Friday, June 12, 2020

দৈনিক সেরা ২৬/০৫/২০২০- ০৮/০৬/২০২০

আবার ভালোবাসার সাধ জাগে.....কবি কাজী নজরুলের গানের কথা দিয়েই কবিকেই অঞ্জলি দিই কবিকে ভালোবাসায় পেতে চাই।শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আজকের সেরা
কবি:ডি কে পাল
কবিতা: চেতনায় রাঙা ফুল
কবি:সমর ভৌমিক
কবিতা :তেষ্টা
কবি:মো: ফেরদৌস আলম
কবিতা:মা-গো'এর জন্য।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক আত্মচেতনার জয় গান ও নজরুল চেতনবোধে উদ্বুদ্ধ। 
স্বাগত সকলকে ##########
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
___________________________________

শিরোনামঃচেতনায় রাঙা ফুল
কবিঃডি কে পাল
তাং২৬/০৫/২০২০
--------------------------------------------

বাংলার তুমি বাঙালির তুমি
চেতনায় রাঙা ফুল,
নিঃস্বের তুমি বিশ্বের তুমি
হৃদয়ের নজরুল।

সৃষ্টির তুমি ধ্বংসের তুমি
স্রষ্টার সুরসুধা,
অত্যাচারী,জালিম শাহীর
তুমিই মৃত্যুক্ষুধা।

হৃদয়ে তোমার তোলপাড় তোলে
শোষিত সর্বহারা,
মুক্তমনের আশ্রয় তুমি
হৃদয় পাগল পারা।

তোমার তুলনা তুমিই শুধু যে
বাংলার বন ফুল,
অগ্নিবীনায় বিষের বাঁশিতে
ফোটাও হিরের ফুল।

আকাশের মত হৃদয় তোমার
ওরে ও সাম্যবাদী,
তোমাতে রেখেছি হৃদয় আমার
লক্ষ তোমাতে বাঁধি।
___________________________

অণুছন্দঃ তেষ্টা
সমর ভৌমিক
26 মে 2020;16:42

মানবতা হোক প্রথম দীক্ষা
ধর্ম কর্মের মূল
মানবতা হীন মানুষ হলে
জীবন বৃথা ভুল।

বিভেদ ছেড়ে শ্রদ্ধা ভরে
বাসতে হবে ভালো
মনের কালি বিলিন করে
জ্বালবো জ্ঞানের আলো ।

ধর্মতো নয় কথার কথা
সাজ পোষাকে শুধু
ধর্ম হলো আত্মাকে জানা
আত্ম প্রেমের মধু।

আত্মা চেনা আত্ম জ্ঞানী
প্রেমিক তাঁহার স্রষ্টা
দিব্য জ্ঞানী তিনিই হবেন
সঠিক পথ দ্রষ্টা।

ধর্ম কর্ম করেও যারা
স্নেহ মমতা হীন
হিংস্র পশুর জীবন নিয়ে
পরমায়ু করছে ঋণ।

সকল সৃষ্টি তাঁহার জেনেও
যাহার মায়া নাই
ক্ষমা প্রাপ্তি তার নয়
জেনে রাখো সবাই।

মহৎ গুণ শূণ্য হলেই
পাপে পূর্ণ তার
ইহ কালে ঘৃণ্য যেমন
পরকালে নেই ছাড়।

জ্ঞানের আলো দিয়ে তিঁনি
সৃষ্টি করেছেন মানুষ
জনে জনে জবাব নিবেন
জাগাও নিজের হুস।

ভ্রষ্ট যতো নষ্ট মানুষ
মুখোশ পড়ে চলবে   
কঠিন শাস্তি ধার্য্য তাদের
নরক জ্বালায় জ্বলবে।

প্রাণের ভিতর ঈশ্বর থাকেন
যতো আছে প্রাণী
আত্মার মহৎ গুণ’ই ঈশ্বর
নিঃসংশয়ে জানি।

মানব কূলে জন্ম নিলে
করতেই হবে চেষ্টা
মানুষ হয়েই মিটাতে হবে
আত্ম তৃপ্তির তেষ্টা।
____________________

কবিতাঃ মা-গো
কবি মোঃ ফেরদৌস আলম
তারিখঃ ২৬/০৫/২০২০

আজ যে আমি কত দূরের পরে
   দূরে দূরে কত না সীমান্তরে
       আজ শুধু মনে পড়ে।।।

সেই ফেলে আসা জন্ম ভূমির তরে
       কত দূরে আছো মাগো
   আছো আমার হৃদয় জুড়ে।।।

আমি আছি কত না দূরের পথে
   সেই আপনার দোয়ার তরে
      আজ শুধু মনে পড়ে।।।

   আজ মাগো কত না কথা শোন
       কত দুঃখ কষ্ট সহ্য কর
       আজ শুধু মনে পড়ে।।।

     আজ যে তোমার নেই তুলনা
      তুমি মাগো এই ভবের সেরা
       আজ শুধু মনে পড়ে।।।

    আজ কত দূরে থাকো মাগো
         থাকো আমার প্রাণে
       আজ শুধু মনে পড়ে।।।

  মাগো পরম ভালোবাসা দিয়েছ
    তোমার পায়ে জান্নাত আছে।
        আজ শুধু মনে পড়ে।।।

(*বি: দ্র: আমার জীবনের প্রথম কবিতা*)
___________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৭/০৫/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি:রফিকুল্লাহ-কালবী
কবিতা: বৃষ্টি যখন নামে
কবি:উশ্রী মন্ডল
কবিতা :কবিতা
কবি: সোনালী বসু
কবিতা: বন্ধু 'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক প্রকৃতির সাথে মনের স্বপ্ন যাত্রা আর বন্ধুত্বের অটুট বন্ধন।
স্বাগত সকলকে############
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
####################

বৃষ্টি যখন নামে
--------------------------------------------
                    #রফিকুল্লাহ্_কালবী

                  কুষ্টিয়া ২৭/০৫/২০২০

বৃষ্টি যখন নামে
শহর কিংবা গ্রামে
মনটা আমার উথাল পাথাল ছোটে
বজ্রপাত আর মেঘ যেখানে জোটে।

বৃষ্টি যখন নামে
আমাদের ধরাধামে
মন ভিজে যায় কদম ফুলের মতো
কে যেনো রে স্মৃতি ধরে টানে অবিরত।

বৃষ্টি যখন নামে
আমার বুকের বামে
হৃদয়পুর যে কাহারবা তালে নাচে
কী জানি সে কার দখলে আছে?

বৃষ্টি য়খন নামে
মন কি রে ভাই থামে
ছুটে চলে মেঘ বিহারির দেশে
দূর অজানায় পাখির মতো ভেসে।

বৃষ্টি যখন নামে
এক জীবনের দামে
সকল কিছুই দান করে দেই তাকে
বৃষ্টি যখন গড়াই নদীর বাঁকে।

Copyright protected by the author.
________________________________

কবিতা
উশ্রী মন্ডল 
27th may 2020

আমি একটা..... 
কবিতার নৌকা আঁকতে চাই 
তা কি করে সম্ভব মনে মনে ভাবছিলাম , 
তাই আমি.... 
অনেক অনেকগুলো অক্ষরকে নিয়ে 
অসংখ্য ভাবনাত্মক রচনাত্মক শব্দের সৃষ্টি করলাম , 
এর পর... 
একেকটা শব্দকে পঙতিতে বসালাম
অপূর্ব অনুভূতি সম্পন্ন একটা তরণীর ছবি আঁকলাম !!

কি যেন নাই ......
হ্যাঁ তো, দাঁড় কে হবে ? 
কি দিয়ে পাল তৈরী করবো ?  এটাই চিন্তা করছিলাম ,  বৈঠায়  না হয় ....
আমি আমার চেতনাকে দিলাম ,
ঐ মাস্তুল হিসাবে আমার স্বপ্নকে টাঙিয়ে দিলাম , 
আর মাঝি.... 
নৌকার মাঝি কোথায় পাবো ? 
তাই মনকেই জলযানের মাঝি রূপে বসিয়ে দিলাম !!

এবার একটা.....
গভীরস্বচ্ছ গাঙ চাই যাতে...
মন মাঝির তরীকে ভাসাতে পারি, তাই খুঁজছিলাম ,
আমি না.... 
একটা সাদা পাতা নিলাম...
সেই পাতাকে আকাশী নীল রঙে রাঙিয়ে দিলাম , 
সেখানে অবশ্যই....
দুইএকটা মেঘ এঁকে দিলাম...
নদীর দুই পাশে বিস্তীর্ণ বালুকাপূর্ণ তীর বানালাম  !!

এই বার.... 
কোলাহল শূন্য ঐ পাড়ে
যাওয়ার জন্য জনপূর্ণ তট থেকে নৌকা ভাসালাম ,আস্তে আস্তে.... 
চলছি , আমার ক্ষেপণীর চালনায়
মওজিরা  ঘুমথেকে উঠে আলতোহাতে ছুঁচ্ছিল দেখলাম,
হটাৎ তখন.... 
হাওয়াদের মধ্যে কি উন্মুক্ততা --
জাগলো জানিনা, শন শন করে বইতে লাগলো  !!

মন বলল.... 
চেতনাকে , "  তাড়াতাড়ি স্বপ্নের পাল তোল  ,
চল হাওয়ার টানে ভেসে চলি  " , সেই চেষ্টাই করলাম ,
এক সময়....
নদীর এমনই একস্থানে এলাম , 
এখানথেকে দুইকূল অনেক দূরে সরে গেছে দেখলাম , 
আমি আমার.... 
কবিতাকে নিয়ে প্রচন্ড স্রোতেরটানে 
ঐ সুদূরে , না দেখা কিনারাকে ছুঁতে এগিয়ে চললাম  !!
___________________________________

বন্ধু
সোনালী বসু
২৭/০৫/২০২০

বন্ধু মানে গভীর বিশ্বাস
বন্ধু মানে সুখে দুঃখে পাশে থাকা;
বন্ধু মানে বুকের নিশ্বাস
বন্ধু মানে হাতে হাত রাখা।

বন্ধু মানে অজানা সুখের অনুভূতি
বন্ধু মানে মরুভূমি মনে এক পশলা বৃষ্টি
বন্ধু মানে এক সুরে গাওয়া গীতি
বন্ধু মানে নতুন আশার সৃষ্টি!

বন্ধু মানে চঞ্চল ঝর্ণাধারা
বন্ধু মানে দুর আকাশে পাখি হয়ে ওড়া
বন্ধু মানে ফাগুনের দখিনা বাতাস
বন্ধু মানে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ধারা।

বন্ধু মানে ভালোবাসার গভীর সিন্ধু
বন্ধু মানে হৃদয়ে সুখের আভাস
বন্ধু মানে পবিত্র ভোরের শিশির বিন্দু
বন্ধু মানে ফাগুনে ফোটা রঙিন পলাশ।

বন্ধু মানে সবুজ প্রকৃতি
বন্ধু মানে শরৎকালের স্নিগ্ধ জোছনা
বন্ধু মানে সন্ধ্যার পবিত্র বাতি
বন্ধু মানে নহে কোনো ছলনা!

বন্ধু মানে কখনও ভুলে না যাওয়া
বন্ধু মানে এক নতুন আলোর পথ
বন্ধুত্বের নেই কখনও ক্ষয়
প্রকৃত বন্ধু পেলে জীবন ধন্য হয়!!
____________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আজকের সেরা
কবি :সুজিত কুমার দাস
কবিতা :আহত জীবন
কবি:এস, পি সবুজ
কবিতা:তুমি ফিরবে বলে
কবি:মো:হানিফ শেখ
কবিতা:নিজে ভালো হই'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক ভালো হওয়ার প্রতিশ্রুতি ও প্রকৃতির স্নিগ্ধ ও ভয়ালরূপের মিশেল মিশ্রণের রূপরেখা।
স্বাগত সকলকে ################
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
####################

*                       আহত জীবন
                     সুজিত কুমার দাস
                        ২৮/০৫/২০২০

আকাশে জমেছে মেঘ,
বাতাসের ভারি বেগ,
সাথে বিদ্যুৎ চমকায়,
থেকে থেকে ঐ বিকট শব্দে মেঘ গর্জণ ধমকায়।

ভাঙছে আকাশ
ঘুর্ণি বাতাস
উথাল-পাথাল
সব বেসামাল
ছুটছি এদিক
পড়ছি ওদিক
ঝড়ের ঝাপটা খেয়ে,
রক্ষা করো প্রভু শো-শো শব্দে এসেছে তুফান ধেয়ে।

বজ্র-বিদ্যুৎ গর্জে উঠছে-
গাছপালা সব বেতাল দুলছে-
বক-চিল-কাক বিদিক ছুটছে-
ক্ষেতের ফসল মাটিতে লুটছে-
ঝড়ের ঝাপটা খেয়ে,
রক্ষা করো প্রভু শো-শো শব্দে এসেছে তুফান ধেয়ে।

খুঁটি নড়বড়-
আছে যার ঘর,
ঝড়ের মাঝেও ঝড় ওঠে তার বুকে,
প্রতি ধাক্কায় মনে হয় যেন হৃদয়ে পেরেক ঠুকে।

গাছ ভাঙে মড়মড়,
আরো ভাঙে বাড়ি-ঘর।
বজ্র-বিদ্যুৎ -বান,
হয় আরো বেগবান।
বাড়ায় মনের শঙ্কা,
গর্জন শুনে মনে হয় যেন বাজছে প্রলয় ডঙ্কা।

মহাবিভিষিকা , ধ্বংশযজ্ঞ , চালায়  ভীষণ  রোষে,
সব তছনছ করে দিয়ে যায়, জানি না কিসের দোষে?

থেমে যায় ঝড়, করে গড়বড়,লণ্ডভণ্ড হয় সব।
কত যায় মারা!কত গৃহহারা! আহত জীবন কলোরব।*************************************
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (মূল পর্ব ৬ মাত্রা)
বজ্র-বিদ্যুৎ (৭ মাত্রাকে ৬ মাত্রা ধরেছি)
______________________________

তুমি ফিরবে বলে
এস.পি সবুজ

সুকন্যা,
তুমি ফিরবে বলে,
নবযৌবন কাটিয়ে আজ
চুলগুলো গেলো পেকে।
মনের মাধুরীতে আজও
তোমারি ছবি যাই এঁকে।

তুমি ফিরবে বলে,
আজো বসন্তের দেখা মেলেনি,
আমার জীবন-মাঝে।
শুধু তোমায় খুঁজেছি আমি,
সকাল দুপুর সাজে।

তুমি ফিরবে বলে,
সাত প্রহরের ঘুম ভেঙ্গে বসে আছি।
তুমি ফিরবে বলে,
আমি এখনো আশায় বাঁচি।
তুমি ফিরবে বলে,
অতীতকে ভুলে দিয়েছি কবর।
তুমি ফিরবে বলে,
পেয়েছিলে আমার বাঁচার খবর।

সুকন্যা,
তুমি ফিরবে বলে,
আবারো কবিতার কলম চলে।
চশমাটা চোখের মাঝে আবারো বেঁধেছি।
তুমি ফিরবে বলে,
আমি আবারও কবি সেজেছি।
চাদরে জমে থাকা ধুলো গুলো ধুয়ে।
আবারো তোমায় দেবো আলতো ছুঁয়ে।

তুমি ফিরবে বলে,
ওই সকালের পাখি গুলো ডাকবে।
তোমার প্রিয় রজনীগন্ধাও সকালে থাকবে।

তুমি ফিরবে বলে,
বৃষ্টি আমায় কথা দিলো
তোমার বুকে যখন আমায় রাখবে।
বৃষ্টি দিয়ে মন জুড়িয়ে থাকবে।
তুমি ফিরবে বলে,
ওই আকাশে পূর্ণিমা এসে।
তোমায় জড়িয়ে মন ভরিয়ে,
যাবে ভালোবেসে।

তুমি ফিরবে বলে,
পৃথিবীর কোলাহল বন্ধ।
হবেনা তো মারামারি দ্বন্দ্ব।
পুষ্প ফুটবে আলোকিত করে।
যাবে নাতো কোন দিন ঝরে।
তোহমারি দেখিতে কত,
আসিবে তরুণ শত শত।
তবুও তুমি চাহিবে মোরে।
আসিবে তব আমারি ঘরে।
বক্ষে সিঁতি রাখি জুড়াবে তব মন,
দশ প্রহরে মনে হবে মাত্র কিছুক্ষণ।
প্রেমে সাগরের বাঁধন খুলে।
পড়বে তুমি আমায় ঝুলে।
তব এই নিঁশিতে মম,
নিত্য নাহি হবে।
আঁধার শেষে এলো কেশে,
দেখতে পারে সবে।

মিনতি করি,
আমায় ছেড়ে কভু আর
যেওনা গো দূরে।
তোমায় হারানোর ব্যাথা
কাঁদায় করুন সুরে।

এই নব যৌবন দিও
ঢালী মোর তরে।
আপনার চেয়ে আপন হয়
থেকো আমার ঘরে।
শতবর্ষে তোমার তৃষ্ণা
মিটবে না তো মোর।
ছেড়ে যেও না আমায় তুমি
এই হাতজোড়।
______________________

কবিতা: নিজে ভালো হই
মোঃ হানিফ শেখ
তাং-২৮/০৫/২০২০

রাত দিন চলে যায় ফালতু সময় নষ্ট করে
নিজে ভালো হই আগে কি হবে থাক পরে
মিথ্যাচার করব কেন দুনিয়ার মায়ার ঘিরে
মরলে তুমি পাবেনা কিছু চিন্তায় শুধু পড়ে

হাজার জনে গাড়ি বাড়ি কপালে এ লিখন
জনম জনম শিক্ষা লয়ে সুখ যে হল বরন
আবার সে লোভে মেতে হারায় জ্ঞান ভজন
এখন মোরা অযথা কথনে দেই বিসর্জন

নিজে ভালো হই যেন পাড়ার লোকে বলে
না হয় কিন্তু সারাজীবন কাঁদবে এই ভুলে
যতসব অকর্মার সাথে ঘুরা ফেরা ফেলে
নিজ মনে যাও ছুটে পথটি সঠিক হলে

মুখে বলি নামাজ পড়ি কাজে গন্ডা মোরা
শয়তান রূপটা ভেসে ওঠে কথা কয় তেরা
চাপার জুরে নেয় হাদিয়া অসব্ব লোকরা
টাকা নিয়ে রাখে কোথায় জানো ভায়েরা

কুরআন পড়াবে ফ্রী ভিসা ভরে নিজ তলি
ইসলাম হল শান্তি জায়গা মুখে শুধুই বলি
ধর্ম বর্ম খেলায় মেতে মানুষকেই দেই  ভলি
হাজারো ফুলটি ভুলের পথে নষ্ট হয় কলি

সারা বিশ্বে একি মন্ত্র টাকার বিনিময় গাড়ি
গরীব কি আর ধনী হয় দেয় পৃথিবী ছাড়ি
নারীর লোভে ছুরি মারি যতো তাড়াতাড়ি
পাপের বোঝা মাথায় লয়ে করি বাড়াবাড়ি

মানুষের সেবা মানুষ করিবে এটা মূল কর্ম
কুৎসিত ব্যবহার জ্ঞান হীনে রোগ বুঝি চর্ম
পাগল হয়লি দাঁড়ির ঢুপিতে এটাই সেই ধর্ম
আজ ঠিক অশান্তিতে বুঝবে কি ভাই মর্ম।
_________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২৯/০৫/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি :শাহী সবুর
কবিতা:পতঞ্জলির প্রেম
কবি:মিল্টন সমাদ্দার
কবিতা:অনামিকা
কবি:ড.আশফাকুর রহমান
কবিতা :কাঁপে মহাত্রাসে
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক মানব মনের প্রেম শক্তির জয় আর পরাভূত হোক করোনা কালের বিভীষিকা।
স্বাগত সকলকে##############
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
#####################
পতঞ্জলির প্রেম
শাহী সবুর

ডাহুক ডাকা নিশুতি রাতে যখন
আচম্বিতে সহসা প্রমীলা হারাই,
হৃদপিণ্ডের অভ্যন্তরে শ্রুতিত হই
মাশেকের প্রেমছন্দ পদধ্বনি।

বুকের ভিতর দীর্ঘ দিনের জমাট বাঁধা
অবাঞ্ছিত ভীতির এ্যাটম বোমা,
স্মৃতির অতালম্মরে বিকট শব্দে
কে যেন তার বিস্ফোরণ ঘটায়,

পরাভবে স্বীয় পরাণের গহীনে
সংহারিত হয় নৈকষ্য প্রেম,
নির্মম বাস্তবতায় স্মৃতির পরিঘাতে
সমারম্ভিত হয় রক্তক্ষণ। 

অলোকে অন্তরালে নীরবে  নিভৃতে
বৃন্তচ্যূত হয়ে যায় অবিনাশী ভালবাসা,
অব্যক্ত তম্মিসায় রুধীর হয়ে
ঝরে যায় রংহীন লোনা অশ্রু।

আমি অনিমেষে অবলোকন করি
উৎকলিত বিদারুণ বেদনা,
বিসহ্য কলঙ্কের কটূক্তির কষাঘাতে
পঞ্চালিকার মত আমি ম্রিয়মান।

উড়ঙ্গিনীর বিষময় স্পর্শের বিসহ্যতায়
হৃদয় পদ্ম বিদুর বিষন্নত,
বিশ্বাসের তমসাবৃত্ত প্রেমের চিতায়
আমি যেন প্রজ্জ্বলিত জিন্দা লাশ।

ঐকল্যতায় সুপ্ত প্রেমের  ইরাদাগুলো
নিগ্রহতার নিস্রিংশে সমাধীত,
তিলেতত্মায় লালীত নিকষ প্রেমটুকু
প্রবঞ্চনার তাপদাহে বাষ্পীয় হয়েছে।

সন্দিগ্ধ বানে প্রেমকে পরিক্ষিপ্ত করলে
অনিরুদ্ধ প্রেম আর প্রত্যাবর্তণ করেনা
সময় কাল বিবর্তনে বেদনার নীল দাগ
নিরঞ্জন মনে থেকে নিশ্চিহ্ন হয়না।

নিন্দার ভ্রান্তিতে অনাবদ্য পূত প্রেম
আশেক মনে সহসা বিশ্রুত হয়না,
পৈশূন্যতায় প্রেমকে আহত করলে
উদ্বাস্তু হয়ে সে প্রেম উদ্বাসিত হয়

দ্বৈধ নিষ্পত্তির প্রত্যাশায় নির্ব্যাজ্য মনে
অভিসারে ছুটে যাই মিলনাকাঙ্খায়,
পরিঘাতে রিক্ত হস্তে প্রত্যার্পণ করি আপনালয়ে।

পাতকি প্রেমের দুর্বার অভিলাষে
প্রেমের নিকুঞ্জে আমি আজ নিঃশ্ব,
না পাওয়ার নীল কষ্ট কুণ্ডলী পেঁচিয়ে
অদৃশ্যায়িত হয় স্বর্গাম্বরে।

বিশ্বের অনাদিকালের  অবিনশ্বর প্রেম
স্বর্গ থেকে মর্ত্যে সদর্পে গৌরম্বিত,
প্রেমের তরঙ্গিনী তটে কাঙ্গাল এ মন
পতঞ্জলিবেশে শুধু তোমায় খোঁজে।।

( কবিতাটি আমার পতঞ্জলি কাব্যের পতঞ্জলির প্রেম কবিতার অংশ বিশেষ মূল কবিতাটা আটচল্লিশ লাইনে)

___________________________________
পোস্ট- ২৯/৫/২০২০ খ্রীঃ

"অনামিকা"
মিল্টন সমাদ্দার

অনামিকা!
শুনেছি যোগমায়ার কাছে-
তোমার আগমনী বার্তা;
যদিও লোকমুখে- প্রচলিত শব্দে; আমিই কর্তা।
তদুপরি আমিতো জানি; আমি কর্তা নই!
আমি যে কালের প্রভাব মুক্ত;
তবুও তোমার যোগ-বিয়োগেই।

তুমি আসবে!
তাই নিত্য মার্জন করি আমার চিত্ত;
আমি স্বামী নই! আমি ভৃত্য।
আর ধুলোপড়া আয়নাটি করে ব্যঙ্গ;
অনন্ত জন্মের শোধ নিতে চায় সে।
আচার্য শুক্র, গুরু বৃহস্পতি, শনি কিংবা-
অনন্ত-কোটি যোজন দুরে যে গ্যালাক্সী;
তার সুরঙ্গ জন্মের প্রতিশোধ!

অনামিকা!
শুধু তোমার কাছে চাই-
একটু ভালোবাসার বোধ।

নাসারন্ধ্রের ভিতর থেকে উঠে আসা-
মৃত্যুলোকের বিভর্ৎস সেই গন্ধটা!
যার দোহনে জ্বলে পুরে খাক হয়ে গেছে-
শরীর বিহীন চিত্তটা।
এরপরও কি ভালোবাসার অধিকার নেই আমার?
এতটা হৃদয়হীনা! ধুলোপড়া আয়না;
আবার; আবার; আবার; আবার- "শোধ"!

অনামিকা!
শুধু তোমার কাছে চাই-
একটু ভালোবাসার বোধ।

তুমি আসবে!
তাই আমি কস্তূরীর গন্ধ আয়ত্ত করেছি;
এইতো সেদিন!
তোমার কথা- যোগমায়ার কাছে শুনেছি যেদিন।

কালিদহের পাশ ঘেষে; নীল শাড়ীতে হেটেছিলে!
দিব্যতেজ ভরা অঙ্গে অঙ্গে;
যোগমায়ার কাছে- আমার কথা বলেছিলে।
উলঙ্গ মনে ভেবেছিলে- আমার গাঁথা;
তুমি কি ভেবেছো?
আমি জানিনা সে কথা!

আমি পাগলের মতো ছুটেছি তোমার পিছু-
নির্ঘাত খালি পেটে।
একুল-ওকুল ছাপিয়ে দু'কুল-
ময়লা শ্যেওলা কিংবা ঘাসফুল!
ওজঃ দীপ্তি ঘেটে।
তবুও ঐ লজ্জাহীনা-
ধুলোপড়া আয়নার এতো প্রতিশোধ!

অনামিকা!
শুধু তোমার কাছে চাই-
একটু ভালোবাসার বোধ।

তুমি আসবে!
তাই আমি কস্তূরীর গন্ধ আয়ত্ত করেছি;
এইতো সেদিন!
তোমার কথা- যোগমায়ার কাছে শুনেছি যেদিন।

অনামিকা!
গঙ্গা, যমুনা, কাবেরী, স্বরস্বতী-
যেন তোমাতে হয়েছে বিলীন!
আর আমি "অ-লীনের মাঝে লীন"।
যেন আখের বনে- তোমার বেঁচে থাকার মতন;
আর আমার মনে- তোমায় খুঁজে পাওয়ার যতন।
তাতেও ঐ পিশাচিনী-
ধুলোপড়া আয়নার এতো প্রতিশোধ!

অনামিকা!
শুধু তোমার কাছে চাই-
একটু ভালোবাসার বোধ।

তুমি আসবে!
তাই আমি কস্তূরীর গন্ধ আয়ত্ত করেছি;
এইতো সেদিন!
তোমার কথা- যোগমায়ার কাছে শুনেছি যেদিন।

---------------------------

১৫ই মে ২০২০ খ্রীস্টাব্দ
১লা জৈষ্ঠ্য ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার, দিবা দ্বিতীয় প্রহর
দত্তপাড়া, টঙ্গী, গাজীপুর।
_________________________________
কাঁপে মহাত্রাসে
     ড. অাশফাকুর রহমান
২৯/০৫/২০২০ ইং

কবিতার সোনালী প্রহর  অাজ লীন হয়ে যায়
প্রভাত রবির অালো অার সেখানে ধরা দেয় না
অরুণ কোন লেখা অার অাসে না হৃদয়ে
বিপুল জ্যোতি স্রোতে করোনা বিষ অাসে
হৃদয়ের স্বর্গ অাজ কাঁপে মহাত্রাসে।

নিয়ম মেনে চলতে হবে বাঙালীর
প্রাণের মুক্ত চেতনায় অসভ্যতা ঘুচাবে এবার
নইলে হবে রিক্ত ভরণা বিন্দু
মরুর কোন সুরেলা কন্যা নেই তিমির করবে অালো
তোমার সচেনতার মাঝে পাবে জান বাঁচাতে।

লকডাউন শিথিল হচ্ছে বলে প্রাণ খুলে হেঁটো না
অাটকে যাবে কোন মরুর দাবানলে
দিবা শর্বরী হবে অন্ধকার জীবন হবে দহন
চোখে দেখবে না অার কোন ডালিম রমণী
নরকের বিশ্বে পাবে ঠাঁই রক্ত বিষের  জলে যাবে মিশে।

নির্ঝর কলসি হাতে কোন সুন্দরী থাকবে না চেয়ে
মরণ কামড় দেবে করোনা তোমার চিত্ত অাকাশ পটে
উতল বুকে জাগবে বর্শা মাখা বিষ
ব্যথিত হবে নিখিল  অন্তর শোভা তল
অাজ বেহেশতী কোন হুর ভাসে না চোখে।
__________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৩০/০৫/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি :পথিক মজুমদার
কবিতা: সম্পূরক
কবি:শেফালী হোসেন
কবিতা : ভালোবাসা আমার ঠেকায় কে
কবি:কাজী এম হাসান
কবিতা:প্রবাসী স্বজন
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক প্রকৃতির মত ভালোবাসার ব্যক্ত উচ্চারণ।
স্বাগত সকলকে##############
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য - সংস্কৃতি পরিষদ।
#######################
সম্পূরক
পথিক মজুমদার

(কবিতাটির নামকরন করেছেন শ্রদ্ধেয় খান আখতার
হোসেন। ৮ম গাঙচিল সম্মেলন ২০০৯' গোপালগঞ্জ
উপলক্ষ্যে। স্থানটি ছিলো আমার বাসা ভৈরব ভবন,
অভয়নগর। ২০০৯ সালে গাঙচিল কন্ঠে  কবিতাটি প্রকাশিত হয়ছিলো। খান ভাই এর সামনে বসেই কবিতাটি লেখা)
০১৭১৫৬৪৬২৫৭
তারিখঃ ০১/১০/২০০৯

সাগরের জল খেয়ে চলে নদীর সংসার
সাগরও স্বীকার করে নদীর অবদান
নদীজলে বাস করে সুখে জলহস্তি
শেওলা না খেয়ে সে ঘাস খায় কোন বিবেকে
জবর জাবর কাটে বিশ্ব বে-ঈমান
গৃহত্যাগী সন্যাসীর একি গোপন অভিসার!

দুষ্টের বীজমন্ত্রে  ভগবান তুষ্ট
বেহায়া রাতের নারী দিবসে তুচ্ছ
ইঁদুরে বালিশ কেটে কী লাভ পায়
কবিতার কষ্ট কবি গিলে খায়
লাল দাগে কাটা খোটে নাচে কংকাল
বাহারি বাতাসে উড়ে জারোজ জঞ্জাল
সোনালী জগতখানা কান্নাভেজা নদী
বৈঠায় কাজ নেই, তরী নেই যদি।।
_______________________________

ভালোবাসা আমার ঠেকায় কে
    "শেফালী হোসেন "
৩০/০৫/২০২০ইং

হয়ত আবার পাবো তোমার দেখা
যেখানে মিলেছে নিল আকাশের সাদা রেখা,
তাই তো বসে আছি পথ চেয়ে
ডুমুরের ফুল যদি ফোটে লোকালয়ে।
সে যেনো মোর ঘরে জ্বলা প্রদ্বীপ আধাঁরের,
সে যোনো তার দেহ খানি আর নাহি লুকায় প্রহরে।
দেখে দেখুক জানে জানুক লোকে
ভয় করিনা এখন মরন কে!
যে মৃত্যু আমি নিজেই বেছে নিয়েছি  অগ্নিকাণ্ডে,
আসে যত ঝড় আমি অনড়, ভয় করিনা এক বিন্দু।
যে আগুনে আমি দিয়েছি ঝাঁপ
পুড়ে হবো ছাড়খার, হবো অঙ্গার।
ভালোবাসা হবেনা মলিন, হতে দিব না, 
ধুসর কিংবা বর্নহিন।
ভালোবাসা সাজাতে চাই আমি
রং ধনুর সাত রঙে রঙিন।
হোক না সেটা এপার কিংবা ওপারে।
ভালোবাসা জন্য আমরা অনেক পুড়েছি,
এখন হৃদয়কে এক ডন্ড শান্তি দিতে এ বিরহে আবসান চাই।
কান পেতে  আজও আমি শুনি
পাখির কলকাকলি নতুন প্রভাতের আগমনী।
_______________________________
দৈনিক প্রতিযোগিতা র জন্য
তারিখ ঃ৩০/০৫/২৯ ইং

প্রবাসী স্বজন
কাজী এম হাসান আলী

মনের মণিকোঠায় ব্যথা
ঈদের দিনে আজি,
জামাত বিহীন ঈদের খুশি
রবের ইচ্ছায় রাজি ।

তোদের টাকায় নতুন জামা
দেশের স্বজন প্রীতি
নোংরা  আচরণ এবার দেশে
মনে রেখো না স্মৃতি।

তোদের দেয়া অর্থ কড়ি
গরীব লোকে পেয়ে,
তোদের জন্য  করছে দোয়া
খোরমা পোলাও খেয়ে।

দেশের সকল মসজিদ ঘরে
ঈদের জামাত শেষে
দু হাত তুলে খোদার কাছে
তোদের ভালোবেসে ।

নয়ন জলে  মঙ্গল চেয়ে
প্রবাসী স্বজন প্রীতি
করোনা থেকে রক্ষা করে
মাওলা হঠাও ভীতি।

যাকাত ফিতরা গরীব পেয়ে
ঈদের বাজার করে,
জামাত শেষে মোনাজাতে
কাঁদে ভাইরাস ডরে।

সকল দোয়ায় স্বরণ করে
প্রবাসী বন্ধু স্বজন,
ভালো রেখো যাদের টাকায়
করছি ঈদের ভোজন।
______________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৩১/০৫/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি :জি এম রুহল আমিন
কবিতা :প্রেমিক আমি
কবি:বিকাশ দাস
কবিতা:তোমার প্রেমে
কবি:সুপ্রিয় কুমার বড়ুয়া
কবিতা: অপেক্ষায় ছিলাম'র জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক প্রকৃতির ঐশ্বর্যের প্রেম আপ্লূত মনের স্বপ্ন আর প্রতিবন্ধক জীবনের টানাপোড়নের গাঁথার বিপ্লব।
স্বাগত সকলকে ############
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন, ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
####################

কবিতাঃ প্রেমিক আমি
--জি এম রুহুল আমিন
৩১.০৫.২০২০

কলঙ্ক থাকুক চাঁদে কী আসে যায়!
সুধা পানে ব্যাকুল হই তৃষিত চকোর
চন্দ্রমুখীর বুকে খুঁজি সুখের নিবাস
প্রেমিক দেবদাস আমি।

ঠোঁটে কাঁপে প্রসন্ন শিহরণ
ধমনীতে শোণিতের ঘ্রাণ
চোখের পাতায় বুনি স্বপ্নের জাল
প্রেয়সীর সুডৌল বুকে স্নিগ্ধ মন্দাকিনী।

অশনির চোখে খুঁজি আলোর প্রলয়
আঁধারের অভিশাপ দু পায়ে দলি
জীবনের সর্পিল পথে
রক্তলোলুপ মৃত্যুরে করি আলিঙ্গন।

নিঝুমনিদ্রার একান্ত ক্ষণ খুঁজি
গোলাপ বিছানো কোন শয্যায় নয়
তৃষাতুরা সঙ্গিনীর আঁচলের তলে
ধূলিধূসর বেলাভূমি পরে।

মুক্তির জয়রথে ছুটে চলি আমি
ক্ষুধিত মিছিলের তপ্ত কোলাহলে
শঙ্কিত মানবতা ধুঁকে মরে যেখানে
একটুখানি আলোর অপেক্ষায়।

সমুদ্রের কাছে যাই শান্ত সমীরে
বুক ভরে টেনে নেই নির্মল শ্বাস
ঢেউয়ের গর্জনে অতঃপর শুনি
আতঙ্কিত ঝড়ের পূর্বাভাস।

বঞ্চিত মানুষের বিদ্রোহী জনস্রোতে
রোদে-পোড়া ক্লান্তিহীন সহিষ্ণু প্রাণ
অত্যাচারীর নিষ্ঠুর বিদ্রূপ সয়ে
লড়াই করে পেতে চাই ন্যায্য অধিকার।

কলঙ্কের কালি যত সর্বাঙ্গে মেখে
নীলাকাশে হতে চাই পূর্ণিমার চাঁদ
ঘৃণার দূর্গে আমি শাবল চালাই
ভালোবাসি--মনে বড় সাধ।

সরোবরে খুঁজে ফিরি প্রেমনীলপদ্ম
শুকনো জলাশয়ে পানির হাহাকার
এসো সাজাই প্রেমময় এই বসুন্ধরা
ভালোবাসার সুরভিত ফুলে।
_____________________________

৩১/০৫/২০২০ (রবিবার)
তোমার প্রেমে / বিকাশ দাস(মুম্বাই)
যখন তোমার চোখে লাগে বসন্ত
তখন আমার দু’হাত ভর্তি একগুচ্ছ টাটকা ফুল
                               তাকিয়ে থাকে।
যখন তোমার বুকে আসে শ্রাবণ
তখন আমার দু’হাতে তুলে রাখি সযত্নে বৃষ্টির ফোঁটা
                               ভিজতে থাকে।
যখন তোমার গায়ে লাগে শীত
তখন আমার দু’হাতে গুছিয়ে রাখি রোদ্দুরের আঁচ
                                জ্বলতে থাকে।
এখনো তাকিয়ে থাকে
এখনো ভিজতে থাকে
এখনো জ্বলতে থাকে
তোমার বসন্ত-শ্রাবণ-শীতে ।
__________________________

অপেক্ষায় ছিলাম
সুপ্রিয় কুমার বড়ুয়া
৩১/০৫/২০২০

জানালা দিয়ে অনেক দিলাম উঁকি,
দরজা খুলে করলে আমায় সুখী।

আসতে এবার বাঁধা নাই
তৈরি থাক সবাই।

আদেশ নিলাম উপর থেকে
করবে তোমরা কি?

ভ্রমণে ও বাঁধা নাই বাস,ট্রেন, বিমান।
ঘুরব আবার দেশ বিদেশে সমানে সমান।

যতই পর মাক্স,পি পি, রক্ষা এবার নাই কারো,
সাবান আর সেনিটেশান ব্যবহার যাই করো।

কোন দিকে আসব এবার টের পাবে না,

কথা দিলাম ঘুরার অনুমতি দিল যারা তাদের ও আমি ছাড়ব না।

এতদিন আমায় বন্দী রাখার কষ্ট আমি ভুলব না,

পিঁপড়ে আমি অনেক খেয়েছি
এবার খাব রাঘব বোয়াল,

যারা এখন অসহায় তাদের এবার চুব না,
উপর তালায় যাব এবার, বুঝাব অসহায় মানুষের দুর্গতি।

চিন্তা করে লাভ নাই,
আসছ যখন যেতে হবে আজ অথবা কাল
মরণ চিন্তা নাই কর, ভাব পরকাল।।
___________________________________
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ০১/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি :জাহাঙ্গীর চৌধুরী
কবিতা: চেয়েছিলে একটি কবিতা
কবি:মাহাবুব আহমেদ
কবিতা:নি:সঙ্গতার ভেলায়
কবি:মো :জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া
কবিতা:স্বাগত সুন্দরে'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
কলমের শৈলী হোক স্বাগত সুন্দরের।
স্বাগত সকলকে ###########
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।দৈনিক প্রতিযোগিতা
বিভাগ- গদ্য কবিতা
-------------
চেয়েছিলে একটি কবিতা
জাহাঙ্গীর চৌধুরী
তাং-১/৬/২০
----------------------
বেশি কিছু চাওনি,চেয়েছিলে একটি কবিতা,
লিখিনি,লিখতে পারিনি,
বলবো না মিথ্যা।
ভুজঙ্গিনীর ন্যায় রেগে যাচ্ছ জানি।
কারণ তুমি যে বড্ড অভিমানী।
তটিনী রমণী শ্রীমতী,চলনে একগতি,
সবার অজানা তাদের অমোঘ মতিগতি।
বলো,কীভাবে লিখি একটি কবিতা ?
মুণ্ডে আমার এখন ঘিলু শূন্যতা।
সারশূন্য জমিনে ফলন হয়না যেমন,
কবির শিরে উপাদান বিনে কবিতা হয়না জনন।
কবির উপকরণ অনুপমা দর্শন প্রকৃতিকে অবলোকন,
মানবের হালচাল বিচরণ, 'লকডাউনে'কোনটিতে নেই আমার লোচন।
আমি মধুপ শোষিত পুষ্পের মতন অকর্মণ্য এখন।
আজ কতদিন অদর্শীত তোমার আনন স্বজন বদন,
মনোহর প্রকৃতির শ্বাশত নন্দন
চিরচেনা মানুষের নিত্যকার  চালচলন।
ভুবনে কে জীবিত,কে মৃত তা-ও অজানা,
যেমন মর্তবাসী গোরবাসীর সমাচার জানেনা।
মনে হয় জীবন থেকে যুগযুগান্তর অতিক্রান্ত,
পৃথিবীতে বেঁচে থাকা আজ লটারির মতো।
ভেবোনা নিশি উত্তর ভোর আসে,
নতুন আলোতে পৃথিবী হাসে।
এই কহর কুহোর থাকবেনা পৃথিবীতে,
হয়তো বহু চিরচেনা মুখ বিলীন হবে অজান্তে।
আবার হবে কোলাহল বদলাবে প্রকৃতির বিরূপ,
হয়তো মানব স্বভাবেও আসবে ধার্মিক রূপ।
যদি প্রভুর দয়ায় আমরা বেঁচে থাকি,
লিখবো একটি কবিতা ছবি আঁকি।
তাজমহলের মতো চিরস্মরণীয় করে, ৩১.০৫.২০২০ইং
নিঃসঙ্গতার ভেলায়
__________// মাহাবুব আহমেদ

দিনের আলো যখন নিভু নিভু
ব্যস্ত শহর নিঃসঙ্গতার অন্ধকারে
সন্ধ্যা নেমে আসে জোনাকির ডানায়
রাতের আধারে খুঁজে পাই শুধু নিঃসঙ্গতা।

হাজারো লোকের ভীড় ঠেলে এগিয়ে যাওয়া,
সেই চেনা পথধরে একই সীমানায়
জীবনের আয়োজনে ব্যস্ত সবাই
শুধু নিয়মের গান গাওয়া।

হাজারো আচেনা মুখগুলো মনে করিয়ে দেয়
আমি একা, আমার নিঃসঙ্গতা
রাত জেগে থাকি আমি বিরহের অনলে পুড়ি  অসীম শূন্যতায়,
জীবনের স্বপ্ন গুলো সব অপুর্নতায়।

হৃদপিন্ডের তলায় নিঃশব্দ কান্না চোখের কোণে জড়ো হয়,
হৃদপিন্ডের তলায় জমেছে এক ভুমন্ড কান্না
মনে হয় কপোল বেয়ে ঝরনা হয়ে ঝরে পড়বে, সব হয়ে যায় একাকার।

নোনা জলে ভেসে ভেসে খুঁজে নেব আমার নিঃসঙ্গতা।
নিয়তির খেলাঘরে একাকী যে খেলা খেলছি
প্রতিদ্বন্দ্বী না থেকেও বারবার হেরে যাওয়া।

অদৃশ্য বেড়ি আমার পায়ে জড়িয়ে
গন্ডির বাহিরে নির্বাক দৃষ্টিতে চাওয়া
জীবন নামের কারাগারে অদৃষ্টের অত্যাচারে।

ভাবনার শেষ সীমায় দীর্ঘশ্বাসের প্রণয়
একে চলি হিজিবিজি কতশত ছবি কল্পনার তুলিতে আঁকা বেদনার বালুচরে।

আবারো এগিয়ে চলা একাকীত্বের জীবনের তরী বেয়ে, রাতের আধার এসে,
হঠাৎ একরাশ ও দীর্ঘশ্বাসের প্রলয়ে,
মনে করিয়ে দেয় আমার নিঃসঙ্গতাকে।।যেথায় থাকবে মানবের নজর যুগযুগ ধরে।।

স্বাগত সুন্দরে
মোঃ জসিম উদ্দীন ভুইয়া
তারিখঃ -০১-০৬-২০২০ ইং

মানুষের সৃষ্টি আলো, মানুষেরই সৃষ্টি অন্ধকার
প্রত্যক্ষ করছি অতিরিক্ত আলো থেকে সৃষ্ট অন্ধকারে
ভাসে মর্মন্তুদ ছবি, গভীর ব্যঞ্জনাময়, কায়ক্লেশে
প্রাণ নিয়ে বেঁচে থাকা যেন দুরত্ব থেকে দুরত্বে।

অন্ধকারে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখি
দূরের সুউচ্চ দালানের ভিতর থেকে রংবেরঙের
স্থির লম্বা আলো বেড়িয়ে আসে, নিছক ছিটকে পড়া,
প্রীতিপ্রদ আকর্ষণ, আমাকেও সঙ্গে জড়ায়, সেই সাথে
আকাশে-বাতাসের কষ্টরাও অভ্যর্থনা জানায়।

সম্মুখ দিগন্ত জুড়ে ভয়, ভেসে চলে হৃদয় একা
দেখার কিছুই নেই, খেলার কোন নিয়ম নেই ,
এক অজানা খেলা, বন্ধ দরজা খুলতে নেই, প্রতিবেশীর সঙ্গ নেই, ভালোই আছি, কোন ভয় নেই
কেবল পাথরের ভিতর পা ছড়িয়ে বসে থাকা, দেখি
পরম কর্তব্যপরায়ণ সন্তানের মুখে অভিমানের ছাপ।

আঁধার আর আলোর নিরঙ্কুশ ভালোবাসা
আধুনিকতার শরীরে লেখা নষ্টালজির ইতিহাস,
চক্করে ঘুরছে নীল আকাশের তলায়,
কাঁদিয়ে ফিরছে বনবাদাড় দাপিয়ে।

তাকিয়ে দেখ উঠেছে সূর্য, বাজছে ঝুমুর, বন আলো করে ছুটে আসছে মহিমা, উড়ছে বিজয় নিশান, মানবিক মানঅভিমান ভুলে অনাগত ভবিষ্যতের কষ্টরা মায়াবী হাতের স্পর্শে শীতল হবে।
________________________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ২/০৬/২০২০ ইং তারিখের সেরা
কবি:মিল্টন সমাদ্দার
কবিতা:অতন্দ্রিলা
কবি:সোনালী বসু
কবিতা :ছোট্ট টুনটুনি
কবি:শংকরী সাহা
কবিতা:স্মৃতির মাঝে'এর জন্য।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক মানব মনের ভালোবাসার ঘর
যেখানে ছোট্ট টুনটুনিও বাসা বাঁধবে মায়ার বাঁধনে।
স্বাগত সকলকে#####################
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
###############################
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
পোস্টঃ ২/৬/২০২০ খ্রীঃ

"অতন্দ্রিলা"
মিল্টন সমাদ্দার

অতন্দ্রিলা!
উন্মাদ আমি তোমার প্রেমে;
যখন আমার চোখ অর্ধোন্মীলিত-
রাত্রি গভীর নেমে।
শ্রুতি আর স্মৃতি, ডেকে বলে শোন্-
"কুন্ডলিনী"- আমার আসন।

অতন্দ্রিলা!
হিমালয় প্রদেশে;
ঘাস লতা পাতা জড়ানো- "তুুমি"
আমার দেহাবশেষে!
যে বাঁশীর সহস্রারে তোমার অবস্থান;
তাঁর স্তনমন্ডলে আমার নিথর প্রস্থান।

অতন্দ্রিলা!
যা ব্রহ্মের জপে দেবযানে ভেসে আসে-
তোমার অধরামৃত;
আমি মৃত নই! আমি মৃত!
তোমার উন্মাদ প্রেমে- "আমি অমৃত"!!

আহা! প্রেম সরোবরে; হাবুডুবু তোমার-
যেন কস্তূরী মৃগ অনুরাগে!
ঐ নির্বাক পলকের আগে।
আর পিশাচীর পলায়ন- "সিদ্ধগন্ধ";
তোমার তন্দ্রাদুয়ার সু-দিব্যবন্ধ।

অতন্দ্রা!
তোমার হৃদয়ে হাত রেখে বলো- একটিবার;
আমায় ভালোবাসোনা!
চুপ কেন?
অধীর আগ্রহে আমি-
তোমার মুখাবয়বের সান্নিধ্যে;
যখন তুমি- তুমিই নও!
যেন আমার মধ্যে।
তখন নিশার হয় শেষ;
পরা দৃষ্টির রূপ বিশেষ।

অতন্দ্রা!
আমি উন্মাদ তোমার প্রেমে;
যার পরিনতি অবয়ব ঘেমে।
আর আয়নার পরপারে কমলের চোখ-
তোমার আলিঙ্গনে সে দিব্যলোক।

আহা! মরি মরি; ধরো ত্বরা করি;
প্রাণ যায় প্রেমে!
লাভালাভ না বুঝি; তোমারেই যে খুঁজি;
দেবার দামে।
কি যে হলো এ আমার; না পারি যে বুঝাবার;
পাষাণ তুমি!
ধরো এ মনের বীণ; কে আছো হে তুমি বিন;
হৃদয় চুমি।

অতন্দ্রিলা!
এইখানে বোসো চুপটি করে,
না-না! কথাটি বোলোনা- মুখটি তেড়ে।

সঙ্গীহীন রাত্রিদিন হই বিলীন;
যার আভাস পায় বাতাস এই নিশাস!
তার কথা কান পাতা সেই লতা;
যেই পরা অধরা মন হরা।

অতন্দ্রা!
আমি উন্মাদ তোমার প্রেমে;
যার পরিনতি অবয়ব ঘেমে।

হায়! কপাল আমার-
কি অসুখে সুখী, নির্বাণ মুখি;
মুক্তি চাইনা আর!
হায়! কপাল আমার।

মুক্তির পারে- যে প্রেমবাণ মারে;
তাঁর নেশা ছাঁটা- ক্ষমতার পারে।
আহা! মরি মরি; তন্দ্রা যে হরি;
প্রেমের বাগানে!
আঁখি মুদে যার; প্রেম বোঝা ভার;
বিষয়ের নয়ানে।

অতন্দ্রিলা!
তুমি কার কবেকার মনভার বুঝাবারে;
কেঁদেছো হেসেছো দেখছো যে তাঁরে।
যার কথায় ঝরা পাতায়- বিলাপের সুর ধায়;
যার আশে যে বাসে- রয়েছো যে তাঁর বায়।

অতন্দ্রা!
একই কলেবরে- যেন "তুমি" আমি হরে;
প্রেমের দাপাটে!
আর কলঙ্ক ঝরা- হায়! জলহীন মরা;
এ সুর কপাটে।
আহা! মরি মরি; ধরো ত্বরা করি;
প্রাণ যায় প্রেমে!
লাভালাভ না বুঝি; তোমারেই যে খুঁজি;
দেবার দামে।

তন্দ্রা!
জগৎকুন্ড সকল- কামরূপ দেবতার বাহু দলে;
কাঞ্চনা মৃগী!
তার তপ্ত নিশাস ছাড়ে ডুমুরের ফলে।

কিংকরী! দাস করি; নেয় জোর কবলে;
মন্তরে ভ্রান্ত-রে; আপনার যে বলে।
লোক তিন বাজা বীণ; প্রেম জোটেনা;
আসে যায় তিনতালে; তৃষা মেটেনা।

অতন্দ্রা!
প্রেমের দিব্যি তোমায়- আমায় ছেড়োনা;
সাত্ত্বিক ময়ূরের মতো-
খুঁটে খুঁটে ভোগ করো; জ্বালায়-পাকা ধান;
তোমার আসায় যখন-
বাসনার নেশা হর; হৃদয় অম্লান।

অতন্দ্রিলা!
প্রেমের দিব্যি তোমায় দিলাম;
আহা! মরি মরি; ধরো ত্বরা করি;
প্রাণ যায় প্রেমে!
লাভালাভ না বুঝি; তোমারেই যে খুঁজি;
দেবার দামে।

----------------------------------

২৪শে মে ২০২০ খ্রীস্টাব্দ
১০ই জৈষ্ঠ্য ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
রবিবার, রাত্রি তৃতীয় প্রহর।
দত্তপাড়া, টঙ্গী, গাজীপুর।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
ছোট্ট টুনটুনি
সোনালী বসু
তারিখঃ০২/০৬/২০২০

প্রতিদিন ভোরে আমলকীর ডালে
এ ডাল ছেড়ে ও ডালে ঘুরে খেলে
তারই গান শুনে সকালের ঘুম ভাঙে;
ঐ পাখির ভালোবাসার টানে হৃদয় রাঙে!
কি তার কথা মনের ভাষা বুঝতে  পারিনা
তবু রোজ সকালে তারে আমি করি কামনা;
ও  আমার মনের ভাষা বুঝতে পেরেছে
তাই বুঝি সে সকাল হলে আসে কাছে।
কী যেন সে বলে আমায় লেজ নেড়ে
ঐ পাখি  আমায় কভু যাবে কি ছেড়ে?
কাল বুঝি সে আমার পরে হয়েছিল রাগ!
তাই বুঝি সে লুকিয়ে ছিল করে অভিযোগ।
রাগ কর কেন তুমি ছোট্ট পাখি টুনটুনি
তোমায় তো আমার বন্ধু বলে আমি মানি;
ভাবছি বসে বসে তাই আপন মনে মনে
ও যে বাসা বেঁধেছে আমার মনের কোনে!
আমায় ছেড়ে যদি সে কভু চলে যায়!
সে ব্যথা সইবে কেমনে করে এ হৃদয়।
আমি তো পড়েছি ঐ পাখির প্রেমে
সে যে বেঁধেছে আমায় তার মনের ফ্রেমে;
প্রতিদিন ভোরে সে আমায় গান শোনায়
মনের কথা বলে সে তার গানের ভাষায়
আমি তো কিছুই তাকে দিতে পারিনা
শুধু চেয়ে চেয়ে থাকি হয়ে আনমনা।
ওগো টুনটুনি তোমার গান মনে রবে চিরদিন
আমার ভালোবাসার পাখি ভুলবনা তোমায় কোনদিন!!
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
স্মৃতির মাঝে
শংকরী সাহা
তারিখঃ ০২/ ০৬/২০২০

সকলে করে অপেক্ষা তোমার তরে,
তুমি আসবে কোন এক অবসরে,
তুমি এলে না আর ফিরে,
চলে গেলে দূর বহুদূরে।

তোমার জন্য গাছে ফোটে না ফুল,
পাখি আর গায় না গান,
বৃক্ষরাজি আজ করে রোদন,
কান্নায় ভেসে যায় নদীর দুকূল।

তোমার আশিষে ভরতো ভুবন
তোমায় করেছিলো সবে আপন,
তুমি ছিলে দুঃখী জনের স্বজন,
ভুবন মাঝে তুমি এমন একজন।

ফুটাতে সবার মুখে হাসি,
তুমি ছিলে দুঃখীজনের দরদী
তুমি আজ হয়ে গেছো পরবাসী,
তোমার জন্য কাঁদে বনের পাখি।

ভুবন মাঝে তোমার স্মৃতি ভরা,
তুমি আছো সকলের হৃদয় জুড়ে
তোমায় হারিয়ে সকলে দিশেহারা,
তোমার স্মৃতি আলোকিত করে ধরা।
______________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ০৩/০৬/২০২০ই তারিখের সেরা
কবি:অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়
কবিতা:মা ও মাধবীলতা
কবি:শেফালী হোসাইন
কবিতা:হৃদয় দহন
কবি:রিতুনুর
কবিতা: ভুলে যাবো আমি'র জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে#####################
কলমের শৈলী হোক মা ও মাধবীর মত স্বচ্ছল চেতন রঙ আর হৃদয়ের অনবরত কথা উতরে গিয়ে পড়ুক পৃথিবীর সৌন্দর্য লোকে,ভুলে যেতে যেতে অপেক্ষা করবো পরম সত্য প্রেমে।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
#################################
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
মা ও মাধবীলতা
  অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়

সামনে বিস্তৃত খেলার মাঠ, চারিদিকে আম গাছ
তার এক পাশে থাকার কয়েকটা আবাসন
এরকম একটা আবাসনে, মা
বড় করেছিলেন মাধবীলতা
ছাদ ছাড়িয়ে যখন আকাশের দিকে...
চলে যেতে হয়েছিল অন্য বাড়িতে
মা আর মাধবীলতা র সখ্যতা  আবার
নতুন বাড়ির উঠোনে
সকাল যায়, সন্ধ্যা যায় মা জল দেয়, কথা বলে
মাধবীলতা শোনে, হয়ত বলে, মা'ই বোঝে
শুধু দ'জনেরই একান্ত কিছুটা সময়.....
আমার শৈশব, কৈশোরে, বাল্যকাল
জড়িয়ে  এই মাধবীলতা
ওকে নিয়ে কত যে শীত, গ্রীষ্ম,বর্ষা কেটেছে
আর কত যে রঙিন হয়ে যেত এই মাধবীলতা
তা হৃদয় ই জানে
ঝোড়ো হাওয়ায় যখন দুলে উঠত তখন
ভরা নদী মনে হত......
এখনও মা আর মাধবীলতা অবিচ্ছেদ্য
মা এখনও দেখে উত্তরের জানালা দিয়ে
আর দৃষ্টি বিনিময়ে এক অন্য সুখ.....

# আমার আর মাধবীলতার দূরত্ব
আকাশ আর ভূমির মতন
শুধু আমার দৃষ্টি ভাসে  মেঘের ভেতর
কিন্তু মাধবীলতা এসে ধরা দেয় না.....
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
" হৃদয় দহন"
     শেফালী হোসাইন
/০৩/০৬/২০২০ইং

শুধু তুমি নেই বলে
মর্মে মর্মে হৃদয়ের দহনে হয়েছি ছাই,
হৃদয় হৃৎপিন্ডে নীল ব্যথা
উতরে পড়ে দু' চোখে।
যে দিকে তাকাই আমি শুধুই ধু ধু মরুভূমি,
আজ তুমি নেই বলে মনে হয়
এ পৃথিবী আছে অন্ধকারে ডুবে।
তুমি ফিরে আসলে হৃদয়ের আকাশে উঠিবে লাল টকটকে একটি সূর্য্য।
জানিনা সেই দিন আজো আসিবে কিনা,
সেই কথা ভাবিলে ফাল্গুনের অগ্নি ঝরার মতো
বুকের জমিন ফেটে চৌচির হয়ে আসে
তুমি নাই বলে।
আমার কল্পনা জুড়ে যে গল্পরা ছিলো
আড়ালে সব লুকানো
সেই গল্পরা সব ফেকাসে  হলো পলকেই
তোমাকে হঠাৎ  না পেয়ে যেনো।
তুমি আসলে আমার জীবনে আলোর দিশারি হয়ে
আবার চলে ও গেলে,
আজও আছে সেই পথ শুধু তুমি নেই।
আমার জীবনে সব থেকে ও, কী যেনো নেই
তাই তো তোমায় খুঁজে যাই প্রতিক্ষণে,
আমার ভালো লাগা গুলো সব
তোমাকে ভেবে সাঁজে রোজ রোজ এই মন,
চেয়ে থাকি দূর, বহুদূরে
যে পথে আজও রয়ে গেছে স্মৃতির পাতায় আর একটি বার ফিরে এসো তুমি,
আমার তৃষ্ণার্ত ভরা মন কাতরে।
গুলিবিদ্ধ ক্লান্ত পাখির মতো আমি
বটবৃক্ষের ছায়া খুঁজে চলি
তুমি কাছে নেই বলে।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
ভুলে যাবো আমি।

-------কবি- রিতুনুর।

ভুলে যাবো সত্যি বলছি
আমি তোমাকে ভুলে যাবো
তোমার সাথে কল্পনায়
অনেকটা পথ হাটা হলো
অনেক গুলো রাএি নিদ্রাহীন
চলে গেলো তোমার ভাবনায়।
নিস্তব্ধ গোধূলি সন্ধ্যায় সাগরের পারে দাড়িয়ে
ভিতরটা অস্তির করছে
কি এক যন্ত্রণায় l
তোমাকে ভুলে যাবো
ভুলতেতো  হবেই কারন তুমি আমার কে?
তারপরও আর একটু অপেক্ষা l
একবার ভেবে দেখিও
অন্ধকারে আমি কাঁদলে
কেমন দেখাবে এই দৃশ্যটি
তোমার এই ভাবনাটুকু পর্যন্ত
আমি অপেক্ষা করবো l
আমি তোমাকে ভুলে যাবো
এ কেমন ভাবনা আমার
কেমন করে ভুলে যাবো আমি!!
হাজারটা প্রশ্ন হৃদয় বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে
আমার পায়ে হাঁটা পথে
যন্ত্রণার আস্তরণ এখন।
বিদঘুটে কালো এক,
নৈরাজ্যের  হাহাকার।
আমি সব ভুলে ভাবছি ,
তোমাকে  ভুলে যেতে হবেই
তুমি ছাড়া যে আমার
আকাশ ভরা মেঘ আর মেঘ
আচ্ছা বলতো?
আলো ছাড়া কি মানুষ বাঁচে!
তা হলে আমি বাচঁবো কি করে আঁধারে
এই প্রশ্নের উত্তর আশা পর্যন্ত
আমি অপেক্ষা করবো।
আমি তোমাকে ভুলে যাবো।
যখন আমি থাকবো না !
আমি তোমাকে ভুলে যাবো,
যখন তুমি আমাকে দেখবে না l
আমার জন্য চরম সত্য
তোমাকে ভালোবাসা।
আর মিথ্যে হবে তোমাকে
ভুলে যাওয়া।
কিন্তু তোমাকে ভুলে যাবোই একদিন
যে দিন পৃথিবীর মায়া ভুলে যাবো।
°____________________°__________°____

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৪/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:হাসানুজ জামান
কবিতা: আমি তখন নেই
কবি:রফিকুল ইসলাম রাজু
কবিতা :চোরাবালি
কবি:মলয় বাগচী
কবিতা:স্বার্থের খপ্পরে'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগতসকলকে######################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক জীবনের যুদ্ধ জয়ের নেশা।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক:গাঙচিল অনলাইন, ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ
################################
আমি তখন নেই
                        ০৪/০৬/২০২০
                        হাসানুজ জামান বড়ভূইয়া  

তুমি করবে সেদিন বিশ্বাস ফেলব চির নিঃশ্বাস
দামকা হাওয়ায় বিলিয়ে যাব করছি আমি আশ্বাস!
পূর্ব নভে উঠবে রবি পশ্চিম পারে পড়বে ছবি
শশী-তারকায় জাগবে নিশি বিধি তখন দেখবে সব‌ই।
তখন থাকব নারে মর্মবেদে মুক্ত হারা প্রদীপ জ্বেলে
করবে পরস আমার পণে অশ্রুজলে ফুলের তোড়ে!
তুমি করবে সেদিন বিশ্বাস ফেলব চির নিঃশ্বাস
তুমি মৃত্যুর কপাট নক করিবে মরণবেদির বিশ্বাস!
আমায় তখন দেখবে নারে থাকব বহু দূরে
কবিতা মোর চাপবে বুকে আপন ঘরে নয়ন ঝরে।
তখন করবে হায় হুতাশা দিবারাত্রে পড়বে কবিতা,
প্রেমের আলোক দেখবে তখন হব আমি প্রিয়তা!
তখন শুধু পড়িস বাধ্য হয়ে তথা লেখা বাদীর লেখা
তোমায় যদি নাই পেতাম ছন্দ রসের আকুল দেখা!
হয়তো সে নেশা সেঁজে আসত না মোর কলম চেপে।
ধ্বনির সাথে ছুঁয়া লেগে কাঁদত না সে উষ্ণ তাপে!
তুমি করবে সেদিন বিশ্বাস ফেলব চির নিঃশ্বাস
কালি যেদিন ফুরিয়ে যাবে ভাসবে শোকের হুতাশ।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
🌲চোরাবালি🌲

মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজু

যাবার আগে সূর্য্যের দরজাটা খুলে যেও,
ও পথে তোমার পায়েরছাপ লক্ষ্য করে
ঝড়ের বেগে আগুনের লেলিহান আসবে।
যাবে যাও তোমাকে আটকাবো না,
আমায় থেকে তুমি বিচ্ছিন্ন হবে!
বাঁধা দেবো না তোমার মনকে।
বহুদূর থেকেই ভালোবাসার জন্য,
আমি বেঁচে যাবো তমসার পথ খুঁজে।
বুকের যে জায়গায় তোমার হাতের
ছোঁয়া লেগেছিল,
সূর্য্যের বাড়ী থেকে চঞ্চুর ছিটানো দাবানল।
ওর চেয়ে বেশি পোড়াতে পারবে না!
হয়তো মন পুড়বে হৃদয়ও পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
কিন্তু আমার আত্মা!সে বেঁচে রবে,
আদিমত্তার আকাঙ্ক্ষায়।
যে পথে তুমি এসেছিলে,
আগুন আসবে সে পথে।
আজ আকাশে মেঘ নেই,
বৃষ্টি হবে না ধরণীর ওষ্ঠে।
আমিও পালাবো না তোমার পদচিহ্ন থেকে,
তোমার জন্য আমি জ্বলতে পারি।
আদিকালের ডাকে।তুমি যাও,
তোমায় বলবো না আমার বাঁচার পথ খুঁজে দিতে।
যতক্ষণ আমার পোড়া মনের অবশিষ্ট দেহ,
তোমার ভালোবাসার চোরাবালিতে ডুবে না যায়।
এতটুকু সময় ধরে শুধু চেয়ে দেখবো,
কখন তুমি মিশে যাও ধ্রুমজালে।
ধূ-ধূ বালুচরে কিংবা গহীন অরণ্যে,
নগ্ন পায়ে নিষিদ্ধ চোরাবালির সূদুর পথে।

০৩/০৬/২০২০ইং,বেলাঃ-১১ঃ১০ মিঃ। 

জামালপুর সদর
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
স্বার্থের খপ্পরে
-------------------
=====মলয় বাগচী//---৩ জুন,২০২০

এখানে স্থায়ী হবে না সততা
     যেখানে প্রচেষ্টা উপেক্ষিত।
এখানে করবে না কেউ উদ্ভাবন
    যেখানে  অঙ্কুরেই কালক্ষেপন।
        যেখানে স্বার্থের কাছে
সন্তানের পরিচয় হয় বেজন্মা।
যেখানে আলোকিত চোখ নেই
থাকলেও  ঢেকে দেয় লালসার পর্দা।
বিরোধ ,মিথ্যা রটনা যেখানে  উত্তরণসিঁড়ি
  সবকিছু যেন বিষিয়ে দেয় সাধারণের মন।
    সুকর্মের সমর্থকরা দেয় গা ঢাকা
    মিথ্যা রটনায় ঘুরে ভাগ্যের চাকা।
পিতার মৃত্যু হয় সন্তানের ভাগ্য বদল
নাড়িয়ে ল্যাজ কসাইয়ের কুকুর সখ্য।
মাকে তুলে দেয় খদ্দেরের হাতে
    একটু লোভ পূরণের আশাতে।
যদিও অভিষ্ঠ হয় না পূরণ
মীর জাফরা যুগে এমন আশাই করে
  পরে মারা পড়ে,না হয় চিরশত্রু বিধর্মীর দেশে
    বিধর্মী সেজে মিথ্যে বাঁচার প্রয়াস করে।

  সংগ্রাম,সংকটে যোদ্ধারা যুদ্ধ করে
প্রাণ দেয়,
নতুন ভাবে বাঁচাতে চায়,বাঁচতে চায়।
  ব্যর্থতার গীতিকার নতুন করে গান রচনা করে
   এভাবেই হয় ইতিহাসের পালাবদল।
যোদ্ধাদের সামনে আবার আন্ধকার প্রাচীরে  ঢেকে যায়,
ব্যর্থ নিঃশ্বাস সান্ত্বনার ভাষা হারায়।
প্রজন্মের অবশিষ্ট কেউ আলো জ্বালোনোর
   ক্ষীণ আশে বেঁচে থাকে প্রাণ।
    
       - -------******-----

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ০৫/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:মঞ্জুলা বর
কবিতা:ঋতু
কবি:ফেরদৌসী আক্তার নদী
কবিতা:হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি
কবি:জাহানারা খাতুন
কবিতা:কেমনে শুধিবো ঋণ'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক জীবনের গাঁথা, প্রকৃতির মাঝে প্রানচঞ্চলাতায় হারিয়ে যাওয়া অনুভুতির প্রকাশ।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
###################🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
দৈনিক  প্রতিযোগিতা
বিভাগ  - হাইকু
বিষয়  - ঋতু
কলমে  - মঞ্জুলা বর 
তারিখ -05.06.2020

           তীব্র গরম
       ধরণী বসে কাঁদে
            কষ্ট চরম ।

           ঝম ঝমিয়ে
         নামল বৃষ্টি ধারা
             তাপ দমিয়ে ।

             পুজোর গন্ধে
         ভাসে মেঘের ভেলা
              মধুর ছন্দে ।

           ভোরের আলো
       শিশির ভেজা ঘাসে
            দেখতে ভালো  ।

            কাঁপন লাগে
         চায় শীতের কাঁথা
            স্বপন জাগে ।।

            রঙিন সাজ
       কোকিল দেখে ডাকে
            বসন্ত রাজ ।
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
[] কেমনে শুধিবো ঋণ...[]
"""""""""" জাহানারা খাতুন।

তুমি ছিলে অনেকের স্বপ্ন পুরুষ
সুদর্শন, মার্জিত অমায়িক বন্ধুবাৎসল সুপুরুষ
তোমার তরে অনেক হৃদয় ব্যাকুল ছিলো
তুমি! তারপরও আমার কষ্টে আহত হলে
আমার মতো জলে ভাসা পদ্মের জন্য
নিজেকে উজাড় করে দিলে।

ভাসমান শেওলার মতো মাতৃহারা আমাকে;
আমার নিষ্ঠুর, নির্মম ভালোবাসাহীন পৃথিবীকে
ভালবাসা স্নেহ মমতায় ভরিয়ে দিলে।
ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাত ও বাঁধাময় জীবনকে
অতি সহজ বসবাস যোগ্য করে দিলে
যেখানে আমি নিঃশ্বাস নিতে পারি।

তোমার ভালবাসায়, শ্রদ্ধায়...
আমার বাবা ছিল মোহিত, আনন্দিত, বিগলিত
আমার ছোট ভাই...
তোমার ছত্র ছায়ায় পিতৃময় স্নেহ-মমতায়
তোমার মতো বটবৃক্ষের ছায়ায় নিরাপদ জীবন পেয়েছে
আমি পেয়েছি আমার নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দময় জীবন।

শুধু তোমার জন্যে, আমি আজ মুক্ত স্বাধীন
প্রজাপতির মতো ডানা মেলে ঘুরতে পারি
পাখির মতো স্বাধীন হয়ে উড়তে পারি
আমাদের ভালবাসাময় জগতে বিচরণ করতে পারি
স্বপ্ন দেখে বাস্তবায়ন করার সাহস রাখি
তুমি সাথে থাকলে আমি সব পারি।

তুমি ছিলে বলেই সব বাঁধা অতিক্রম করেছি...
পরিশ্রম করে সফলতা ছিনিয়ে এনেছি-
হারিয়ে যাইনি, নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছি
হৃদয়ের কষ্টগুলো নিরবে আহত পাখির মতো কাঁদায়নি
তোমার সান্নিধ্যে সব কষ্ট ধুয়ে মুছে ফেলেছি,
ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করে অনেকটা সফল হয়েছি।

কিন্তু আমার জীবনে তোমার এতো ঋণ
কি করে! বলো কি করে!! আমি শুধিব?
জানি, এ জীবনে এ ঋণ শোধ হবার নয়...!
বিধাতাকে তাই আমি বলি...
" হে বিশ্ব বিধাতা, পর জনমে তুমি আমাকে আমার
সমুদয় ঋণগুলো শোধ করার জন্যে শুধু তার করিও।"

রচনাকালঃ
০৩/০৬/২০২০ইং
_____________________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৬/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি:সোহেল রানা
কবিতা:বুঝতে হয়
কবি:নীল কাব্য
কবিতা:বিষাক্ত
কবি:ভূঁইয়া মো:সোহেল
কবিতা:চোখের তারা'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবতা বিভাগ @
স্বাগতসকলকে###############
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক জীবনের ব্যথার দান,আর প্রকৃতির সাথে কিছু গন্ধ গানে ছুটে যাওয়া দিনের
চুমুকে চুমুকে বিষ পান।নীলাক্ত আকাশের মত নীল
ছুঁয়ে রোদ আলোর আবার চলুক।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
##############################

💐💐💐💐💐💐💐
বুঝতে হয়
@সোহেল রানা
তারিখ:০৬-০৬-২০ইং

কিছু ফুল কিছু সুবাস
কিছু কথা কিছু হাসি
কিছু গান কিছু কবিতা--
এই নিয়ে পথ চলা।


নানান ঋতুর নানান ভাষা
প্রেমিক হতে হলে বুঝতে হয় তাদের কথা।
দেখতে হয় জানতে হয় বুঝতে হয়--
পাহাড়ের মতো শান্ত থেকে
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হয়।


গোলাপ কাঁটায় হাত রাঙিয়ে
গোলাপ ফুলের সুবাস নিয়ে
তাকে রাখতে হয় সযতনে।


মনহারা পাখি বোঝে--
ভালোবাসা হারিয়ে গেলে
তার কেমন কেমন লাগে।


ভালোবাসা সযতনে রাখতে হয়
ভালোবাসা হারিয়ে গেলে
তাকে কি খুঁজে পাওয়া যায়?💐💐💐💐💐💐💐💐
বিষাক্ত
-নীল কাব্য
৬/০৬/২০

বিষাক্ত আমি
প্রতি চুমুকে চুমুকে বিষপানে আমি নীলান্ত!
নীলবর্ণে বিষাক্ত আমি,
আমি তো নই অমৃত
অমৃত সূধা দানে, আমি দেব না তোমায় মুগ্ধতা
মিছে ছলনায় দেবনা ভুলিয়ে, মিছে ভালোবেসে শুদ্ধতা।
আমি নীল, নীলবর্ণে বিষাক্ত আমি
আমি তো নই কাব্য, ভালোবাসার
শূন্যতার মালা ধারণ করি পূর্ণতার রূপে,
তবুও বিষাক্ত ছোবলে প্রতিনিয়ত নীলান্ত
প্রতি চুমুকে চুমুকে বিষপানে আমি বিষাক্ত।
ভালোবাসার লালবর্ণ হারিয়েছে কবে!
অমৃতের সূধা হারিয়ে আজ বিষাক্ত,
স্বপ্নগুলো হারিয়েছে সব কোন সে অতীতে
আজ শূন্যতাকেই ধারণ করে সেজেছি পূর্ণতায়।
তবুও প্রতিনিয়ত জর্জরিত দংশনে
আমার মোহময় দৃষ্টিতে হয়োনা বন্দী,
মুগ্ধ হাসি, মোহময় দৃষ্টির আড়ালে কেবলই বিষ
বিষাক্ত আমি সমাজপতিদের বানানো কারাগারে
দাবানলে জ্বলছে অন্তরাত্মা, প্রকাশ্যে ব্যর্থতা
ইচ্ছে করে গুড়িয়ে দেই , মানুষরূপি অমানুষদের!
মৃত্যু হোক অমানবতার, বেঁচে উঠুক মানবতা
কিন্তু কোথায় মানবতা?
চারদিকে কেবল স্বার্থের জয় পরাজিত ভালোবাসা,
নিরবে নিভৃতে কেবল দংশিত হই
প্রতি চুমুকে চুমুকে বিষপানে,বিষাক্ত আমি!
💐💐💐💐💐💐💐
চোখের তারা
__________ভূঁইয়া মোঃ সোহেল রানা
তারিখঃ ০৬/৬/২০২০ ইং
____________________________

চোখের তারা দু'টিরে
রেখে এসেছি ঘরে,
মনটা আমার ছটফট করে
যেতে চায় উড়ে।

ফোন করিলেই ধরে এখন
লক্ষী সোনামনি,
বাবা তুমি পাষাণ কেনো
বলোতো একটু শুনি?

যাবার বেলায় বললে তুমি
আসবে তাড়াতাড়ি,
তোমার পন্থ চেয়ে থাকি
এখনো আসোনি ফিরি।

জানো বাবা! তুমি যাবার পর
একটুও লাগে না ভালো,
ঘরটা অতি শূন্য লাগে
যেন আঁধার কালো।

আমাদের রেখে কেনো তুমি
থাকো দূরে দূরে,
তোমার জন্য হৃদয়টা আমার
ধুঁকে ধুঁকে পুড়ে।

খাবার সময় তোমার কথা
বেশি মনে পড়ে,
জোড় করেই খাইয়ে দিতে
আদর করে ধরে।

বোবার মতো শুনি আর
অশ্রু জলে ভাসি,
পরিবারের সুখের জন্যই
হয়েছি প্রবাসী।

সান্তনা দিয়ে বলি সোনা
আসবো আমি ফিরে,
খেলনা পুতুল নিয়ে আসবো
থাকবে তুমি নীড়ে।

এমনি করেই কষ্টে কাটে
বাবাদের রাত দিন,
বুকের মাঝে চাপাকান্নায়
শুনি করুন বীণ।
_________________________
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৭/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:পত্রলেখা ঘোষ
কবিতা:অমানিশা
কবি:হাবিবুল ইসলাম
কবিতা:বিপ্লব
কবি:এস,কে সোহানুর রহমান
কবিতা:আমরা করবো জয়'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগতসকলকে##########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক জীবনের সমসাময়িক বেহালা বাদক,শ্রমের ঘামের ন্যায্য চিত্র এঁকে যাক মানবতায়
আর সব হতাশা ডিঙিয়ে বলে উঠুক
আমরা করবো জয়।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ।
#####################
কবিতা
অমানিশা
পত্রলেখা ঘোষ
তারিখ-৭/৬/২০২০
ছন্দ:লঘু ত্রিপদী
(মাত্রাবৃত্ত-৬+৬+৮)

ঘোর অমানিশা         একি দুর্দশা
           নেমে এলো দেশময়,
কেউ কারো নয়         মানবতা লয়
           পদে পদে দুরাশয় ।

কেউ নেই কাছে         রোগে ধরে পাছে
            সবাই থাকে যে দূরে-
কাটছে যামিনী           জীবন রাগিনী
            বাজে যে করুণ সুরে।

মনে পড়ে যায়               কত সুখে হায়
            কেটেছে আগের দিন,
ছিল না'কো গ্লানি           মনে হানাহানি
             মনেতে খুশির বীণ।

করোনার গ্রাসে              মন সদা ত্রাসে
             ব্যথাতে ভুবন ভরা,
মিলবে মুক্তি?                করি যে যুক্তি
               বৃথাই প্রশ্ন করা।

হে দীনবন্ধু                     কৃপার সিন্ধু
            দাও গে পথের দিশা-
তোমার পরশে                সুখের হরষে
           কেটে যাক অমানিশা।
###################
বিপ্লব
হাবিবুল ইসলাম
০৭//০৬/২০২০
***************
ওরা
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে একটা একটা করে
গেঁথে চলে সভ্যতার ইট,
আর মালিক শ্রেণী শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে
লাভের অংক কষে।
ওরা
শ্রমের চাকা সচল রাখে বেঁচে থাকার তাগিদে।
আর এরা করে
আরও বেশি বেশি করে মুনাফা লুটার চক্রান্ত।
ওরা দিন শেষে
ক্লান্ত দেহ নিয়ে ফিরে যায় আস্তানায়।
এরা ওদেরই ঘামে অর্জিত মুনাফায়
সুখের অট্টালিকা গড়ে।
হে শ্রমিক,
তোমাদেরই ঝরানো রক্তে ফোটে,
ওদের সুখের বাগানে তাজা গোলাপ।
তোমরা কাঁটার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হও,
ওদের ড্রইংরুমের শোভাবর্ধন করে।
তবুও থামেনা
তোমাদের এই পথ চলা।
সভ্যতার এই লগ্নে এসেও,
আজও মালিক শ্রেণীর শোষণে বিপর্যস্ত তোমরা।
আজও ......
হরতাল,
লকডাউন
লকআউট
আর ছাঁটাই এর অভিশাপ নেমে আসে,
তোমাদের মাথার উপর।
যে কৃষক তোমার মুখে তুলে দেয় ক্ষুধার অন্ন,
কেন আজও সে ক্ষুধার্ত !
বড় অদ্ভুত লাগে,
কৃষকের কষ্টের ফসলের মুনাফা খায় লোভী মহাজন !
ওই কাস্তে আওয়াজ তুলে
ফসল কাটার কালে,
ওই হাতুড়ি শাবল গাইতিরা সব ডাক দেয় গলা ছেড়ে,
শুনরে কৃষক,
শুনরে শ্রমিক
শুনরে মেহনতি ভাই।
বর্গীরা আর যেন তোদের কষ্টের ফল না খেয়ে যায়।
পড়ে নাও বিপ্লবী মন্ত্র,
গাও সংগ্রামী গান।
যতদিন প্রাণ থাকে ধড়ে,
তোমাদের বিপ্লব যেন দীর্ঘ জীবন গড়ে।
###################
বিষয়:কবিতা

শিরোনাম: আমরা করব জয়

কলামে :এস.কে সোহানুর রহমান সোহাগ

তারিখ:০৭-০৬-২০ইং

করোনা যে অনেক ভয়ংকর,
করোনাকে কি করবো না আর আমরা ভয়?
সচেতনাতা মেনে,
করোনাকে আমরা করব জয়।।

করোনা যে বিশ্বে এখন তৈরি করেছে ধ্বংসস্তূপ,
করোনা তো ক্রমেই পাল্টাচ্ছে তার রূপ,
পৃথিবী এখন হয়ে গেছে,
এক পানিশূন্য কুপ।।

বিশ্বের সব দেশেরই ভয়ঙ্কর এখন পরিস্থিতি,
ক্রমেই বিশ্বের অবস্থা হচ্ছে অবনতি,
করোনা ভয়াল থাবা থেকে, বাদ যায়নি এখনো কোন জাতি ।।

করোনা এখন পৃথিবীর মানুষের জন্য,
এক আতঙ্কের নাম!

নিজের জীবন পর জীবন দিয়ে,
দিতে হচ্ছে এর প্রতিদান।।।

আমরাই করব জয়,
করব না আর করোনাকে আজ মোরা থেকে ভয়,
সব নিয়ম মেনে করোনা  নামের আতঙ্ককে,
আমরা করব মোরা জয়।।।
_________________________________________

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৮/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:অলিউর রহমান
কবিতা:পরিত্যক্ত জেলে পাড়া
কবি:মোল্লা জামান
কবিতা:ছোটবেলার স্মৃতি
কবি:মাসুমা খাতুন
কবিতা: ফেরারি সুদিন'এর
@ প্রতিদান কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে###################
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক আত্মপরিচয়ে মধুমতির  কোল ঘেঁসে ছোট্ট চড়ই পাখির সাথের শৈশব, দুপুরের
জলোগন্ধে সাঁতার ও জেলে পাড়ায় ঘুঘুর মত ঝুমুর গলা প্রভাত।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন, ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদ।
###############################
🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴
দৈনিক কবিতা বিভাগ
**** পরিত্যক্ত জেলে পাড়া******
শেখ অলিউর রহমান
রচনা:তা ৩রা মে'২০২০ইং
২০শে জ্যৈষ্ঠ,১৪২৭বা
পোষ্ট: ৮ই জুন,২০২০
জেলে পাড়া লক্ষী ছাড়া দেখতে যদি চাও
চিতল মারির  চিতল নিয়ে  বড়-বাড়ীয়া যাও ৷

ছাঁয়া কুঞ্জে লতা পাতায় শীতল করা ছাঁয়
মধুমতির কোল ঘেষা আমার নিজো গাঁয় ৷

যেথা ছিল বড়-বাড়ী বড়মিয়ার পৃত্রি নিবাস
আরো ছিল চাষী প্রজা  হিন্দু জেলের বাস ৷

ঘরে ছিল খড়়ের ছাউনী চেরা বাশেঁর খুঁটি
বসত যেন চড়ুই পাখির রসদ ছিল রুটি ৷

চৈত্র মাসে ভর দুপুরে খড় ঝনঝন করে
ঝড়ো হওয়ায় দোলে ঘর ব়শি টনটন করে ৷

তারি তলে জেলে পরিজন থাকে বছর ভরে
বাদলা দিনে ঝাঁপটা এসে এধার ওধার করে ৷

পেটটি ভরে পায়না খেতে, জাগ্ না বুকের হাঁড়,
সাক্ষ্য দেয় উপোস-উদর গেছে কদিন  তার।

কাটে ভয়ে জাগে রাতি চালাটি যায় উড়ে
নিকোশ কাল আঁধার রাতে মনটি ব্যথায় পোঁড়ে ৷

পরণে তার শতেক তালির গৃহলক্ষী রানী
স্যাদলা তাহার গায়ের বরন গাত্রচর্ম টানি ৷

ভোমর-কালো আঁখি পানে নিথর করুন হাসি
সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি।

ঘুঘুর মত  ঝুমুর গলা  প্রভাত হতে জাগে
কথন ধরন কর্কশ পানা জানু কাঁপে রাগে ৷

জেলে-পুতের বসত বাড়ি  মধুমতির ধারে
চেলা পুঁঠি ব্যাঙের ছানা  বক কিলবিল করে ৷

লতা পাতার পঁচান রসে   বিষ গুলিছে জলে,
সেই জলেতে রান্না খাওয়া জেলের জীবন চলে।

পেট মুঁচড়ায় পেট কাঁমড়ায় ডাইরিয়া ঘরে ঘরে
জল-পড়া উদর হড়ায় শতেক জেলে মরে ৷

দু'রাতে উদর রোগে উজাড় হল পাড়া
রইল পড়ে বসতবাটি লক্ষী বসত ছাড়া ৷

এখন যেথা দেখবে তুমি উঁচু ছাড়া ভিটা
আরো আছে মিষ্ট আম তাল রসের মিঠা ৷
*********0**********-
কবিতা - ছোটবেলার স্মৃতি
মোল্লা জামান
তারিখ - ০৮/০৬/২০২০

মনে পড়ে আজই ছোট্ট বেলার কত কথা কত স্মৃতি
জামগাছে অই গামছা ঝুলিয়ে দুলেছি দোদুল নিতি।
নজু, বজু, ফজু, সাগর, সুশীল খেলার সাথিরা দূরে
তাদের স্মৃতি যে হৃদয়ে এখন বাজিছে করুণ সুরে।
লাটিম ঘুরানো, গুড্ডি উড়ানো, কানামাছি ভোঁ ভোঁ খেলা
মিছেমিছি কত চড়ুইভাতি, বসে যেত বাজার মেলা।

পুকুর আর বিলে ভরদুপুরে কেটেছি সাঁতার কত
মায়ের বকুনি, বাবার শাসন মানিনি যে অত শত।
জলের তলে ডুব সাঁতারে ভেসে গেছি যে অনেক দূর
বক্ষ  কাঁপেনি  এতটুকু  ভয়ে  করেনিকো  দুরুদুর।
শাপলা-শালুক, তুলেছি পদ্ম, খুঁজেছি ঝিনুক মোতি
হৃদয়ে  অনেক  খুশির  বন্যা, ছিল  নাকো  দুর্মতি।
কলার গাছের ভেলাতে চড়েই বাইচ খেলেছি বিলে
আজো সেই খুশি তরতাজা হয়ে জাগরুক আছে দিলে।

চৈত্র-বোশেখে আমের কড়ালি ঝাল-নুন-তেলে মেখে
খেয়েছি যে কত একসাথে বসে বন্ধুরে নিয়ে ডেকে।
সুপারি পাতায় কাউকে বসিয়ে টেনেছি গাড়ির মতো
আমিও বসেছি, ওরাও টেনেছে খুশিতেই গদগদ।

অথচ এসব সুযোগ এখন শিশুদের থেকে দূরে
বাড়িতেই আর কোচিংএ শুধু জীবন তাদের ঘুরে।

রাজশাহী ৩১/০৫/২০২০
🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱
ফেরারি সুদিন
     ***********
          মাসুমা খাতুন

এ-দুঃসময় কি করবো কি করবো না
টানাপোড়েনে বিধ্বস্ত মন
ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থা
আর নু্য়ে পড়া শাসন
জমা খরচের হিসাব কষি
বেড়ে চলে কেবলই ঋণ
টালিখাতা আগলে ভাবি
আসবে কি সেই-সে সুদিন ?
__________________________________

No comments:

Post a Comment

প্রকাশিত হলো গাঙচিলকণ্ঠ আসাম, বর্ষ ৩, সংখ্যা- ১ম

রফিক উদ্দিন লস্কর  সম্পাদিত সাপ্তাহিক সাহিত্য 'ই'- পত্রিকা "গাঙচিলকণ্ঠ আসাম" প্রকাশিত হলো ৩য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা-১৩/০১/২০২৩ইং ...