Saturday, August 22, 2020

দৈনিক সেরা ০২/০৭/২০২০-১১/০৭/২০২০ইং

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:নাসরীণ -জাহান- রীণা
কবিতা:আমার অনুভবে কবিতা
কবি:হারুনুর রশীদ
কবিতা: মনের ভ্রান্তি
কবি:আপন রহমান
কবিতা: মৃত্যু ঘুম-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকেই ###################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক কবিতার আঙ্গিকতায় মানস সমাজ চিত্র মানবতার আবেদনে জাগিয়ে তোলার প্রয়াস আর সমাজ দূষণ মুক্তির প্রতিকার।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙছিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
###################

#আমার_অনুভবে_কবিতা

#নাসরীণ_জাহান_রীণা

০২/০৭/২০২০ ইং

কাঠিণ্যতা কেবলমাত্র গুটিকয়েকের জন্য ;
সর্বসাধারণের বিবেচনায় কবিতা হবে তাই সহজবোধ্য।
অতি মশলায় যেমন সালুন অরুচিকর করে তোলে -
অতি বিশেষণও কবিতা'কে দুরূহ করে ; অরুচি ঘটায়।

ভারি অলংকারে নারীকে সবসময় মোহিত লাগে না ; কবিতাও নারীরই মতো।
সাধারণ সাজেই কবিতাকে বেশী মানায় -
একদম মার্জিত, চৌকস।
সাধারণ মানে আবার আলা-ভোলা নয় ; কিছু প্রসাধনীর ছোঁয়া অবশ্যই থাকবে।

ভাবের শাড়িতে কবিতা'র শরীর আচ্ছাদিত হবে...
উচ্চমার্গীয় শব্দের অলংকার কর্ণে দুলবে...
ছন্দের স্পন্দনে নৃত্য করবে তার হিয়া...
কিছু শিক্ষা কবিতা'র গলে মোতিহার হয়ে জ্যোতি ছড়াবে...
অন্ত্যমিল-অনুপ্রাস তার অঙ্গে চটুলতা আনবে...
উপমা-উৎপ্রেক্ষার ঝলকে কবিতা হবে লাস্যময়ী...
পর্বগুলো অঙ্গসৌষ্ঠব প্রদর্শনে সদাপ্রস্তুত থাকবে...
আধুনিকতা কবিতাকে করবে নিত্যনবীনা,প্রাণচঞ্চল...
উপযুক্ত ভাবাবেগ থেকে নিঃসৃত রসে পাঠকের অন্তর সিক্ত করবে...
সঠিক নামকরণটিই কবিতা'র কপালে টিপ হয়ে শোভা পাবে ।

একটি সার্থক কবিতার সাজসজ্জায় আর সহজবোধ্যতায় সকল পাঠকের অন্তর আলোড়িত
করে । যেমন --

           ফুলের সুঘ্রাণে ভ্রমর,,
           নারীর সৌন্দর্যে নাগর ।।
_______________________________
দৈনিক প্রতিযোগিতা
তারিখ ০২/০৭/২০ ইং
মনের ভ্রান্তি
---- হারুনুর রশীদ
মোবাইল নাম্বার ০১৭৩৬৩১১১৮৫

***   ***
করুণ দশার করোনাতেও এক খবরে হাসে মুখ।
ভেদাভেদের অবসানে পোড়া বুকে জাগে সুখ।
একটি ট্রাকে সবজি নিয়ে প্রতিনিধি তিন দলের
একসাথে সব বিলি করে জানান দিচ্ছে এক বলের।
বিশ্বাস হয় না? ছবি দেখো, ট্রাকের পিছে তিনজনে
ঘরে ঘরে বিলিয়ে দেয় মিলেমিশে এক মনে।
ছাত্রলীগে, যুবদলে আর জামাতে ইসলামী
তিনটি দলে গেছে মিলে, নেই ভেদাভেদ, সব দামী।
একই সাথে এক ছবিতেই ময়মনসিংহে একজনে,
একজন বটে জয়পুরহাটে, ঠিকানাহীন আর জনে।
দেশবাসি চরম খুশি দেখে এমন একতা।
নিন্দুকেরা অকারণে বলে বেড়ায় সে কথা!
কথাটা কী? কও তো দেখি, শুনতে বড় ইচ্ছে হয়।
ছবি নাকি এডিট করা, নিন্দুকেরা পিছে কয়!
সবজিবাহী ট্রাকের পিছে ওরা তিনজন সরকারি
স্বেচ্ছাসেবক, দিচ্ছে সবক করোনাতে দরকারি।
ছবি নিয়ে নাম ফুটিয়ে দাতা সেজে অকারণ
বোকা ভেবে ধোঁকা দিচ্ছে, ভিন্ন জায়গা সে কারণ।
করোনাতেও খুশি ছিলাম ভেবে দেশের একতায়।
সন্দেহে মন কাতর ভীষণ নিন্দাকারীর সে কথায়!
কও তো দেখি করবোটা কী? আছি মনের ভ্রান্তিতে!
নিন্দাকারীর জিন্দাবাদে ক্যামনে থাকি শান্তিতে?
_______________________________
সব সহেছির এই সমাজে
আমরা সহে নিয়েছি অনেক কিছুই।

যেন বেঁচে আছি , জীবন্ত লাশ হয়ে!
দেখি-শুনি-বুঁঝি
তবুও বলিনা কিছুই
ভয়ে -সংকোচে -অথবা লজ্জায়।

এ যেন কাছিম জীবন;
বিপদ দেখলেই আমরা ঢুকে যাই করোটির ভিতরে।

কেউবা মানের ভয়ে
কেউবা জানের ভয়ে
মাথা বাঁচিয়ে চলি,
নীরবে সহে যাই নপুংসকের বিনাসী শাষণ।

এদিকে
-আমাদের মাথায় কাঁঠাল রেখে কোষ খেয়ে যায়
-হারামজাদা নেতা-চামচা-চাটুকার সমাজপতি।

দু:শাষনের ঝড়ে উড়ে যায়
আইনের জীর্ণ চালা
ধ্বংস হয় আমাদের অন্ন -বস্ত্র-মাথা গোজার ঠাই এমনকি বেঁচে থাকার শেষ সম্বল!

তবুও আমরা জাগি না
সব সহেছির সমাজে আমরা সহে নিয়েছি সব।

আর একারণেই আজ;
-সভ্যতার অস্তি জুড়ে
মহামারী -বিষন্ন অসুক!

ঘুমিয়ে গেছি আমরা আজ
জাগিনা অলসতায়;
সুযোগে কিছু দাঁতাল শুয়োর
দখল করতে শুরু করেছে
আমাদের সবুজ বনানী-নদীচর-মাঠ
-পিতৃপুরুষের স্বপ্নের সোনার জমিন।

তবুও আমি কিংবা আমরা জাগিনা
সব সহেছির সমাজে
আমরা সহে নিয়েছি সবকিছুই
বেঁচে আছি মৃত্যু ঘুমের ভিতরে....

#মৃত্যু ঘুম
#আপন রহমান
________________<<<_____________
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৩/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:তরুণ দাস
কবিতা:কথার চৌদ্দ কাহন
কবি:কৃষ্ণপদ গাইন
কবিতা: প্রকৃতি ও মানুষ
কবি:সৌমিত্র নারায়ণ মুন্সী
কবিতা:জন্মই আমার আজন্ম পাপ-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ###################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক প্রকৃতি ও মানুষের বেঁচে থাকার মেলবন্ধন। কথার সাত কাহনে জীবনবাঁধা আর জন্মেই আজন্ম পাপের ভাগ্যের লড়াই।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
######################
বিভাগঃ-কবিতা
শিরোনামঃ-প্রকৃতি ও মানুষ
**************************

--------------কৃষ্ণ পদ গায়েন
তারিখঃ- ০৩/০৭/২০২০
##################

ফুলে ফুলে বসে অলি
             গিয়ে ফুল বাগে,
নীড় হারা পাখি গুলি
              সারা রাত জাগে।

ডানা মেলে খুঁজে ফেরে
           বসিবার ঠাঁই,
ঝড়ে গেছে নীড় ভেঙ্গে
           কিছু আর নাই।

অকারণে গাছ কেটে
           মাঠ হল শূন্য,
বিবেকের কাছে তাই
           মানুষ হল বন্য।

পশু -পাখি আছে যত
         গেয়ে যায় গান,
সুখ নাই মনে কোন
         ব্যথা ভরা প্রাণ।

ভালবাসা আছে বুকে
           ফুল দেয় গন্ধ,
মানুষ গুলো বোকা হয়ে
           থাকে যেন অন্ধ।

খুলনা
বাংলাদেশ।
____________________
03/07/2020
  ~: কথার চৌদ্দ কাহন :~
                  তরুণ দাস।

ফুসফুস দুইটিতে,বায়ু-ভরে নিয়ে
সুললিত উপায়-এ তাহা ছেড়ে দিয়ে।
ল‍্যারিংস এর পর্দা আলতো কাঁপিয়ে
জন্মনেই কথামালা কথা পথ বেয়ে।।
মগজের ঘরে কথা ভরা যদি থাকে।
ব‍্যথা নাহি দেয় কথা কখনো কাউকে।।
কথার পরেই জন্ম নেই আরো কথা।
অযথা কথার ভারে, ধরে যায় মাথা।।

অল্পকথা মূল‍্যবান সাধু জনে বলে।
বেশীকথা বলে মূর্খ নানান কৌশলে।।
বেশী নয় কম কথা বলায় উচিত।
বেশী বেশী বললেই হয়ে যাবে চিৎ।।
সাধুদের দেখা পথে হও অগ্রসর।
আপনার হবে সবে জগৎ ভিতর।।
______________________________
#জন্মই_অাজন্ম_পাপ
কলমে - সৌমিত্র নারায়ণ মুন্সী
তারিখ - ০৩/০৭/২০২০ খ্রীঃ

তোমার জন্ম রাজপ্রাসাদে,হাতে রাজদন্ড
আমার জন্ম সেই ঘরে,যারা চিরকাল শোষিত।

তোমার জাতেষ্টি আলো-ঝলমল,হাজার তারার মেলা
আমার জাতেষ্টি আধারিতে,শূন্য খাবারের থালা।

ঘনদুধের গ্লাস নিয়ে,গর্ভধারিণী তোমার পিছনে ছোটে
আমি থাকি অর্ধাহারে, ক্ষুদায় অন্ন নাহি জোটে।

জন্মেই তুমি ধনীর দুলাল,সোনার চামচ মুখে
আমার জন্ম নিঃস্ব ঘরে,জীবন শুরু দুঃখে।

আশৈশব কাটে তোমার ইংরেজী স্কুলে
আমি তখন সংযাত্রায়  কাগজকুড়ানীর দলে।

ঈদের দিনে তোমার গায়ে লক্ষ টাকার জামা
আমার গায়ে করুণার দান জাকাতের কাপড়খানা।

তুমি চড়ো দামী গাড়িতে, আছে তার ড্রাইভার
আমার পায়ে হাওয়াই চটি,ফিতে ছিঁড়ে বার বার।

জন্মেই তুমি জাত্য,আমি সেথায় ব্রাত্য
তোমার আছে জাত্যভিমান, আমার জোটে শুধু অপমান।

তুমি হতে পারোনি জগদ্বন্ধু, হতে পারোনি মহান
তোমার লিপ্সার অনলে পুড়ে,আমার ঔষ্ঠাগত প্রাণ।

আমার টাকা আমায় দিয়ে,তুমি বলো ত্রান
বোকার মত ভাবি আমি,এ বোধহয় মহাজনের দান।

স্বার্থের কারণে আগুন দিয়ে তোমরা আমাদের মারো
তোমরাই আবার বিচারক সেজে,সেই বিচার করো।

"জন্ম" নামের দূর্ঘটনায় তুমি হলে রাজা
একই ঘটনায় আমি হলাম চিরকালীন প্রজা।

অদল-বদল হয়ে যদি জন্ম নিতাম মোরা
আমি হতাম রাজপুত্র,তুমি বস্তির ছোঁড়া।

জন্মই যার আজন্ম পাপ,তার সুখ কি আসবে না কভু?
দ্রোহের অনলে পুড়াও তাদের, সেজেছে যারা প্রভু।

নাটোর।
__________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৪/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি: মনির ইসলাম
কবিতা:আমার একজন তুমি চাই
কবি:রীনা পারভীন
কবিতা: সময়ের অপচয়
কবি:মো: সোহেল রানা সৌরভ
কবিতা : ভেজাল- এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ###################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক এমন এক তুমির নির্মাণ যার ভালোবাসায় পৃথিবী অর্থবহ হয়ে উঠবে।অত্যন্ত সু-কৌশলে জোনাকির রূপকে অসত্যের মুখোস আর পরনির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করেছে আর ভেজালের করাল গ্রাসকে তুলে ধরা হয়েছে।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য- সংস্কৃতি পরিষদ।
###################
আমার একজন তুমি চাই
মনির ইসলাম।
--------------------
আমার একজন তুমি চাই
যার বিশাল একটা মন আছে
যার বিশ্বাসটুকু হিমালয়ের পাহাড়ের মতো,
যার হাত ধরে পথ চলতে পারি নিশ্চিন্তে
পারি দিতে পারি দিগন্ত পথ
যার কাছে সবটুকু বিশ্বাস জমা রেখে
নির্ধিদায় পারি দিতে পারি তীর্থ যাত্রায়।

আমার একজন তুমি চাই
যে আমাকে ভালোবেসে হৃদয়ের নিভৃত কোনে
আসন পেতে দেবে একান্ত আপন করে
স্পর্শহীন অনুভূতিটুকু উজার করে বিলিয়ে দেবে আমাকে।

আমার একজন তুমি চাই
যার বুকে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে নিশ্বাস নিতে পারি।
যার কাছে আমার অনুভূতির মুল্য হবে পৃথিবীর চেয়ে বেশি।
যার কাছে আমার সবটুকু বিশ্বাস জমা রাখতে পারি,
সোনার মোহরের মতো।

আমার একজন তুমি চাই
যে আমাকে আগলে রাখবে সারাটা জীবন
যে আমার দুখের দিনে হাত ধরবে শক্ত করে,
দীর্ঘ পথ পারি দিয়ে ক্লান্ত হলেও বিরক্ত হবে না
বকে দেবেনা কখনো আমাকে।

আমার একজন তুমি চাই
যার ঘর্মাক্ত মুখটা সুর্যের আলোয় ঝলসে উঠলেও
অচেনা পথ পাড়ি দিতে দিতে যখন প্রশ্ন করবো
কখনো ধমকে দেবেনা আমাকে।
আমার ঠোটের চিকন ঘামটুকু মুছে দিয়ে বলবে,
ইস,তুমি না খুব ঘেমে গেছো।
আমার পার্টস থেকে রুমাল টা নিয়ে
তোমার ঘর্মাক্ত মুখটা মুছে দিয়ে বলবো
সীমান্ত, আরো শক্ত করে ধরো আমাকে।
তোমার সমস্ত বিশ্বাসের বাঁধনে বেঁধে নাও আমায়,
একান্ত আপন করে,একান্ত আপন করে।

৩০ জুন ২০২০ ইং।
ঢাকা, বাংলাদেশ।
_________________________________
♦ সময়ের অপচয়
               রীনা পারভীন

জোনাকি তোমার আলোতে অনেক চলেচি পথ,
এখন থেকে মোমশিখাতে পথ চলবো
যতই অরণ্য গভীরে পথ হারাক৷

তোমার উজ্জ্বল আলো নিয়ে, যে বনে যেতে চাও,
যে পত্র- পল্লবে বসতে চাও, বস গিয়ে,
আমার নিজস্বতায় অন্ধকার হাতড়ে,
চলবো আমি আপন বলায়৷

হাজার পথে তথ্য কুড়ায়ে,
চলার সময় নেই আমার৷

জোনাকি, তোমার উজ্জ্বল আলোর দ্যূতি থেকে,
কুৎসিত তোমার স্বভাবের বৈশিষ্ট্য৷

চাইনা আমি এমন আলোর ছটা,
যা থেকে এসমথলি চলা যায়না যথাতথা,

জোনাকি, যন্ত্রণা সহ্য করার ক্ষমতা রেখেই  যন্ত্রণা দিতে হয়!
ভস্ম কয়লায় কামারও বাষ্পনল চালায় দেখে শুনে,

কিন্তু জোনাকি তুমি মেলা বসাও পঁচা ডোবায়,
মূলা ঝুলিয়ে রাখ, সময়ের অপচয় হরদম;
জীবন চলতে কড়ি প্রয়োজন,
এসত্য বুঝে-না যে, সে সময়ের অপচয় করবেই৷

ধানসিঁড়ি
০৪/০৭/২০
______________________________
★ ভেজাল ! ★

মোঃ সোহেল রানা সৌরভ
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''’''''''

ভেজাল! ভেজাল! সবই ভেজাল
ভেজাল সারা দেশে
ভেজাল খেয়ে পেট ভরলে
মরণ হবে শেষে।

ডিমে ভেজাল গোস্তে ভেজাল
আরো ভেজাল পুঁইয়ে
মাছের মধ্যে বিশেষ করে
কাতলা চিতল রুইয়ে।

আটা ভেজাল চিনি ভেজাল
আরো ভেজাল অয়েলে
মাত্রা ছাড়া ভেজাল হওয়ায়
যায় না মশা কয়েলে।

হলুদ ভেজাল মরিচ ভেজাল
কেমনে যাব বাজারে
মুফতি ভেজাল হুজুর ভেজাল
দালাল ভরা মাজারে।

মায়ের কাছে মেয়ে ভেজাল
বাপের কাছে ছেলে
মিথ্যা কথা সদায় বলে
বাপকে নিয়ে খেলে।

মধু ভেজাল ঘিঁয়ে ভেজাল
দুধে ভেজাল আরও
ভেজাল ধরলে এ সমাজে
বিচার হবে তারও।

এভাবে কি যায় রে চলা
ভেজাল ভরা দেশে?
ভাবতে হবে বাঁচার জন্যে
ভেজাল যাবে কিসে?
______________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৫/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:সাজেদা বানু
কবিতা:সেই বাঁশঝাড়
কবি:শরীফ এমদাদ হোসেন
কবিতা:ভবিষ্যতের সুখ
কবি:শিমুল বিশ্বাস
কবিতা: কৃষক সমাচার -এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ##################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক মুক্তিযোদ্ধার অশ্ব ক্ষুর ধবনি, জনতার শোনিতে পৌঁছে দিক তার স্নায়ুর তন্ত্রে তন্ত্রে প্রতিবাদের ঝড়। সুখের খোঁজে শহরে গেলেও অনাবিল সুখ আগলে রাখে মায়ের মত গ্রামের অনাবিল ছায়াশীতল পরিবেশ এই উপলদ্ধি শত:সিদ্ধ অন্যদিকে এই গ্রামে বসেই কৃষক হাড়খাঁটুনির যে ফসল উৎপাদন করছে তার সুখের নির্যাসটুকু নিচ্ছে শহর,কৃষক শুধু ধুকছে অসুখে।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
######################

-
গদ্য কবিতা
--------
"সেই বাঁশঝাড়"-
-------------------সাজেদা বানু হেলেন
ঐ তো, সেই বাঁশঝাড়।
এখনো গোঙ্গানির অাওয়াজ
ভেসে অাসছে।
ক্ষত-বিক্ষত প্রাণ, বেঁচে থাকার স্পন্দন
রক্ত মাখা বিভৎস শরীর, ক্লান্ত নিস্তেজ--
সহজে হার না মানার এক বলিষ্ঠ প্রচ্ছদ।
লোহিত কণিকাগুলো কূল কূল রবে বহমান,
অনুচক্রিকাগুলোর নিরব শ্লোগান,--- এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও।
ওরা জমাট বেধে দিতে ব্রত সব অন্যায়,
অত্যাচার অার অপশক্তির
অশ্ব ক্ষুর ধ্বনিকে।
বাংলার জনতা, জাগ্রত হও--
অাবাল বৃদ্ধ বণিতা--থামিও না, থামিও না।
এযে সেই যোদ্ধা--মুক্তিযোদ্ধা।
ওর স্নায়ুর তন্ত্রে তন্ত্রে প্রতিবাদের ঝড়।
মুঠো ফোন নেই হাতে, তাতে কী--
মুঠোভরা শক্তি সাহসের বার্তা, তড়িৎবেগে
পৌঁছে দিচ্ছে । 
বাতাসের তরঙ্গে, টাওয়ারে টাওয়ারে---শক্ত নেটওয়ার্ক,
পুরো জাতির কানে কানে।
এই সোনার দেশকে-সোনাফলা মাটিকে
এই নিরীহ জাতিকে-জাতির প্রিয় ভাষাকে,
প্রিয় সত্ত্বাকে---বুঁদ হয়ে পড়ে থাকা
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে - মাদকের
রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করার
দৃঢ অঙ্গিকার।
কে ---না জানে,
শত বর্বরতা পরাজয় মানে এ-জাতির কাছে,
প্রাণ নেই তবু কী প্রত্যয নিয়ে মাথা উঁচু।
এখনো সাক্ষী ঐ বাঁশঝাড়।
একটু কান পাতলেই তো শোনা যায়----
পতাকার মতো পত্ররাজি, সারা দিনরাত
পত্ পত্ রূপে দীর্ঘশ্বাস....
না বলা কথাগুলো অাজো গোঙ্গায়
রক্ত ঝরা গোঙ্গানি--অশনি সংকেত,
শিউরে ওঠে গা!
-----------------
রচনাকালঃ--০১/০৪/২০১৪
______________________________

ভবিষ্যতের সুখ
--শরীফ এমদাদ হোসেন
তাং ০৫-০৭-২০২০

আমি আমার মায়ের কাছে একটা উপহার পাঠাতে চাই
ঝুড়ি ভর্তি এক ঝুড়ি কান্না
মায়ের বুকে কখনো কান্নার ঘাটতি হয়না
তবুও দিতে চাই
তবুও বলতে চাই
প্রথম যখন পথ দেখালে, শহর পথ
সেদিন কেন চলছিল না মা পায়ের রথ
তোমার জন্য হৃদয় ভারা সারাক্ষণ
তোমার জন্য কিনে আনবো সুখের মন।

তারপর কতকাল কাটালাম এই শহরে
আমার ও মনটা সুখের হয়নি, মায়েরও না।

তবে মাঝে মধ্যে মায়ের কাছে গেলে সুখে টইটম্বুর হয়ে পড়ি, জগতের সকল যন্ত্রণা সুখ হয়ে যায়, সকল কষ্ট বেদনার হাটে কেনা হরিৎ বিকেল সুখ হয়ে যায় জীবনের সকল পাওয়া না পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস মুহূর্তেই সুখ হয়ে যায়।

এই যে জীবনের ঘানি টানি, সন্তানের মুখ পানে তাকিয়ে, কোন এক স্বপ্নের ভবিষ্যৎ দেখি, ওরা খেয়ে পরে ভালো থাক উচু তলায় করুক চলাফেরা।

আজ হতে সেই কতবছর আগে আমার মাও আমাকে শহর পথ দেখিয়ে দিবারাত্রির কান্নায় বুক ভাসিয়ছে, আমার ভবিষ্যৎ ভালোর জন্যে।

এই যে পরম্পরা
মায়েরা এমনই হয়, বাবারাও
শাশ্বতকাল  বুকের যন্ত্রণা বুকে চেঁপে
কেবল তাকিয়ে দেখতেই হয় ভবিষ্যতের সুখ।
__________________________________

কবিতাঃ'কৃষক সমাচার'
কলমেঃ®শিমুল_বিশ্বাস
তারিখঃ০৫/০৭/২০২০

"কৃষক সমাচার"
~~~~~~~~~~~~~~~~~
তোমরা যারা দেশের নেতা
খাচ্ছ সবাই সবজি বেশ,
ওই কৃতিত্বে শুধুই কৃষক
উচ্চ শিরে করছি পেশ ।

সকাল বিকাল চিকন চালে
মুরগী দিয়ে খাচ্ছ ঝোল,
কখনো বা লাউয়ের সাথে
হাতখানি তরতাজা শোল ।

গমের রুটি সেইতো খাঁটি
দু দশ খানা মারছো তাই,
নলেন গুড়ের পিঠা পায়েস
যখন খুশি তখন চাই ।

উড়কি ধানের মুড়কি দিয়ে
ঝাল মুড়িতে সেই তো স্বাদ,
খিরকুনিতে পায়েস পেলে
যখন তখন শুধুই রাঁধ ।

পরাঙ্গি ধানে খই তো বিশাল
ভরছো উদর দুধ মেখে,
এই সবই তো কৃষক রত্ন
বলছি তোমায় নাও দেখে ।

এ সব ফসল ফলায় যিনি
তার কি কভু নাও কি খোঁজ?
তোমরা থাকো অট্টালিকায়
তাদের দুঃখ কেনো রোজ ।

কেনো তারা দিনের শেষে
একটু খানি পায়না সুখ,
কেনো তাদের স্বপ্ন মিছে
দুঃখ গাঁথা হৃদয় বুক ।

দেশে খাদ্য গুদাম বোঝাই করে
মাস শেষে যে পায়না ভাত,
সেই তো আমার প্রাণের কৃষক
ক্ষুধায় তাদের নির্ঘুম রাত ।

দুঃখ তাহার জনম সাথী
পায়নি সে তার ন্যায্য ফল,
ফলিয়ে সোনা হাড় জিরজির
শরীর হারায় যৌবন বল ।

যাদের ত্যাগে এই দেশে তে
খাদ্যে কোনো অভাব নাই,
তাদের দুঃখ ঘোচাও তোমরা
এই নিবেদন, এইটুকু চাই ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৬/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি :পথিক মজুমদার
কবিতা : মানুষ মানুষ খেলা
কবি:মৃনাল কান্তি বিশ্বাস
কবিতা:দ্রোহের আগুনে জ্বলি
কবি:ফয়জুর রহমান
কবিতা:হুহু দীর্ঘশ্বাস-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ###################
কলমের শৈলী  হয়ে উঠুক মানুষের চেতনা ও মনুষ্যত্ব বিকাশের সহায়ক।দ্রোহের আগুনে পুড়ে যাক ধর্ষক।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য - সংস্কৃতি পরিষদ।
###################

মানুষ মানুষ খেলা
পথিক মজুমদার
২৭.৬.২০২০

আমরা মানুষ, "বদ্ধ পাগলেও জানে"
চেহারা-ছবি, হাল-সুরাত তাই বলে
কাগজে-কলমে একথা আমিও মানি
বিবেক-বিবেচনা না থাক, "বুদ্ধি আছে"।

অন্ন বস্ত্র শিক্ষা চিকিৎসা বাসস্থান
বিনোদন মানুষের অধিকার বটে
মানুষ খাদ্য খায় পশুরাও তা খায়
মায়ের আদরে পশুরাও শিক্ষা পায়।

সুষেণ বৈদ্য বানর হলেও ডাক্তার
দু'জনেরই আছে আশ্রয়ণ আশ্রম
বিনোদন উভয়েই কমবেশি করে
ব্যবধান কেবল বস্ত্র মন্ত্রনালয়ে।

মানুষ একদা ছিলো দিব্যি দিগম্বর
নধর তনু ছিলো ল্যাঙটা শশধর
বিকাশ- বিবর্তনে এ উন্নত প্রজাতি
পোষাক ব্যতীত মানুষ আজও পশু।

পশু পদোন্নতি পেয়ে হয়েছে মানুষ
মানুষ প্রমোশনে যদি দেবতা হয়
তাহলে মানুষ, "মানুষ" হবে সে কবে?
ধৃতি, ক্ষমা, শৌচ, মনুষত্ব দূরে রবে।

শক্তি বুদ্ধি অর্থ যা কিছু পূঁজি অর্জন
কাজে লাগিয়ে মানুষকে করে খতম
পশু প্রবাসে অথবা পরোবাসে প্রায়
শুনেছি মানুষ এখন মানুষ খায়।

আমরা তো মানুষ নামের অমানুষ
ধর্ম অর্থ কাম মোক্ষ, সতঃ জ্ঞানহীন
আমরা চোর- ছিঁচকে, আমরা সন্ত্রাসী
সারাবেলা খেলি, "মানুষ মানুষ খেলা"।।
🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷

বিভাগ - কবিতা
শিরোনাম -  দ্রোহের আগুনে জ্বলি
কলমে- মৃনাল কান্তি বিশ্বাস
তাং- ০৬/০৭/২০২০ ইং-
            

কলমের বিপ্লবে পুড়ি
দ্রোহের রেখা আঁকি কবিতার অক্ষরে ।
রাতের ক্রন্দনে শুনি
ধর্ষিতা যুবতি কাঁদে, মুখ ঢেকে--
হাত ধরো কবি  !

ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত, যৌনাঙ্গ ছিন্ন শিশুর আর্তনাদ-
বুকে নাও কবি  !
রক্তের ঘামে ভিজা নববধুর  বিভৎস চিৎকার
ঘর চাই কবি  !
এসিডদগ্ধ কুমারী ধিক্কার করে দ্রোহে
চোঁখে ঘুম দাও কবি  !

বিবস্ত্রা নারী উদোম বুকে ল্জ্জায়--
বসন চাই কবি  !
রাস্তার পাশে বাবলার ডালে, রশিতে কিশোরীর নিথর দেহ
আকুতি করে... 
বাঁচতে চাই কবি  !
জিহাদি ভালবাসায় ভ্রষ্টা রমণীর আহাজারি
পথ দেখাও কবি  !!

গভীর রাতে ঘুমভাঙা ক্ষুদার্থ মেয়েটি হাত পেতে
ভাত চাই কবি  !
ভিটে-মাটি ছাড়া উদ্বাস্তু বৃদ্ধা অসহায়ের চোঁখে
বসতি চাই কবি  !

সারাদিন সারাক্ষন চারিপাশে-নিদ্রায় কিবা জাগরনে কেবলি- অভিযোগ, চিৎকার... দাও.. দাও... !
আর- চাই... চাই....!!
আমি কবি নই !  কবি নই !
নই কারো সখা অথবা প্রেমিক  ।

আমি দ্রোহের আগুনে জ্বলি
ঘৃন্যের জিহাদি আমি , বিপ্লবী...  !
অমানবীক পিচাশের আপোষহীন মৃত্যু লিখি আমি
এ যুদ্ধে -- প্রকাশ্যে  কবিতায় ।
যেখানে--
অর্থের প্রলোভনে খুন হয় মানবতা
চকলেটের বিনিময়ে শিশু ধর্ষণ  !
মৃত্যুর বিনিময়ে ধর্ষিতা যুবতী-- 
দুঃস্বপ্নের বিনিময়ে লুটে- নারীর সম্ভ্রম  ।

মুহুর্তে....
চোঁখের জলে ধুইয়ে ফেলি জীবনের ধাতব
প্রতিরোধের বিপ্লবে দগ্ধ শানিত ধারে
মস্তক ছিন্ন করি বর্বর দানবের  ।

শোষকের রক্তচক্ষু উপড়ে নেব সমাজের বুক চিরে
ঘৃণ্যের রক্তের রঙে- রাঙাবো হাত  ।
শিশুর ক্ষত-বিক্ষত যৌনাঙ্গ ধুইয়ে দেব পবিত্র স্রোতে!
প্রতিশোধের হাড়িকাঠে চড়াবো বলি
বর্বর ধর্ষকের  ।

সবশেষ--
নিজেই ঘোষণা করবো, স্ব-গৌরবে...
নিজের মনের উচ্ছিষ্ট যত, আর অবহেলার মৃত্যুদণ্ড   !
🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶

হুহু দীর্ঘশ্বাস /
ফয়জুর রহমান //
৬/৭/২০২০

অন্তর এক অন্য জগত,নীল চোখ
হরিৎ মাটি সুশীল মানুষ- প্রাণি তার
প্রাণ শক্তি জগতের অন্তিক বিহার ।

তারা ফিরে আসে ঘুরে দেখে এক প্রান্ত
থেকে অন্য ,সেখানে ও আছে চন্দ্র সূর্য
নক্ষত্রের অন্তরালে ভিন্ন সংসার ।

তারা দেখে যায় বৃষ্টি ভেজা আনন্দে,
দারুণ কষ্টে কেহ ,দিনমজুরের ঘামের
প্লাবনে ভাসে কিছু অন্তর কহে অদৃষ্ট ।

অসীম অপ্রসন্ন জীবন কতটা প্রান্তিক
অনাবাদি অতিরিক্ত হুহু দীর্ঘশ্বাস ।
যাহা রক্তে মাংসে পড়ে থাকে অশিষ্ট ।

নিযুত দর্শক শুনে যায় গান ,উচু দালান
থেকে বৃক্ষ থেকে ঝাপ দেবে মানুষ -ছিড়ে
গেলে সংগীতে গিটারের তার ।

পৃথিবীর আত্মহত্যা গুলো রঙিন আজো,
মানুষ যতটা নিবিড় অন্তরে এসেছে ,
ততটাই তারা ভালোবাসে মৃত্যুর অবতার ।

রচনা কাল ---৪/৭/২০২০ লন্ডন ,
ইলফোর্ড ।
🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৭-৭-২০২০ইং তারিখের সেরা
পর্ব নং- ৮৩
কবি:রতন চন্দ্র দেবনাথ
কবিতা:স্বপ্ন সুখ
কবি:মলয় বাগচী
কবিতা:অস্তিত্বের নিষ্ঠুর প্রাপ্তি
কবি: নীলকাব্য
কবিতা:আল্লহ সর্বশ্রেষ্ঠ-এর জন্যে।
@  প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে ###################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক সর্বশক্তিমানের প্রশংসায়পূর্ণ ও অস্তিত্বের লড়াইয়ের ফরিয়াদ আর স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকার খেলা।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
###################
দৈনিক প্রতিযোগিতা
স্বপ্নসুখ
রতন চন্দ্র দেবনাথ
০৬ জুলাই,২০২০ খ্রি:

স্বপ্নে আমি রাজার রাজা রাণী মোর আটখানা
আমায় নিয়ে কাড়াকাড়ি চলে-অঢেল সোনাদানা।
ঘুম ভাঙলে দেখি আমি গরীব এক ফুসকাওয়ালা
কলেজগেটে ফুসকা বেচি ঘিরে থাকে মেয়েগুলা।

ফুসকার মতো স্বপ্ন আমার সহজেই ভেঙ্গে যায়
স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি ভাঙ্গলে করি শুধু হায় হায়।
স্বপ্ন আমার পূর্ণ হবে না ভাল করেই তাহা জানি
ক্ষণিক সুখের প্রলোভনে স্বপ্নে খুঁজি আমার রাণী।

স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি ঘুমাতে যাবার আগে
স্বপ্ন আমার সত্যি নাহোক দেখি রাতের শেষভাগে।
স্বপ্নসুখ মিলিয়ে গেলেও স্বপ্নে অবগাহন করি
স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি, স্বপ্নে সহজে প্রাসাদ গড়ি।

স্বপ্নে বিভোর,স্বপ্নে মগ্ন,স্বপ্ন আমার স্বপন
বাস্তবে যারা দূরে ঠেলে,স্বপ্নে তারা বড় আপন।
জাগরণে যাহা সুকঠিন -ধরাছোঁয়া দায়
স্বপনে তাহা অতিসহজ-মাখামাখি করা যায়।

স্বপ্ন দেখি,স্বপ্নে মাতি,স্বপ্ন আমার সুখের খেলা
স্বপ্নে আমি সবই পাই,হাত ধরে যাই বৈশাখী মেলা।
স্বপ্ন আমার বাস্তবের সুখ,স্বপ্ন আমার ঠিকানা
স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি,স্বপ্ন বিনে আমি বাঁচবো না।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
অস্তিত্বের নিষ্ঠুর প্রাপ্তি
        -----------মলয় বাগচী
         ০৭জুলাই,২০২০

কত পোড়ালে কয়লার গ্লানি যায় -
শুধু ধিক্কার
দহনের শেষেও,
কয়লা পোড়ালে আরও তুচ্ছতায় পরে থাকে ছায় হয়ে,
যে জীবনে অবজ্ঞায় ভরা।
মরুভূমির ক্যাকটাস বেঁচে থাকে যুদ্ধ জয়ের পর,
যোগ্যতমের অস্তিত্বের যুদ্ধে এখানে সেরা বটে।
কত নির্মমতার স্বাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকা,
হৃদয়ের মধ্যে প্রেমের বসত ,
বহিরাঙ্গে কাঁটাময়,
টিকেতো থাকার তাগিদে ,
ধূধূ বালুচরের মাঝে।
এখনে টিকে থাকাটাই সার্থকতা।

এদের অন্তর রসালো অন্যের জন্য না হলেও,
নিজের অস্তিত্বের প্রশ্নে কাঁটা বাহির শরীরে
কবিতা,গানে ঠাঁই নাইবা পেল।
এটা  অস্তিত্ব রক্ষায়  নিষ্ঠুর প্রাপ্তি।
একা টিকে থাকার মধ্যে সার্থকতা থাকলেও,
তৃপ্তি নেই,আনন্দ নেই।
কয়লা বা ক্যাকটাসের অদৃষ্ট হয়ত এরকমই,
টিকে থাকার সার্থকতা নিয়ে বাঁচা।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ
নীল কাব্য

ঘনঘোর রাত্রি আঁধার
চারদিকে যেন অসার
হসপিটালের ব্যালকনিতে
কাটছে প্রহর অপেক্ষায় -এক বাবার।
লেবার রুমে মা যন্ত্রনায় কাতর
মনে মনে জপে নাম আল্লাহর
সুস্থ্যতায় যেন আগমন ঘটে
ছোট্ট বাবাটার।।
শন শন শন বৈরী হাওয়ায়
কেঁপে ওঠে মন,ভয়ে বার বার!
আশ্রয় চাই সমীপে তোমার
হে রাব্বুল আলামীন,চরণে তোমার
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার।
প্রতিক্ষার সময় যেন
বড্ড বেশী ভয়ংকর
ভয় যেন দিয়েছে,খুলে দুয়ার
চাই সমীপে আশ্রয় তোমার
আল্লাহু আকবর,আল্লাহু আকবর।
দূর হতে আসে ভেসে,ধ্বনি আযানের
তুলি দুইহাত বসে,জায়নামাযে
সুস্থ্যতায় যেন আসে ফিরে
মা-সন্তান আপন নীড়ে।
রাত্রির আঁধার কেটে এলো ভোর
হাসিমুখে নিয়ে এলো,সেবিকা খবর
ঘটলো আগমন,আলো করে ঘর
আমার ছোট্ট  বাবাটার!
শুকরিয়া জানাই তোমার তরে
হে দয়াময়,দয়ার সাগর
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর।।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৮/৮/২০২০ইং তারিখের সেরা
পর্ব নং- ৮৪
কবি:সোনালী বসু
কবিতা:সোনার বাংলাদশ
কবি:মঞ্জুলা বর
কবিতা: দেখি
কবি:কালাচাঁদ -মৃত্যু
কবিতা : কথা এর জন্যে।
@প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে###########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
###################

সোনার বাংলাদেশ
সোনালী বসু
তারিখঃ ০৮/০৭/২০২০

সকালে পাখি ডাকা ভোরে পুবদিকে সুর্য হাসে-
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।
মায়ের ভাষার দাবিতে দামাল ছেলেরা
জীবন দেয় হাসিমুখে রাজপথে হেসে-
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।
তেরোশত নদীর বুকে রূপালি ইলিশ ভাসে
সেই তো  আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।

জারি সারি ভাটিয়ালি গান শুনি যে দেশে -
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে;
যে দেশের বিলে ফোটে হাজার শাপলা হেসে
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।
দোয়েল কোয়েল ময়না ডাকে যে দেশে
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাঁড়া দেয় যে দেশে কোটি  মানুষ
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।
যে দেশের বুকে লাল সবুজের পতাকা ওড়ে
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে!
সবুজে শ্যামলে আঁকা চিরসবুজের দেশ-
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশ।

যে দেশের মাঠে ফলে সোনার ফসল রাশি রাশি
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে।
গাছে গাছে নানা ফুল ফল ধরে যে দেশের বুকে
সেই তো আমার দেশ সোনার বাংলাদেশে ;
এ দেশে জন্মেছি বলে আমি গর্বিত বাঙালি
সেই তো আমার জন্মভূমি সোনার বাংলাদেশ!!
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

দৈনিক  প্রতিযোগিতা
বিভাগ -কবিতা 
শিরোনাম  - দেখি
কলমে-মঞ্জুলা বর
তারিখ -08.07.2020

জানলা খুলে,দেখছি আমি
       দিচ্ছে,আলো উঁকি  ।
আঁকছে ছবি, নীরব ভূমি
         পথ,দেখছে ঝুঁকি   ।।

নীল দিগন্তে ছুটছে মন
        রামধনু রঙ মেখে  । 
রোদের আলোয় খেলছে বন
         সবুজ আঁচল রেখে ।।

সবুজ পাতায়, কাঁপন লাগে
         বাতাস কাছে ঘেঁষে  ।
মনের কোণে স্বপ্ন জাগে
          আশা, আসার শেষে  ।।

সবুজ শাখা ফলে ফুলে
          খুশির হৃদয়  ভরে ।
বন্দি জীবন থাকে ভুলে
          সুখের আশা ধরে  ।।

নীল আকাশে মেঘের ভেলা
          মধুর সুখে ভাসে  ।
বৃক্ষ শাখে ফুলের মেলা
          ভুবন দেখে হাসে ।।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

#ছড়াবিতা
;;;;;;;;;;;;;;;;;;;
#কথা
#কালাচাঁদ_মৃত্যু
#শ্রুত্যাক্ষরবৃত্ত

ভেতর থেকে  ধাক্কা মেরে  বাইরে এনে
ঠোঁট কাঁপিয়ে,
পরের কানে  বিষ বা মধু  ঢালছি লাখ-
লোক দাপিয়ে;
সত্যি কি-বা  মিথ্যা গুজব ঝেঁকে
বাইরে-ঘরে  পাতছি বিবাদ  দিচ্ছি মগজ বেঁকে;
কথা-ই এর নাম—
দশদিকেই  হানতে আঘাত  পারে কথার ভাম!

অনেক কথা  করলে প্রকাশ  শান্তি পালায়
উল্টোকোণে,
সংসারেও  ফাটল বাধে: ছি ছি শোনায়
পথের জনে;
মুখের কথায়  ঘরের যুদ্ধ শেষে
গড়ায় নিজের  দেশ ছাড়িয়ে  ভিন্নলোকের দেশে:
এমন কথার বান
তুলতে পারে  বিশ্বজোড়া  ধ্বংসেরই তুফান!

বুদ্ধি-বিবেক  সমন্বয়ে  খুলতেই হয়
কথার ঝুড়ি,
নইলে বিপদ  আসবে তেড়ে  নাকের ডগায়
মারতে তুড়ি;
মুখের বিষের  বিষাক্ততা চেপে,
নিজের-পরের  না হয় ক্ষতি: বলছি ওজন মেপে?
শান্তি, পরম সুখ
রক্ষা করে,  সত্য-মিথ্যা  বলুক সবার মুখ...

২১ এপ্রিল, ২০০৭ খ্রি. ঢাকা কলেজ
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

পর্ব- ৮৫
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৯/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:প্রদীপ কুমার পাল
কবিতা:ফলের গাছ
কবি:মো:শামসুজ্জান রোকন
কবিতা:ব্যর্থ চেষ্টা
কবি:প্রদীপ কুণ্ডু
কবিতা:ইচ্ছে-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
ফল গাছ
------------
প্রদীপ কুমার পাল

পুষ্টিগুণে ভরা ফল,স্বর্গের আহার।
ফল বেঁচে আয় হয়,ফেলা নয় আর।।

কাঁঠাল, পেয়ারা,কুল,আতা, বেল,আম।
খেঁজুর,শরিফা,কলা,লিচু,পেঁপে,জাম।।

তরমুজ, আনারস,জামরুল,গাব।
ডালিম,আমড়া,তাল, নারিকেল, ডাব।।

ডেউয়া, বেতস,লেবু,মালটা,ডুমুর।
অড়বড়ই, সফেদা,চালতা,আঙ্গুর।।

লটকন,জলপাই, কমলা,আমড়া।
করমচা,কদবেল, ফুলসা,জাম্বুরা।।

বহেরা,চুকুর,ফুটি,বৈচিঁ, আমলকী।
আলুবোখরা, মাখনা,পিচ,হরিতকী।।

অ্যাভোকাডা,নাশপাতি, কাজু,পানিফল।
তেঁতুল বিলিম্বি,কাউ,কদ,শানতোল।।

কামরাঙা, চাপলিশ,তুঁত, লুকলুকি।
শালুকসহ নানান ফল দেয় উকি।।

স্বর্গ ভরা ফল গাছ,স্নিগ্ধ পরিমলে।
নরক উষ্ণতা ভরা, বৃক্ষ দাবানলে।।

আষাঢ়ে বর্ষার শুরু, বারিধারা ঝরে।
প্রকৃতি শীতল হয়,উষ্ণতার পরে।।

স্বর্গ কি মর্তের, শোভা যত ফল গাছ।
উপকারীতা-প্রয়োজন, লাগাই গাছ।।
---------------------- নাটোর-------------
বুধবার
০৮ জুলাই ২০২০ খ্রিস্টব্দ
২৪ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
কবিতা- ব্যার্থ চেষ্টা
কলমে-মোঃশামসুজ্জামান রোকন
উৎসর্গ-সকল কবি ও লেখকবৃন্দ

নির্বাক প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকি,
সারাদিন কল্পনাতে ডুবে থাকি
শুধু একটি কবিতা লিখব বলে।

সারাদিন বসে থাকি
খাতা কলম নিয়ে,
মাঠে ঘাটে দাড়িয়ে থাকি
বিকেলবেলা গিয়ে।
শুধু একটি কবিতা লিখব বলে।

কত রাত গেল,কত দিন গেল
গেল কত সময়।
একটি কবিতার জন্য হয়েছে
আমার মনের মাঝে প্রলয়।

কবিতার কথা ভেবে ভেবে
কেটে গেছে অনেক নির্ঘুম রাত্রি,
কারণ,আমি হচ্ছি
সাহিত্যজগতের নতুন এক যাত্রি।

অনেক চেষ্টার পরে,কিছু
লিখতে পারলামনা বলে,
সাহিত্যজগৎ ছেড়ে আমি
গেলাম চলে-বহুদূরে।

বি.দ্র.:লেখায় কোনো ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এবং আমার ভুলগুলো কমেন্টের মাধ্যমে ধরিয়ে দিবেন।

♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦

বিভাগ-কবিতা
শিরোনাম -  ইচ্ছে
কলমে - প্রদীপ কুন্ডু
তারিখ - ০৯-০৭-২০২০

রোজ জীবনের সুপ্ত ইচ্ছেরা
করে নিত্যনতুন কত বায়না,
নতুন তুলির টানে আঁকে
জন্ম দেওয়া নতুন ভাবনা।

ঘুম জড়ানো চোখের পাতায়
এক নিমেষে হয় দিশেহারা,
দুঃখ অবসাদ সব ভুলে
সুর তোলে ছিন্ন একতারা।

নীল আকাশের বুকে ভাসায়
পরদেশি মেঘের সাদা ভেলা,
ময়ূরপঙ্খী ঘুড়ির মতো উড়ে
মেঘেদের সাথে করে খেলা।

ফুটন্ত গোলাপের বাগান থেকে
ভেসে আসে সুগন্ধ ভরা আশা,
চন্দ্রালোক জাগায় শুষ্ক প্রাণে
পুনরায় সুখের স্পর্শ নেশা।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
পর্ব -৮৬
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ১০/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:হারুনুর রশীদ
কবিতা:করোনা কাব্য(১)
কবি:সৌমিত্র নারায়ণ মুন্সী
কবিতা:জীবনকাব্য
কবি:আপন রহমান
কবিতা:অধরা-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে
🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক জীবন কাব্য আর করোনা অতিক্রম্য ভালোবাসার প্রতীক্ষা।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য- সংস্কৃতি পরিষদ।
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
দৈনিক কবিতা প্রতিযোগিতা
তারিখ ১০/০৭/২০ ইং

** বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুঁথি সাহিত্য ।

করোনাকাব্য (১)
--- হারুনুর রশীদ
----  ----
আল্লা আল্লা বলি (২) জবান খুলি, শোনো ভাই-বেরাদর।
তারপরেতে দরুদ ভেজি রাসুলের উপর।

বলি তারও পরে (২) ঘরে ঘরে যত ভগ্নি-মাতা,
আস্তে আস্তে বয়ান করি আমার শায়ের খাতা।

বলছি অধম হারুন (২) কী যে দারুণ ভাইরাস একটা এলো।
বিশ্বজুড়ে নীরব ঝড়ে করলো এলোমেলো!

চীনের উহান হতে (২) পদে পদে এই  বিপদের শুরু।
করোনার নাম শুইন্যা পরাণ কাঁপে দুরদুরু!

কত বিজ্ঞানীরা (২) দিশেহারা ওষুধ আবিষ্কারে!
কাজের ওষুধ হয়নি তৈরি বলছে বারে বারে।

আগেই সাবধান হলে (২) ডাক্তার বলে, সম্ভাবনা কমে।
অসাবধানে মরবে প্রাণে, টাইন্যা ধরবে যমে!

রোগীর হাঁচি-কাশি(২) ঘেঁষাঘেঁষি কিংবা পেলে ছোঁওয়া --
কারে ছাইড়্যা  কারে ধরে যায় না মোটে কওয়া!

তাইতো সবার তরে (২) পায়ে ধরে বলি বিনয় করে,
একের সাথে অন্যে থাকবে মিটার খানেক সরে।

মুখে মুখোশ পরে (২) দুহাত জুড়ে বিশেষ ধরণ মোজা,
বাইরে গেলে পইরে যাবে,  কথাবার্তা সোজা।

ঘরে ফিরে গিয়ে (২) সাবান দিয়ে .....(চলবে)

🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸

বিভাগ - ছন্দ কবিতা।
কবিতা- #জীবন_কাব্য
কলমে - সৌমিত্র নারায়ণ মুন্সী
তারিখ - ১০ জুলাই ২০২০ খ্রীঃ

জীবনটা যেন বৃহৎ অরণ্যের কোন এক তরু
মাতৃগর্ভে বীজ বপনে হয় যার শুরু।

জীবনরূপ সেই তরুতে তুমি ফোটালে কত ফুল
কিছু তার সুবাস ছড়ায়, কিছু তার ভুল।

জীবনটা যেন মহাসাগরে ভাসমান এক তরণী
শক্ত হাতে ধরলে হাল,তুমিই হবে বিজয়িনী।

ঝর্ণাধারা যেমন নদীরূপে ছুটে সাগরের পানে
জীবনও তেমনি ধাবিত হয় জীবন সায়াহ্নে।

জীবনটা যেন শুধু জীবন নয়, এ এক মহাকাব্য
নিজেকেই তা লিখে, গড়ে নিতে হয় নিজ ভাগ্য।

বিন্দু বিন্দু জল মিলে যেমন, মেঘ হয় সৃষ্টি
ছোট ছোট ভাল কাজে,জীবনেও নামে সৌভাগ্যের বৃষ্টি।

জীবনটা যেন বিধাতার স্বহস্তে লেখা এক কবিতা
প্রথম পঙক্তি আনন্দে শুরু,শেষ পঙক্তিতে মৃত্যুর বার্তা।

আনন্দ-বেদনার দোলনায়, দুলছে সদা জীবন
এরই মাঝে মৃত্যু এসে,করে প্রাণ হরণ।

জীবনটা যেন ছোট একটা দিন
ভোরের আলোতে হয়ে শুরু,রাতের আঁধারে বিলীন।
(নাটোর)
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹

অধরা বলেছিলো;
নিঝুম রাতে আমাকে-
ঘুমপাড়ানির কাব্য শুনাবে...।

সেই থেকে ঘুমহীন প্রতীক্ষা
রাতের পরে রাত.......
কবে ফিরে আসবে অধরা আমার?
কবে আসবে সেই প্রতীক্ষিত রাত.?.
প্রতীক্ষা -প্রতীক্ষা-আর প্রতীক্ষা.....।

এদিকে ক্রমশ নাব্যতা হারাতে
থাকে -জীবনের নদী;
অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে অারও দীর্ঘতর......
হাওয়া ফুরিয়ে আসে সময় বেলুনের
তবুও ফিরে আসেনা অধরা....! 

মনটা আজ বড্ড বেশি ক্লান্ত ;
ঘুম নেই চোখের পাতায়.......
আকাশটাও বড্ড বেশি ঝাপসা!

চোখটাকে গাছের ডালের ফাঁকের মধ্যে দিয়ে যত দূরেই নিয়ে যেতে চাইনা কেন
মেঘের কাছে গিয়েই
হাল ছেড়ে দেয় ....
বুঝিনা আকাশ নাকি চোখ
কোনটা বেশি  ঝাপসা হয়ে গেছে আজ ??

#অধরা
#আপন রহমান
🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹

পর্ব -৮৭
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ১১/৭/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:খোদেজা মাহবুব আরা
কবিতা:পাখি হবো
কবি:চিন্ময় রায় চৌধুরী
কবিতা:সিঁড়ি
কবি:নিতাই চন্দ্র বিশ্বাস
কবিতা : বিচারের বাণী-এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগতসকলকে ##########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন, ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕

"পাখি হব"

খোদেজা মাহবুব আরা

১১—০৭—২০২০ ইং

আমিও একদিন সোনালী ডানার চিলের মতো উড়ব প্রশান্তির শিখরে
বিশুদ্ধ ঝর্নায় তৃষ্ণা মিটাব স্নিগ্ধ মায়ায়

এই দিন যাপন মায়াময় খুব
কি এক আবেগে আকাশ মন থইথই
ফিরে পাবার শ্রেষ্ঠ সেই দিন
অপেক্ষার সেতুতে হৃদয়ের বহমান স্রোত

ব্যকুল বাতাসে ঘন উচ্ছ্বাস, জীবন ঘেঁষে কি মোহমায়ার উড়ন্ত বিশ্বাস
প্রভাত ছেড়ে স্নিগ্ধ বাতাসের আন্দোলনে বাড়ে প্রাণের নিমগ্নতা

সজীব নিশ্বাসে ভরে থাকা দিন
নিশ্চুপ ক্রিয়ায় বেঁধে রেখেছে আপ্লূত সত্ত্বার বোধ

জীবনটা আহা! কি মধুময়, কত পথ পেড়িয়ে থিতু এক মায়ার ষ্টেশনে, হৃদয় আংগিনায় কত পুস্পিত সৌরভবিলাস

বুকের গহীনে কোন কষ্টের কাঁটা নেই, অতলে জমে আছে সুধার পানশালা,যত খুশী পান করে নেবার স্রোতের প্রাবল্য

থাক পড়ে ব্যর্থ সময়ের পাখা ঝাপটানো দিন, সোনালী দিনের একটুকরো সুখ একদিন মেলে দিক পাখা আর আমি পাখি হয়ে যাই  কোন মুক্ত দিনে ----
স্বাধীন সুখ স্বপ্নের বিস্তারে ----
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕
সিঁড়ি

একটি সিঁড়ি নীলাকাশের
অনন্ত আঁধারে
যুগে যুগে করেছে পণ
গোড়তে সাধু তারে ।

ভক্তি দিয়ে ভাব জগতে
চাইলো গড়ে নিতে
স্বর্গ থেকে সিঁড়ি এসে
নামবে পৃথিবীতে ।

তপজব করলো কেউ
অরন্যে কাননে
ধর্ম ব্রতী হল কেউ
উলংগ বসনে।

সংসার করলো ত্যাগ
বাউল হলো গানে
বিরাগ ভাজন হলো কে
বাঁধলো কার ইমানে !

একটি সিঁড়ির তরে মানুষ
করছে প্রানপন
জগত থেকে মিলবে যে তা
বিধির সিংহাসন ।

মারামরি কাটাকাটি
যুগে যুগে  হল
দেখতে যদি না পাও চোখে
মনের দৃষ্টি খোল।

স্বর্গে  যাবার কোনো সিঁড়ি
ভাওতাবাজি নিয়ে
হয়নি তার গঠন বুনন
কোন মিথ্যে দিয়ে।

কি সত্য  প্রচার করো
নিজে কি তা জান ?
একটি ভাষা বিধি জানে
এ কথা কি মান ?

বিধি যদি অসীম নয়
কেমনে বিধি হয় ?
সীমানাতে বেঁধে দিলে
তাঁর সে পরিচয়  ।

সত্য ঘেটে প্রমান করা
সবার প্রয়োজন
অন্ধকারে থাকলে হবে
ভুলের আয়োজন।

সত্য তবে কোনটি বল
স্বর্গে যাবার পথ
সিঁড়ি মই চোঙ্গ নাকি
হাওয়ায় ওড়া রথ ?

মিষ্টি কথা শুনে শুনে
মগ্ন হলে ভ্রমে
জীবনটা যে অসার হবে
অলিক পন্ডশ্রমে।

ধর্ম গুরু সত্য বলে
বিলায় পরিত্রাণ 
শাস্ত্র গ্রন্হ খুলে সবার
করতে হবে প্রমান।

কার হাতে রাখলে বেঁধে
তোমার পরিত্রাণ
জানতে হবে তোমারই তা
সে নহে শয়তান ।।

             চিন্ময় রায় চৌধুরী
                 জুলাই ৬, ২০২০
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕

বিভাগ-- কবিতা      
      বিচারের বাণী
    নিতাই চন্দ্র বিশ্বাস
    তারিখঃ  ১১.০৭.২০

সেদিনও কেঁদেছিলো, 
আজও কাঁদছে সমান তালে ;
ভবিষ্যতেও,কাঁদবে কী কাঁদবে না,
হয়তো সময়ই শেষ কথা বলবে।
                
             ইতিহাসের পাতা উল্টে
             সত্য অন্বেষণ করলে,
             দিনের আলোর মত স্পষ্ট হয়ে যাবে--
             কদর্যতা মলিনতা খুইয়ে
             পাক পবিত্র হয়ে ওঠেনি কোনোকালে।

অতএব,বিষ্ঠা খাওয়া অভ্যাস যাদের--
তারা তো বিষ্ঠা খাবেই,
সময় পাল্টালেও রক্ত কী পাল্টাবে তাদের? 
                  
                                 বংশগতির সূত্র ধরে জিনগত বৈশিষ্ট্যে
                                 তাদের উত্তরসূরীরাও
                                একই বৈশিষ্ট্য পাবে,
                                 ফলে বিচারের নামে প্রহসন রয়েই যাবে।

উৎকচের  আশায় রাক্ষুসে ক্ষুধাটাও দিন দিন
বাড়বে বৈ কমবে না,
বিচারের বাণীর কাঁদনটাও তাই
রয়ে যাবে ষোলো আানা।
                               অবশ্য আমি যদি ভুল হই,
                    আমার চেয়ে সন্তুষ্ট আর কেউ হবে না।।
     ( স্বত্ব সংরক্ষিত )        
বোলপুর,শান্তিনিকেতন।
⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕⭕

No comments:

Post a Comment

প্রকাশিত হলো গাঙচিলকণ্ঠ আসাম, বর্ষ ৩, সংখ্যা- ১ম

রফিক উদ্দিন লস্কর  সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ৩য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা-১৩/০১/২০২৩ইং ...