেন মহাগুণী,
ওই আসনের নাম কি হুজুর বলুন আমায় শুনি।
দম্ভ ভরে উত্তর করে এর নাম সিংহাসন,
কেন এটা জানতে চাইছো কিসের প্রয়োজন?
ফকির বলে ক্ষমা করবেন ওগো জাহাপনা,
আপনার আগে বসেছিলেন কোন সে আলামপনা
বাদশা বলেন আমার আগে ছিলেন আমার বাবা,
যত রকম প্রশ্ন করো সঠিক জবাব পাবা।
ফকির বলে তার আগেতো ছিলেন আপনার দাদা,
আপনি গেলে আসবে পরে আপনার শাহাজাদা।
ছোট একটা প্রশ্ন হুজুর করবো আপনার কাছে?
চিরদিন যে থাকবে বসে এমন কি কেউ আছে?
এই কথাটার উত্তর দিতে কাঁপন ধরে বুকে,
নীরব হয়ে থাকেন বাদশা কথা নেই তার মুখে।
ফকির বলে কি গো বাদশা কেন গেলেন থামি?
আপনার সঠিক জবাব শুনে চলে যাবো আমি।
দিল্লীর বাদশা কেঁদে বলেন ভুল ভেঙ্গেছে আজ,
সামান্য এক ফকির তুমি আমায় দিলে লাজ।
একের পর একজন আসে নতুন বাদশা হয়ে,
সময় শেষে চলে যায় সে চির বিদায় লয়ে।
ফকির বলে তা হলে তো রাজ সিংহাসন নয়,
পান্থশালা বল্লে একে সঠিক জবাব হয়।
বাদশা বলেন সত্য সঠিক আমার হল জানা,
রাজ সিংহাসন নয়কো আমার এটা সরাইখানা ।
🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹
👑সুরাহা👑
রবীন্দ্রনাথ হালদার।
কবিতা।
01/08/2020.
......................................
ভারত আমার ভারতবর্ষ,বিরাট ছিল এই দেশ।
সম্পদ আর সৌন্দর্যে সে ছিল সবিশেষ।
এসেছে শক,এসেছে হুন,এসেছে মুঘল অতি শক্তি ধারী।
এসেছে ডাচ,এসেছে পাঠান,এসেছে পর্তুগীজ অত্যাচারী। এসেছে কেহ লুন্ঠন করিতে মূল্যবান সম্পদ।
কেউবা এসে, শাসক হয়ে বসে, ঘটিয়েছে বড় বিসংবাদ !
বার্মা,বাংলা,বেলুচিস্তান কিম্বা আফগানিস্তান।
কাবুল,কান্দাহার,সিন্ধু,পাঞ্জাব আর পাকিস্তান।
সবটাই মিলে তখন একটাই নাম "মেরা হিন্দুস্তান"।
তারপরে শেষে, ব্রিটিশরা এসে,বাংলায় ব্যবসা করে শুরু।
তখনো কি বুঝেছিল কেউ! এরাই তো হবে সমস্ত নাটের গুরু। বিধাতার বড় নিষ্ঠুর পরিহাস!
এখান থেকেই বদলাতে থাকে ভারতের পরাধীনতার ইতিহাস।
এসেছিলো তারা বনিকের মানদন্ড নিয়ে।
সময়ের ব্যবধানে পাল্টে গেলো সেটা রাজদন্ড দিয়ে।
শাসন,শোষণ,অত্যাচার,উৎপীড়ন কিম্বা নিপীড়ন।
ছিল না কিছুই বাকি,মীরজাফরের কাজ যথা নারী ধর্ষন।
কিন্তু ইতিহাস ! ইতিহাস কথা বলে।
পৃথিবীটা তাই নিয়ম মেনে চলে।
ইতিহাস কখনো অত্যাচারীকে করেনি ক্ষমা হায় !
তাইতো পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো ঘটেনি কোনো ব্যাত্যয়।
নেতাজী,গান্ধী,শহীদ ক্ষুদিরাম,কিম্বা বিনয়-বাদল-দীনেশ। প্রীতিলতা,মাতঙ্গিনীর মত আরো কত কত নারী !
যাঁদের রক্তে রঞ্জিত ত্রিরঙ্গা,মোরা কভূ তাঁদের ভুলিতে নারি। খন্ডিত ভারত ! স্বাধীন ভারত ।আমরা আজিকে স্বাধীনতা ভোগ নির্দিদ্ধায় করিতে পারি। কিন্তু যে অধিকার পেয়েছি আমরা,পেয়েছে কি তা কোনো নারী ? যে জাতিকে নারীকে বঞ্চিত করে দেয়নি প্রাপ্য সম্মান বা বঞ্চিত করেছে তাঁদের ন্যায্য অধিকার ! সে জাতির হয়নি কভূ কোনো উন্নতি বা থাকেনি শিষ্টাচার।
স্বাধীনতার সাত দশক পরে যদি নারী স্বাধীনতা পায় !ভারত তবে, যে স্থান লবে,
🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹
গাঙচিলের প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ
(খান আখতার হোসেন)
১.৮.২০২০
জগতে এমন কিছু মানুষ থাকে যারা কালে-ভদ্রে জন্মায়। হাজারে এক, একাই একশ। সকলের সমষ্টিগত যোগফল। জনাব খান আখতার হোসেন, আখতার হোসেন খান। তিনি শিক্ষিত সুদর্শন সদালাপী, উচ্চপদস্থ সরকারি চাকুরে। চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, ফটো সাংবাদিক, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল বিভাগের মেধাবী ছাত্র।
🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹🔹
পর্ব -১০৯
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দ ২/৮/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:এম,আর মনজু
কবিতা : মায়ের কাছে যাবো
কবি: সুজিত কুমার দাস
কবিতা:অত:পর
কবি:রঞ্জন রায়
কবিতা:একদিন এসেছিলাম'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
* অতঃপর
সুজিত কুমার দাস
০২/০৮/২০২০
***********************************
নিভে গেলে সব আলো থেমে গেলে কোলাহল ; তবু কোলাহলে,
রাতের আঁধারে যারা খোঁজে জীবনের রং আবছা আলোয়,
জীবনের কোন রং পায় তারা খুঁজে বলো ? আঁধার কালোয়,
নেশাখোর জীবনের বালির বাঁধের সুখ ভেসে যায় জলে।
শালিক চোখের নেশা হিজল ফুলের মত গন্ধ বিলায়
আর অতিথি পাখিরা পাড়ি দেয় বহু পথ উষ্ণতা খুঁজে,
শিকারির পাতা জালে কেউ কেউ ধড়া পড়ে থাকে চোখ বুজে,
রোমাঞ্চ মুহূর্ত আহত পাখির মত ডানা ঝাপটায় ।
কখনো অনলে পোড়ে সুখের বসত ভিটে ; দাবানল সম-
তেজে দাউ দাউ জ্বলে দাহ্য কপট কাম ; আর আমাদের-
অসভ্য সভ্যরা ইমিটেশনের মত চকচকাদের-
দাসত্ব করে করে নিজ রং বদলায় গিরগিটি সম।
বহু পথ দাঁড় টেন অতঃপর মাঝি ফেরে জীবনের ঘাটে।
ভাবে কি কি গেছে খোয়া অবহেলা অনাদরে জীবনের হাটে।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (৮+৮+৬)
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
(জাতীয় শোকের মাসে ২য় দিনে)
০২.০৮.২০.
মায়ের কাছে যাবো
এম,আর,মনজু
মায়ের কাছে যাবো আমি
শেখ রাসেলের ডাক
ঘাতক দলে অস্ত্র হাতে
করেছিলো তাক।
ফটাস ফটাস চালায় গুলি
ঝাঁঝড়া হলো বুক
জাতি এখন পন্ রো আগস্ট
পালন করে শোক।
খুনীর ফাঁসীর রায় হয়েছে
কায্যকরী চাই
মরেও তুমি অমর রলে
ছোট্ট রাসেল ভাই।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
আজকের তারিখ-০২/০৮/২০২০
একদিন এসেছিলাম
কবি-রঞ্জন রায়
রচনার তারিখ-১৮/০৭/২০২০, শনিবার
******************-*******-*****-*
একদিন এসেছিলাম একা একা এই পৃথিবীতে,
আবার একাই চলে যাবো,
এক সাগর ভালোবাসা রয়ে যাবে পৃথিবীতে,
রয়ে যাবে প্রেমিকার প্রগাঢ় চুম্বন,
রয়ে যাবে পূর্ণ পৃথিবীটা আকাশ-বাতাস-জল, চন্দ্রসূর্য,গ্রহতারা,নদীগিরিবন।
পড়ে রবে ফুলপাখি ঝরনার ধারা
পড়ে রবে অট্টালিকা,সোনাদানা, সভ্যতার সোনালী ফসল।
যা কিছু অর্জন ছিল পৃথিবীর রঙ্গশালায়, সবকিছু ফেলে রেখে যাবো।
কিছুই নেবোনা সাথে,
সোনার পালঙ্ক আর কমনীয় বিছানার নিভৃত আরাম,
সবকিছু রেখে যাবো।
পৃথিবীতে রয়ে যাবে আমার কীর্তি-যশ,
শুভময় কর্মের ধারা,সর্বজনীন সেবাসন্দীপন।
খালি হাতে চলে যাবো, সাথী হবে সমাধি সিথান।
আলোহীন অন্ধকার মাটির তলায়
একা একা শুয়ে রবো,
গুমোট গরম ভাঁপে গলে যাবে স্বর্ণমাখা শোভন শরীর, কমনীয় গুপ্ত গ্রন্থিগুলো।
পৃথিবীর কোন ধর্মতত্ত্বনীতি জ্ঞান-বিজ্ঞান
আটকাতে পারবেনা আমার এ শেষ পরিণতি।
তবে কেন এত কিছু ধনজন,রূপের বড়াই।
সবকিছু ক্ষণস্থায়ী মায়ামরীচিকা।
তাইতো মনের কাছে প্রশ্ন রাখি বারবার,
কার জন্যে গড়ে তোলো ধনের পাহাড়?
কার জন্যে করেছো রচনা তুমি বিলাসব্যসনে ভরা অট্টালিকার সারি?
কার জন্য গড়ো তুমি শখের মউজখানা,
কার জন্য রেখে যাবে বন্দীশালে সুন্দরী নারী?
যে নারী তোমার ছিল একদিন
অন্য কারো হয়ে যাবে সেতো।
যে বাড়ি তোমার ছিল, যেখানে তুমিই ছিলে রাজা,
অন্য কোন মহারাজ উপবিষ্ট হবে
ফেলে যাওয়া তোমার সে রাজসিংহাসনে।
লোভের আগুনে পুড়ে পরদেশ লুণ্ঠন করেছিলে তুমি,
হয়েছিলে পৃথিবীতে একচ্ছত্র রাজাধিরাজ,
পরনারী হরণ করে রেখেছিলে বন্দিশালায়।
এখন তুমি নিজে যাবে চিরন্তন না ফেরার জগতে।
জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই তো এখানে সমান।
রাজা-প্রজা,চাকর-মনিব, শুধুমাত্র সমাধিতে সমান সমান।
বিদায়ের বার্তা কখন আসবে চলে
জানিনা আমরা কেউ,
শুধু জানি থামে না কখনো মৃত্যুর পরোয়ানা তীর ভাঙা ঢেউ।
তবুও ছাড়ে না মন অহমিকা, বংশগত আভিজাত্য, অর্থকড়ি জাতের বড়াই।
অনন্ত ঘুমের দেশে নিয়ে যাবো তাই
অনন্ত বাসনাবোধ, মোহময় আভিজাত্য, অহমিকা, মায়াময় স্নেহের বন্ধন।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
পর্ব -১১০
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৩/৮/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:মলয় বাগচী
কবিতা: একটি আহবানে
কবি:সোহেল রানা
কবিতা:দেশপ্রেম
কবি:মনোয়ারা মেরী
কবিতা:অঙ্গীকার'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে ###########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
#গদ্যকবিতা-একটি আহ্বানে
#কলমে-মলয় বাগচী
#তারিখ_০৩_০৮_২০২০
একটি আহ্বানে একটি তর্জনীতে
জন্ম দিয়েছিল একক চেতনার,একটিই স্বপ্নের,
তুচ্ছ করে সকল স্বপ্নকে।
যুগযুগ ধরে সকল আত্মদানের,
সফল পথের দিশায়;
একটি দুর্বার গর্জনে,,,,'দাবায়ে রাখতে পারবা না',
একটি বাধাহীন স্রোতধারা ভেঙে দিয়েছিল সকল বাঁধ।
এই কন্ঠ টুঙ্গিপাড়ায় বেড়ে ওঠা বাঙালি সত্তার প্রাণ।
যার জন্য অপেক্ষায় ছিল যুগযুগ ধরে,
আলোর পথের খোঁজে,
আশাহত বেদনার পথে দুর্বার আহ্বান 'রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব,,,,,।'
একটি কন্ঠ যখন সকল ঘুম ভাঙিয়েছিল,
প্রিয়ার হাতের লাল গোলাপ উপেক্ষা করে ছুটে ছিল
হাজার মতিউর,
হাসিমুখে রক্তের মেহেদী পড়েছিল নববধূ।
দুর্বার স্রোতের জন্ম দিয়েছিল।
সে স্রোতের জলরাশি শত্রুর সকল কুটকৌশলকে চুরমার করে দিয়েছিল,
রক্তের মহাসমুদ্রে ভেসে গিয়েছিল,ওরা ওদের দোসরা।
একটি আহ্বানে,
একটি কন্ঠস্বরে জন্মদিয়েছিল
বাংলার ঘরেঘরে লক্ষ লক্ষ বঙ্গবন্ধুর।
জন্ম দিয়েছিল আপোষহীন লড়াইয়ের ;
'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।'
একটি আহ্বানে কোটি প্রাণ একটি প্রাণে মিলেছিল,
একটি চেতনায়,
শত্রুমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ।
@স্বত্ব-সংরক্ষিত
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
#দেশপ্রেম
@ সোহেল রানা (০৩/০৮/২০ইং)
১
আমি যদি অন্যায়ের সাথে করি আপস!
তাহলে দেশ হারাবে একজন পরিপুষ্ট প্রেমিক
আর প্রতিবাদী যুবক।
২
আর প্রতিটি কাজের সাথেই দশজনের সম্পর্ক নিহিত;
কোনো কাজই নিজের কাজ নয়
নিজের দায়িত্ব মাত্র।
৩
আর আমি এবং আমরা কতোটাই বেপরোয়া-অন্ধ
যে প্রতিনিয়ত দেখছি আলো--
অথচ জীবনে 'জমাট'-বাঁধছে অসংখ্য কালো।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
কবিতা প্রতিদিন
শিরোনাম -* অঙ্গীকার*
মনোয়ারা মেরী
০৩/৮/২০২০।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার-
চারিদিকে আজ শ্লোগান মুখর
নিশ্চিত করো শিক্ষার অধিকার।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার-
মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা
বাস্তবায়ন হতেই হবে
এই আমাদের দীক্ষা।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার-
শপথ নিয়েছি গড়তে এবার
স্বপ্নের এক দেশ
থাকবেনা আর অশিক্ষা, কুশিক্ষার এক লেশ।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার-
সময় হয়েছে ছিড়তে এবার
দাসত্বের নির্মোক,
সাফ করো সমাজের যত জঞ্জাল
দূর্ণীতি করে যারা নর রূপি জোঁক।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার-
আলোকিত মানুষ হবো
সব শিশুকে পথ দেখাবো
সাম্য,মৈত্রী, দেশপ্রেমে অবারিত পথ চলার।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
পর্ব -১১১
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৪/৮/২০২০ই তারিখের সেরা
কবি:সঞ্জিত মন্ডল
কবিতা:দৌড়
কবি:মো :আলী আকবর টিটু
কবিতা: মাকে মনে পড়ে
কবি:শাফিনূর রহমান
কবিতা:অপ্রতিব গঙ্গাজল'এর জন্য।
স্বাগত সকলকে##########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
আজ ০৪/০৮/২০২০ /মঙ্গলবার ১৮ই শ্রাবণ ১৪২৭
মাঝে মাঝে দৌড়াতে ইচ্ছা করে। আজ আমার গদ্য কবিতা !! "দৌড়"!!
লেখক/ কবি সঞ্জিত মণ্ডল
রচনা ০৮/০১/১৯৯৪
সঞ্জিতের আধুনিক গদ্য কবিতা!! "দৌড়"!!
খুশী হওনিতো জানি,তবুও একাই
তোমার উপস্থিতির জোরে,নিজেকে নিংড়ে দিয়ে
যত জোরে দৌড়তে পারি,সীমানার কাছা কাছি
এক ছুটে এগিয়েছি তাই।
শেষ নয়, তবুওতো শুরু যদি করেছিলে
সীমানার কাছা কাছি এলে, তবু কেন জানি তুমি
খুশী হও নাই, প্রাণ পনে রাতে দিনে ছুটেছি বৃথাই,
বারে বারে ফিরে তুমি গিয়েছ সদাই।
তবুও তোমার উপস্থিতি, খুশী হও অথবা না হও,
সমুদ্র সফেন ঢেউ পাল তোলা নৌকার সাথে
খেলা করে যায় অবিরল।
অবিরল, অবিরল খেলা করে আমার নিয়তি সাথে,
আশায় আশায়, কিংবা শুধু নিরাশায়।
দেখা হয় তবু কোনো কথা হয় নাকো,
আভাষে যা কিছু বল, কিছু বুঝিনাতো।
আঁখি যদি তৃপ্ত হয়,তৃষিত অন্তর হয় আরো পিপাসিত।
আরোও ক্লান্ত হই, নিরন্তর ক্লান্ত হয়ে যাই,
নিরন্তর ক্লান্ত হয়ে হয়ে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাই
উপেক্ষার গ্লানি মেখে গায়ে, সন্ধ্যার অন্ধকারে
শূন্যহাতে ঘরে ফিরে গিয়েছি একাই।
কখনো বা হাল ভাঙা পাল ছেঁড়া নাওয়ে
ছুঁতে গিয়ে থমকেছি সাগরের মাঝখানে
অতি সাবধানে।
আবার তোমাকে ছোঁব প্রত্যাশা নিয়ে
সীমানার কাছাকাছি মন
কাছাকাছি রেখেছি জীবন, আরবার এসেছি কখন
ভুলে গেছি, মনে হয় দেখেছি স্বপন
তবু আমি ফিরে গেছি অন্ধকারে সে গুহার প্রান্তরে,
ছুঁতে শুধু পারিনি তখন।
বেলা বহে যায়, প্রলম্বিত হয় সেই
বিরহের দীর্ঘ ছায়া খানি,
তরী নিয়ে বসে আছি, পরাজয় মানি।
এ জীবনে ফুরাবে না গ্লানি,আসবে না জানি
আশা আর ভালোবাসা মানে না সে বাণী
অনন্ত প্রতীক্ষার পথে তাই চেয়ে বসে আছি
নিয়ে মোর জীবনের শূন্য তরী খানি।
কপিরাইট@সঞ্জিত মণ্ডল০৪/০৮/২০১৭
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
বিভাগঃ- কবিতা
শিরোনামঃ- মাকে মনে পড়ে
কলমেঃ- মোঃ আলী আকবর টিটু
তারিখঃ- ০৪/০৮/২০ ইং
মা তোমায় আমার
পড়ে যে মনে,
শুধু যখন আসছি মেপে
ভোরের শিউলি বনে।
মা তোমায় আমার
পরে যে মনে,
শুধু যখন বসি গিয়ে
শোবার ঘরের কোণে।
ছোট বেলায় আমি
কেঁদে উঠি যখন,
শান্ত করে আমায়
খুশি করো তখন।
তুমি করেছ কতনা
কষ্ট আমার জন্য,
তুমি না থাকলে পৃথিবীটা
বৃথা হবে আমার জন্য।
তুমি মা শিখিয়েছো
প্রথম কথার বুলি,
তুমি ছাড়া জগৎটা
কে দেখাতো বলি।
মা তোমার জন্য দুহাত
তুলে করি যে মুনাজাত,
আল্লাহ যেন দেয়গো তোমায়
জান্নাত বাসির সম্মান।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
অপ্রতিভ
গঙ্গাজল
কোন এক বসন্তের
শেষ বিকেলে আমি
অজপাড়া গাঁয়ের
ধুলি ধুসর মেটো পথ দিয়ে
হাটছি।
হাটতে হাটতে প্রায় অর্ধ ক্রুশ পথ
গেলাম,
আর দেখলাম,
এখানে ছোট নদী, বিচিত্রতায় ভরা
বিধির অপার সৌন্দর্যে গড়া
এই গ্রামখানি।
তখনি
কোয়েলিয়া ডাকছিল ডালে
বায়সপিঙ্গে বাসায় ফিরতে
হয়েছিল উৎসুক।
দিনমনি ডুবিবার তরে
মস্তক নত করে আছে
পশ্চিম গগনে
এমনি লগনে
চোখে পড়লো সূর্য দিঘল বাড়ি।
পাশ দিয়ে বয়ে চলছে
মাঝিমল্লর পালতোলা নাও।
যেতে যেতে শুনলাম
গাঁয়ের নাম হরিপুর গাঁও।
কি স্নিগ্ধ মায়ায় ভরপুর
এই ছোট গাঁ হরিপুর।
এখানে হাসি খুশি সকল
ছোট বড়ো সবাই কিন্নর দলের।
নেই কোন আত্মপর ভেদ
সবার মনে এক
শাদা - সফেদ।
দিল ভরা দরদ, বুক
ভরা সুখ।
ঠোঁট ঝলকানো হাসি দেখে
মনে হয়না
আছে এতটুকু দুঃখ
অতচ
দরিদ্রের যাঁতা ছাপে
পিষে গুঁড়ো হয়ে যায়
ওদের বুক।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴
পর্ব -১১২
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৫/৮/২০২০ তারিখের সেরা
কবি:শাহী সবুর
কবিতা :দান
কবি: মনোজ চক্রবর্তী( গোবিন্দ)
কবিতা: মুজিবের জয়গান
কবি : পত্রলেখা ঘোষ
কবিতা: ঘোর দুর্দশা'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে ########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
দান
শাহী সবুর
দান করলে ইতিহাস
তাকে মনে রাখে,
দানবীর পৃথিবীতে
অমর হয়ে থাকে।
দান করিলাম নিজের বাড়ি
গাঙচিলের নামে,
সম্পদ আমার ব্যবহার হবে
সাহিত্যেরই কামে।
যুগে যুগে আসবে কবি
এই পৃথিবীর পরে,
এ সম্পত্তির লভ্যাংশ
যাবে তাদের ঘরে।
অনাথ এতিম দুস্থ কবি
আসবে ভবে যারা,
এর থেকে সাহায্যটা
পেয়ে যাবে তারা।
আল ফ্রেড নবেল যেমন
টিকে আছে ভবে,
ভবিষ্যতে গাঙচিলও
তেমন হয়ে রবে।
অনন্ত কাল গাঙচিল
চলতে থাকবে বয়ে,
তার সঙ্গে শাহী সবুর
থাকবে অমর হয়ে।।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
মুজিবের জয়গান
মনোজ চক্রবর্ত্তী (গোবিন্দ)
জর্জকোট, যশোর
বাংলার রাখাল রাজা, আঁধার রাতে
তব পাজরে, ক্ষত-বিক্ষতে
ক্ষান্ত হয়নি, তবু দানবের দল।।
মহকালের গর্ভে, ওরা মনে করেছিল
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালীর
অস্তিত্ব নিঃশেষ হয়ে যাবে।
পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা
বাংলার প্রান্তরে বঙ্গবন্ধুর শূন্যতা
অনন্তকাল ধরে পেছনে পড়ে আছে।
স্বাধীনতার মঞ্চে, রেস কোর্স ময়দানে
৭ই মার্চের ভাষণে
গর্জে উঠেছিল সেই শেকল ভাঙার গান
“আমাদের এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম,
আমাদের এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
বিবিসি থেকে ভেসে আসা
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী
স্বাধীকার আদায়ে পাকিস্তানের কারাগারে
কর্মচারীর অধিকার আদায়ে
৫২-এর ভাষা আন্দোলনে
ছয় দফা দাবি থেকে
উনসত্তোরের গণঅভ্যুত্থান
তার অবদান, চির অ¤øান।
আজীবন মাটি ও মানুষের
সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী
টুঙ্গি পাড়ায় চির নিদ্রায় শায়িত
তুমি তো আছো সবার মাঝে
তাই তো মোরা ১৫ই আগষ্ট, পুষ্পমাল্য দিয়ে
শ্রদ্ধা জানাই, তোমার সমাধিতে।
১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস
৩১শে শ্রাবণ ১৪২৭ বাংলা
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
ঘোর দুর্দশা
পত্রলেখা ঘোষ
তারিখ-৫/৮/২০২০
লঘু ত্রিপদী কবিতা
স্বাস্থ্যের হাল বড়ই বেহাল
আমাদের পোড়া দেশে,
হাসপাতালেতে স্থান পেতে পেতে
মরে রোগী অবশেষে।
যেখানেই যাবে অবিচার পাবে
জায়গা কোথাও নাই-
মানুষের জাত বাড়ায় না হাত
সুবিচার কোথা পাই?
করোনার রোগী অচ্ছুৎ যোগী
কেউ নেই তার পাশে,
গৃহেতেই তারা মরে হলো সাড়া
কার তাতে যায় আসে?
করোনার চাপে অন্য রোগী কাঁপে
কোথা চিকিৎসা পায়?
প্রবল আঘাতে রক্ত ঝরে হাতে
রোগী কাঁদে যে ব্যথায়!
চারদিক শুধু করছে যে ধুধু
কোথা নেই শৃঙ্খলা,
অর্থের খেলা চলছে যে মেলা
অসহায় পথ চলা।
স্বাস্থ্য বেহাল কর্মে আকাল
মুখে বলি ভালো আছি-
বাজারে আগুন লোকে হল খুন
কেমন করে যে বাঁচি?
নেই কোনো দিশা ঘোর অমানিশা
বিশ্বের নানা দেশে,
দারুণ কষ্টে জীবন নষ্টে
লোকে বাঁচে কায়ক্লেশে।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
প্রকাশিত হলো গাঙচিলকণ্ঠ আসাম, বর্ষ ৩, সংখ্যা- ১ম
রফিক উদ্দিন লস্কর সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ৩য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা-১৩/০১/২০২৩ইং ...
-
রফিক উদ্দিন লস্কর সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ১ম বর্ষ, ৫ম সংখ্যা-১৩/০৬/২০২০ই...
-
রফিক উদ্দিন লস্কর সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ১ম বর্ষ, ৬ষ্ঠ সংখ্যা-২২/০৮/২০২০ই...
-
রফিক উদ্দিন লস্কর সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ১ম বর্ষ, ৮ম সংখ্যা-০৬/০৯/২০২০ইং....