শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ৯/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:কাজী এম হাসান আলী
কবিতা :মায়ের দোয়া
কবি:রতন চন্দ্র দেবনাথ
কবিতা:বিবর্তনের উল্টো যাত্রা
কবি:সোনালী বসু
কবিতা:হাসি খুশি'জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে########
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক মাতৃবন্দনা ও মনুষ্যত্বের জয়গানে প্রেম সত্য হোক।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক:গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
#################
দৈনিক সেরা ৩ প্রতিযোগিতা
তারিখ : ৯/৬/২০ ইং
মায়ের আদর
কাজী এম হাসান আলী
মায়ের দেয়া আদর যত
সোহাগ ভরা চুমু,
মায়ের দুধ মুখে আমার
বলতো যাদু ঘুমু।
আদর মাখা নরম হাতে
মাথায় দিতো বুলে,
কতো কষ্ট করতো মায়ে
রাখতো মোরে কোলে।
আজো আমার মায়ের হাতে
খাবার লাগে ভালো,
মা যে আমার সবার সেরা
খোদার দেয়া আলো।
মাযের কাছে আরজি সদা
অধম ছেলে করি,
দোয়া করিও নামাজ পড়ে
বলছি পায়ে ধরি।
মোর বয়স অর্ধ শত
খোকা মায়ের কাছে
সোহাগ ভরা মায়ের ভাষা
আমার আজি আছে।
#################
হাসি খুশি
সোনালী বসু
তারিখ :০৯/০৬/২০২০
খুব অভিমান করেছো তুমি
বুঝতে পেরেছি তো আমি;
তাই আজ শোনালেনা গান
চলবে এ অনুরাগ কতক্ষণ!
আমি তোমাকে নিয়ে লিখি
আমি অনেক অনেক সুখী
বুঝতে হয় সে মনের ভাষা
সহজ নয় এত ভালোবাসা;
মন বলে যেকথা তোমার
ভুল হয়না বুঝতে আমার;
দেখা হবে একদিন জানি
প্রেম সত্য একথা মানি!
সময়ের ব্যবধানে আজ
কতকিছু ভুলে যাই রোজ
দুরত্ব শুধু হয়েছে পথের
মনে মনে তবুও একাকার!
রাগলে তোমায় মিষ্টি লাগে
এমন রূপ দেখিনি আগে;
রাগ করো না সামনে চল
মনে প্রেমের আলো জ্বালো।
সুখের পিছনে দুঃখ চলে
সময়ের সাথে জীবন দোলে
চাঁদে কলঙ্ক স্নিগ্ধ আলো
সবাই তাকে বাসে ভালো!
করো না অভিমান তুমি আর
তোমার হাসি অনেক সুন্দর
হাসির ঝর্ণাধারায় ভেজাও মন
খুশির বৃষ্টিতে চলো ভিজি দুজন!!
#################
বিবর্তনের উল্টা যাত্রা!
রতন চন্দ্র দেবনাথ
৯ জুন,২০২০ খ্রি:
সময়ের সাথে সাথে অনুভুতিগুলো কি স্নায়ুবিহীন হয়ে যাচ্ছে?
কালের বিবর্তনের সঙ্গে চেতনগুলো কি ফ্যাকাসে হয়ে পড়ছে?
মনটা কি সত্যিই স্নায়ুবিক বৈকল্যে ভুগছে,পীড়াগ্রস্ত হচ্ছে?
সুড়সুড়ি আর কাতুকুতু কি যান্ত্রিকতায় নিজস্ব বৈশিষ্ট্য হারাচ্ছে?
একদিন যা আনন্দের উৎস ছিলো, অনুভুতিতে নাড়া দিতো,
আজ তা বিরক্তির কারণ,স্নায়ু তাড়িত করেনা আগের মতো।
সুখানুভূতি , রম্য-রসের বদলে যন্ত্রনা আর তিক্ততার আধিক্য,
অসাড়,আড়ষ্টতা গ্রাস করেছে সব,প্রত্যুষেই চলে এলো বার্ধক্য।
ভুতি,অনুভুতিগুলো ঝং ধরা নিস্তেজ,মৃতপ্রায় চেতনা রহিত,
জীবন আজ সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে গড়া বোধহীন বিরহ
দয়িত।
আনন্দ,আহ্লাদে ভাটা- উবে যাচ্ছে কর্পূর আর বুদবুদের
মতো,
মন-মনন,হৃদয়-আত্মায় মহাখরা মরুতাপ,প্রাণহীন জরা
গ্রস্ত।
কীট,কীড়া,পোকার আক্রমনে মন-মানস আজ স্বরূপ
হারা,
মনে শুধু গড়লের ঢল -যেখানে ছিলো প্রবাহমান অমৃত
ধারা।
মনের সারল্য, উদারতা গ্রাস করেছে অমাবস্যা আর
অপচ্ছায়া,
সুচিন্তা,সুচিতা,পবিত্রতায় ভাগাড়, নর্দমার অসহ্য দুর্গন্ধ
অপয়া ।
যারা মনে করেন বানরের বিবর্তিতরূপ আজকের সভ্য মানুষ,
শংকাকি জাগে তাদের বিবর্তিত মন হয়ে যাচ্ছে স্নায়ুহীন
ফানুস?
বিবর্তনের যাঁতাকলে পিষ্ট মানুষ,হারালে মনুষ্যত্ব হবেটা
যে কী?
পুনশ্চ প্রথম থেকে শুরু করে পূর্বপরিচয় ধারন করবে নাকি?!
_____________________________________________
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ১০/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা কবি:জি এম রুহুল আমিন
কবিতা:মেঘ ও জীবন
কবি:প্রবীর কুমার চৌধুরী
কবিতা:আজ কেউ ভালো নেই
কবি:সোহেল রানা
কবিতা:আমি ভালোবাসি'জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ@
স্বাগত সকলকে
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক দেশ প্রেম ও স্বাধীনতার ইতিকথা।প্রকৃতির উপর যান্ত্রিকতার দূষণে আজ ভালো নেই কেউ,মেঘ ও জীবনের আচ্ছন্ন বিষন্নতা ঘিরে মানসিক যে প্রতিফলন ঘটুক তার উত্তরণ।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ।
🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵
কবিতাঃ মেঘ ও জীবন
--জি এম রুহুল আমিন
১০.০৬.২০২০
মেঘের সিক্ততা ছুঁয়ে যায় ধরণীর তৃষ্ণার্ত প্রাণ
চাতকের অপেক্ষা বুঝি ফুরোবে এবার
তৃষিত প্রাণে বেদনার উপসর্গ মৃত্যু ডেকে আনে
পথচাওয়া প্রহর তবু হয় না অবসান
অবহেলা সয়ে যাই কান্নাভেজা চোখে
শোণিতের ধারা বয় ক্ষীণতম বেগে
আশায় আশায় বসে থাকি
মেঘের ভেলায় ভেসে সুখ উড়ে যায়
শস্যভরা ক্ষেতের বুকে সর্বনাশা খরা
জীবনকে মনে হয় ছিন্নভিন্ন ইতিহাসের পাতা।
চিরজনমের দুঃখে আকাশটা নীল
বারেবারে মেঘ এসে ঢেকে দেয় চাঁদ-সুরুয-তারা
চন্দ্রিমা বাসর সাজায় স্বপ্নভরা চোখে
ভেঙ্গে হয় খানখান অশনিসম্পাতে
কখনো সুনামি, কখনো আম্ফান এসে
ডোবায় আশার তরী গহীন ওই সমুদ্রের জলে
ভয়ংকর গর্জনে কেঁপে ওঠে ধরা
রাতের চোখের কালো আরো গাঢ় হয়
আকাশের মতো আমি চেয়ে থাকি নির্বিকার
বেদনার্ত নীল ঠোঁট কেঁপে কেঁপে ওঠে।
ছোট্ট এ জীবনের সাথে
মেঘ তুমি কত খেলা করো!
সূর্যের হাসিমুখ ঢেকে দাও মলিন আবরণে
চাঁদ আর চকোরীর পল্লবিত প্রেম
আড়াল করো অন্ধকারের অবগুণ্ঠনে
অসহায়া পল্লীবালার পর্ণ কুটিরখানি
ভাসিয়ে দাও অবিরাম শ্রাবণ বরিষণে
বঞ্চিত জীবনের দুঃসহ পথ পাড়ি দিয়ে
তোমার কাছে চাই নে মেঘ বেশি কিছু আর
একটুখানি ছায়া দিও শ্রান্ত পথিকেরে।
🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵
আজ কেউ ভালো নেই ১০-০৬-২০২০
প্রবীর কুমার চৌধুরী
মুঠো,মুঠো আলো ভরে দিচ্ছে সূর্য-
তোমরা তাকে ঢেকে দিচ্ছো রক্তের চাদরে।
জীবনের মধ্যগগনে দাঁড়িয়ে একটাই অনুরোধ-
ঘরের ফেরার বেলায় একটু নিশ্চিন্তে,হেসে কথা বলতে দাও।
অনাদায়ী সুখ চাই নি,বলিনি মুখে সোনার চামচ রাখতে,
চেয়েছি শুধু মানুষের অধিকারে কথা বলতে।
আজ কেউ ভালো নেই,আমি ,তুমি ভোরের আকাশ -
সবুজ ক্ষেত,সাধারণ,মধ্যবিত্ত জীবন,অক্ষর শিল্পী।
আর কি সম্ভব নয় হাতে হাত মিলিয়ে বিবাদহীন-
পিঁপড়ের মতো ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রমন ?
দম্ভ আর ক্ষমতার খোলসা ছেড়ে এসো,সাম্যতার ডানায়-
সোহাগ ভরে একবার ভালোবেসে গেয়ে উঠি মানবিকতার গান।
কেঁচোর মত মাটি খুঁড়ে,খুঁড়ে,ভয়ে কুঁকড়ে আর কতদিন বাঁচবো?
রক্তের গন্ধ শুঁকে,শামুকের মতো সম্ভুক বাঁচাটাই কি জীবন?
অন্ধকারে সিঁড়ি ভাঙতে,ভাঙতে ভীষণ ক্লান্ত,
লোভের নেশায় বুঝতে পারছো না শেষের সে দিন সমাগত ?
সংরক্ষিত
গড়িয়া,কলকাতা।
🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵🌵
আমি ভালবাসি...
@সোহেল রানা(১০-০৬-২০ইং)
আমি ভালবাসি বাংলা...
আমি ভালবাসি বাংলার আকাশ-বাতাস-চন্দ্র-সূর্য-তারা
আমি ভালবাসি বাংলার সবুজ-শ্যামলে ভরা ডালিখানি
আমি ভালবাসি ফুল, পাখি, গান, কবিতা
আমি ভালবাসি বাংলার ক্ষেত-খামার, খাল-বিল, নদী
আমি ভালবাসি কৃষান-কিষানির হাসি, রাখালের বাঁশি
আমি ভালবাসি বাংলার আউল-বাউল, লালন,
জারি-সারি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, রাখালিয়া, মুর্শিদি--
আমি ভালবাসি পিতার স্নেহমাখা আদর, মায়ের মমতামাখা চাদর
আমি ভালবাসি বাংলার গোধুলিমাখা নারী
আমি ভালবাসি বাংলার আকাশের রক্তিম লালিমামাখা সূর্য--
আমি ভালবাসি বাংলার আকাশের লাল-সবুজ পতাকা।
আমি ভালবাসা লালন করি, আমি ভালবাসা পালন করি
আমি ভালবাসি ৫২, ৬৯,৭১
আমি ভালবাসি আগুনঝরা মার্চ:
আমি ভালবাসি সেই ৭ই মার্চ:
"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম!
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম!"
________________________________________________
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ১১/০৬/২০২০ইং তারিখের সেরা
কবি:অবিনাশ দে
কবিতা:ত্যাগেই আনন্দ
কবি:হাসিকনা কর
কবিতা:তোমাকে নিমন্ত্রণ
কবি:খোশবুর আলী
কবিতা:ক্রান্তিকাল 'এর জন্যে।
@ প্রতিদিন কবিতা বিভাগ @
স্বাগত সকলকে
কলমের শৈলী হয়ে উঠুক প্রকৃতির সাথে সাথে মানব মনে ত্যাগের আনন্দ, নিমন্ত্রণ হোক সবুজ হৃদয়ে স্বজনের,হিংসা হানাহানি ভুলে এই ক্রান্তিকালে মানবিক গুণে জেগে উঠুক অন্তর।
ধন্যবাদন্তে
কবি মিলি বসাক
পরিচালক গাঙচিল অনলাইন,ভোলা
গাঙচিল সাহিত্য - সংস্কৃতি পরিষদ।
কবিতা প্রতিযোগিতা-
তারিখ : ১১/০৬/২০২০
কবিতা'র নাম : ক্রান্তিকাল
ছন্দের নামঃ স্বরবৃত্ত ছন্দ
কবি'র নাম :..খোশবুর আলী
নিত্যদিনের মত পৃথিবীর প্রাণী কুল,
বিচরণে মসগুল জীবিকার তাগিদে।
ঝলমলে রোদ্দুর গাছে গাছে ফোটে ফুল,
চলছিল সবকিছু নিজেদের আকিদে।
বিদ্বেষ ছেয়ে গেল সুন্দর ধরণীতে,
পাপ বেড়ে চারিদিক বাতাসটা বিষময়।
হাহাকার হাহুতাশ বাড়ছে বিপরীতে,
ন্যায় নীতি ভালোবাসা নাই আর এ সময়।
পাথরে পাথরে লেগে মন নয় শক্ত,
উভয়েই করে উহুঃ একজন নয় কভু।
হিংসা হানাহানি ঝরে কত রক্ত,
মজলুম আর্তে শোনে শুধু মহাপ্রভু।
বিধাতার রোষানলে পড়লাম সকলে,
এক ক্ষুদ্র অণুজীব তার মহা দাপটে।
বুঝেছি ক্ষমতা আছে কার দখলে,
লাখে লাখে মরে নর তার এক সাপটে।
---------------------
তোমাকে নিমন্তন
হাসিকনা কর।
বন্ধু আজিকে আমার বাড়িতে
তোমার নিমন্ত্রণ
তাইতো তোমাকে জানাতে এসেছি
মধুর সম্ভাসন।
তোমার জন্য রেঁধে ছি আমি
পুটিমাছের ঝা ল
মলা ঢেলা আমাদি চেলা
ক্ষেতের মুশুরি ডাল।
থানকুনি আর কাঁচকলাতে
দারুণ মাখা মাখি
সজনেডাঁটা মিস্টকুমড়ো
মোচা কচুরমুখি।
শেষের পাতে খেয়ো একটু
আমড়া র টক
তোমাকে খাওয়ানো ছিলো
আমার বড়ো শখ।
দৈনিক প্রতিযোগিতা
বিভাগঃ কবিতা
শিরোনামঃ ত্যাগেই আনন্দ
অবিনাশ দে তারিখঃ১১/০৬/২০২০ খৃঃ
হারিয়ে যেতে খুব ইচ্ছে করে,
নীলাকাশের সন্ধ্যাতারার মাঝে।
গ্রহ হতে গ্রহান্তরের বিশালয়ে,
বলাকা হয়ে পাখা মেলে উড়তে --
সন্ধ্যার বর্ণিল আলোকসজ্জাতে,
চাঁদ মামা মৃদু ছন্দে হাসতে থাকে।
বরষার মেঘের ভেলার সাথে,
রাশি রাশি সাদা কালো বরফে,
ঢেকে রাখে নীলিমাকে চাদর দিয়ে।
পবনের শনশন শব্দে ভাসে বর্ণিল আভা,
মেঘের সাথে আকাশের পীরিতির খেলা,
প্রেম ভালোবাসার অনিন্দ্য গভীরতা।
নির্মল মাধুর্য অভিসার চলে সঙ্গোপনে,
ফুলেল শুভেচছা জানায় কাননের ফুলে,
ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ফুল গগনতলে।
মিষ্টি মধুর মিলন মেলা বসে,
আকাশ বাতাস ধ্বনিত হয়ে।
মেঘনাদ রণে অভ্যস্ত মেঘের আড়ালে,
বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে প্রকৃতি মধ্যে।
অনাহত নিদে মৃত্যুবরণ ছিল ললাটে,
নিকুম্ভিলার ছলনায় বধিল রামে,
অমর কাব্য রচে গেল ভুবনে।
অনুভূতির রাজ্যে খুঁজে কবিতা,
কল্পনায় ঝলমলে আলোকবর্তিকা।
শয়নেস্বপনে হৃদয়ে ঘৃণা ভালবাসা,
গভীরতায় ফসিল সঞ্জীবনী আশা।
অন্তর মম ব্যাকুল বসন্ত আবেশে,
প্রেয়সীর পুষ্পাঞ্জলি পাওয়ার আশে।
হারিয়ে যদি যায় যুগান্তরের ঘুর্ণিপাকে,
অমীয় ধারায় চিরন্তন রহস্যের বাঁকে,
খুঁজিয়ে নাও সহাস্যে অমরত্বের সাথে।
ত্যাগ যদি নাই মেলে আঁখি পাতে সজনে,
কিসের প্রেম তিতিক্ষা অলিক বাঁধনে।
মরিচিকার গোধূলি বেলায় বিরহের ভাবে,
প্রিয়তমা আসিবে নিজভূমে পরবাসীর গানে।
দূর থেকে দেখিব তোমার দিঘল কালো কেশ,
বৃষ্টিস্নাত অধর তোমার দেখতে লাগে বেশ--
মেঘলা আকাশের রংধনুর সপ্ত রঙ্গে,
তুলির আঁচড়ে আঁকা কাল্পনিক চিত্রে,
দেখিব তোমার আঁখিদুটি অনুপম দৃষ্টিতে।
চির অম্লান তুমি স্বর্গীয় অপ্সরী সাজে,
নবরূপে আল্পনায় শৈল্পিক কারুকাজে।
হারিয়ে যাব দুঃখের ঠিকানায় ঘুর্ণিপাকে,
সুখী হও বন্ধু তুমি প্রেয়সীর অঞ্জলিতে।
মনে রেখনা অভাগা জেনে ভুলিও সদা,
প্রকৃত সুখ পাখি আনাগোনা করুক তাহা।
অপার মুগ্ধতায় ডুবে থাক ধরিত্রীতে,
সিঞ্চনে ব্যর্থতার গ্লানি দিয় আমাকে।
__________________________________
No comments:
Post a Comment